kalerkantho


মাদক নিয়ে বিরোধ রাজধানীর মিরপুরে নিরাপত্তাকর্মীর লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর এলাকায় এক নিরাপত্তাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর নাম ফরিদ উদ্দিন (২৫)। গত বুধবার রাত ১টার দিকে রাস্তা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাদক নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়েছে।  ফরিদ মধ্য মনিপুরের ৬০৪ নম্বর বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন।

মিরপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, নিহত ফরিদ মাদকাসক্ত ছিলেন। তাঁর সঙ্গে এলাকার মাদক কারবারিদের সম্পর্ক ছিল। মাদক নিয়ে বিরোধের জের ধরেই তাঁকে হত্যা করা হতে পারে। প্রাথমিক তদন্তে এ তথ্য পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধারের পর তাঁঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে হত্যাকাণ্ডে কে বা কারা জড়িত তা এখনো জানা যায়নি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আটককৃতরা এলাকার বখাটে। তারা মাদক সেবন করত, পাশাপাশি মাদক কারবারের সঙ্গেও সম্পৃক্ত। এদের সঙ্গে নিহত ফরিদের পূর্ব পরিচয় ছিল। ফরিদ নিজেও মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের অর্থ লেনদেন নিয়ে বিরোধের জের ধরে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে কয়েকটি সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।  

নিহত ফরিদ উদ্দিন মধ্য মনিপুরের ৬০৪ নম্বর বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ওই বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর মাথা, বুক, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত রয়েছে। তাঁকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে ইটের টুকরা আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

বাড়ির মালিক পুলিশকে জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদ বাসার সব গেট তালা দিয়ে তাঁর নির্দিষ্ট স্থানে ঘুমাতে যান। এরপর তিনি জানতে পারেন ফরিদ বাসায় নেই। পরে খোঁজ করে বাড়ির সামনে তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। 

ফরিদ মাদকাসক্ত ছিল কি না জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাড়ির মালিক বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে পুলিশ বলছে, রাতে বাসার গেট বন্ধ করে ফরিদ তাঁর ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে বাইরে ছিলেন। গভীর রাতে তিনি বাইরে থাকলেও বাড়ির মালিক জানতেন না।


মন্তব্য