kalerkantho


ঋণ জালিয়াতি

বেসিকের সাবেক এমডি এবং বে-র এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



জালিয়াতির মাধ্যমে ১৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে বেসিক ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফখরুল ইসলাম এবং বে নেভিগেশন লিমিটেডের এমডি ফয়সাল মুরাদ ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল বুধবার দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলাটি করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বেসিক ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে করা এটি ৬১তম মামলা।

এর আগে ফয়সাল মুরাদ ইব্রাহীমের বড় ভাই মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহীম, মোরশেদের স্ত্রী চট্টগ্রাম মহানগর জাপার আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য মাহজাবীন মোরশেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। মামলা দুটিতে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার বিবরণে বলা হয়, বে নেভিগেশন লিমিটেডের এমডি ফয়সাল মুরাদ ইব্রাহীম পর্যাপ্ত জামানত না দিয়ে বেসিক ব্যাংকের দিলকুশা শাখা থেকে ১৩৭ কোটি ১৪ লাখ ছয় হাজার ৯৮৩ টাকা ঋণ নেন। শর্ত ভঙ্গ করে ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ না করে সুদসহ ওই টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি।

এর আগে ২০১১ সালে ফয়সাল মুরাদ ইব্রাহীমের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কার্গো জাহাজ আমদানির জন্য ৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার এলসি ঋণ সুবিধা অনুমোদন দেওয়া হয়। ব্যাংকের ওই শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের ক্রেডিট কমিটির সুপারিশ ছাড়াই মুখ্য প্রতিনিধি হিসেবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক একক ক্ষমতাবলে বোর্ডে ঋণ প্রস্তাবনা উপস্থাপনের পর তা অনুমোদন করিয়ে নেন।

মামলার বিবরণে আরো বলা হয়, ওই ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে আমদানি করা জাহাজ ও প্রটেকটিভ ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার ছাড়া সহায়ক জামানত নেই। জামানত দেওয়া জাহাজটি বর্তমানে অচল এবং এর নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য থেকে ভ্যাট, ট্যাক্স, বন্দরের পাওনা, জাহাজের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করে অবশিষ্ট টাকা না থাকায় ব্যাংকঋণ পরিশোধ হচ্ছে না।


মন্তব্য