kalerkantho


কেসিসি নির্বাচন

তথ্য গোপন করায় খালেকের প্রার্থিতা বাতিল চায় বিএনপি

আরো ১৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল

খুলনা অফিস   

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের মনোনয়ন বাতিলের জন্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বিএনপি। গতকাল সোমবার দুপুরে কেসিসি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু এ অভিযোগ দাখিল করেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, তালুকদার আব্দুল খালেক সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট। নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। ইস্টার্ন পলিমার লিমিটেডের পরিচালক ও সর্বময় নিয়ন্ত্রণকারী। এখান থেকে তিনি নিয়মিত বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেন। তালুকদার আব্দুল খালেক তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য গোপন করেছেন। এমনকি ইস্টার্ন পলিমার লিমিটেডের নেওয়া ঋণের তথ্যও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। এ ছাড়া দলীয় মনোনয়নপত্রে তাঁর ভোটার নম্বরও উল্লেখ করা হয়নি।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা ২০১০-এর ১২ ধারা অনুযায়ী মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা দাখিল করার বিধান রয়েছে। ওই হলফনামায় তথ্য গোপন করলে কিংবা মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে তার প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রয়েছে। অভিযোগ তদন্তপূর্বক মনোনয়ন বাতিল এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অভিযোগ গ্রহণ করেছেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. হুমায়ুন কবির।

১৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল : খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে আরো ১৩ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এ নিয়ে গত দুই দিনে ২৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলো। এ ছাড়া স্থগিত থাকা তিনজন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

গতকাল সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাধারণ ৯ নম্বর ও ১১-৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলরদের মনোনয়ন যাছাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের গতকাল ছিল শেষ দিন।

রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, গত দুই দিনে মোট ২৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা তিন দিনের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন।

কমিশন সূত্র জানায়, মূলত টিআইএন না থাকা, ঋণখেলাপি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজ না থাকায় বেশির ভাগ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।

 



মন্তব্য