kalerkantho


রূপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা

সপ্তম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ পাঁচজনের

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী রূপা খাতুনকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতে গতকাল বুধবার সপ্তমবারের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আসামিদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধকারী চারজন ম্যাজিস্ট্রেট ও রূপার লাশ বহনকারী এক পুলিশ কনস্টেবল সাক্ষ্য প্রদান করেন। টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। আগামী রবিবার এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্মতাসহ অন্যান্য সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করার জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

রূপা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এস আকবর খান জানান, গতকাল বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সোয়া ৪টা পর্যন্ত চলে। রূপা হত্যা মামলার আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধকারী চার ম্যাজিস্ট্রেট রুপম শান্তি দাস, শামসুল আলম, গোলাম কিবরিয়া ও আমিনুল ইসলাম আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। একই সঙ্গে রূপার লাশ বহনকারী পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমানও সাক্ষ্য প্রদান করেন।

গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রূপাকে চলন্ত বাসে ধর্ষণ করে পরিবহন শ্রমিকরা। বাসেই তাঁকে হত্যার পর মধুপুর উপজেলায় পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের মধ্যে রূপার মরদেহ ফেলে রেখে যায়। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই অজ্ঞাতপরিচয় মহিলা হিসেবে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে রূপার মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা করে।


মন্তব্য