kalerkantho


সংসদে প্রশ্নোত্তর

নৌপথের নাব্যতা পুনরুদ্ধারে খনন হবে ১৭৮ নদী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



দেশের ৪৯১টি নৌপথের নাব্যতা পুনরুদ্ধারে ১৭৮টি নদী খনন করা হবে। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল রবিবার সংসদ অধিবেশনে অনুপস্থিত নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের পক্ষে পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রহিম উল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ নৌপথের দৈর্ঘ্য বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে ছয় হাজার কিলোমিটার ও শুষ্ক মৌসুমে চার হাজার কিলোমিটার। অভ্যন্তরীণ নৌপথ বাড়াতে দেশের ৫৩টি নৌপথের মধ্যে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের আওতায় ১২টির খননকাজ চলছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মরে যাওয়া প্রায় এক হাজার ২০০ কিলোমিটার নৌপথ খননের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে নৌপথ বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনার আওতায় আরো ১৭৮টি নদী খনন করা হবে।

সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, সরকার দেশের ৪৯১টি নৌপথের নাব্যতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। যার অংশ হিসেবে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ নৌপথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (প্রথম পর্যায়ে ২৪ নৌপথ) প্রকল্প এবং ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের খননকাজ চলছে। বলেশ্বর-পায়রা নৌপথ এবং পুরনো ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার, পুনর্ভবা, তুলাই ও সোয়া নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সমীক্ষা শেষ হয়েছে। বর্তমানে এর অনুমোদন প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া সাঙ্গু, মাতামুহুরী, কর্ণফুলী, ঘাঘট, বানার, লোয়ার, নাগদা, জিনাই, গোমতী ও ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে হাওর অঞ্চলের ১৮টি নদীর নাবত্যা বৃদ্ধি, নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নতি, পর্যটন, জলাভূমি, ইকো-সিস্টেম, সেচ ও ল্যান্ডিং সুবিধা সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলছে।


মন্তব্য