kalerkantho


মোস্তাফা জব্বার বললেন

সাত দিন ছাত্র থাকব তারপর কাজ শুরু

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সাত দিন ছাত্র থাকব তারপর কাজ শুরু

মোস্তাফা জব্বার

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে একটি ডুবন্ত নৌকা জাগিয়ে তোলার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি এই নৌকাকে সফলভাবে জাগিয়ে তুলতে পারব, এমন আস্থা ও বিশ্বাস থেকে প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর এ দায়িত্ব দিয়েছেন। গতকাল শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গতকাল সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যান। তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, দায়িত্ব পালনে আমি সফল হলে প্রধানমন্ত্রীও সফল হবেন, শক্তিশালী হবেন। তাঁর সম্মান রাখার জন্য আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করব। এ জন্য আমি সাত দিন ছাত্র থাকব। এই সাত দিনে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে শুনব, দেখব ও শিখব। এরপর আমি আমার কাজ শুরু করব।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশের প্রাইভেট অপারেটররা আমাদের ফ্রিকোয়েন্সি ও ব্যান্ডউইথ ব্যবহারে ব্যবসা করে লাভবান হচ্ছে। তারা পারলে আমরা পারব না কেন? আমার বিশ্বাস আগে কোথাও কোনো ভুল ছিল অথবা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন তাঁরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। আমি এগুলো চিহ্নিত করব। সে অনুযায়ী কাজ করব। ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমার বিশ্বাস ব্যর্থতাগুলো চিহ্নিত করতে পারলে আমরাও সফলভাবে ব্যবসা করতে পারব। আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবতা। ২০২১ সালের মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তির সব খাতসহ সব ক্ষেত্রে আমাদের স্বপ্নগুলো পূরণ হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এবং বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার জন্য তিনি কাজ করবেন বলে জানান।’

গতকাল সকাল সোয়া ১১টায় মন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান। পরে জাতির পিতার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তারেক, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফা, বিটিসিএল ও ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য