kalerkantho


মতবিনিময়সভায় বক্তারা

কোটা সংস্কার দাবি মানলে সরকার হুমকিতে পড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ মে, ২০১৮ ০০:০০



সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলন উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ করে একাধিক সংগঠন বলছে, আন্দোলনকারীদের এই দাবি বাস্তবায়িত হলে একসময় সরকারি চাকরিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের অবস্থান শক্তিশালী হবে। তাতে স্বাধীনতার পক্ষের সরকার যেকোনো সময় হুমকির মুখে পড়বে। তাই সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পাওয়া রাজাকারের সন্তান ও স্বাধীনতাবিরোধীদের অপসারণসহ ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো।

শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন মঞ্চ, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদের এই দাবি বাস্তবায়নে গতকাল বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, সুচিন্তা ফাউন্ডেশনে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ আরাফাত, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশিদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের মহাসচিব হারুন হাবীব, সাবেক সচিব এম আবদুল মালেক, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম প্রমুখ। সভাটি সঞ্চলনা করেন অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী।

সংগঠনগুলোর ছয় দফা দাবির মধ্যে অন্যতম হলো—সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখা; সরকারি চাকরি থেকে রাজাকারের সন্তানদের বহিষ্কার করা; রাজাকারের সন্তানদের চাকরিতে সুযোগ না দেওয়া; মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত রাজাকার-আলবদরদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে একাত্তরে ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে ব্যয় করা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অস্বীকার ও বিকৃতি রোধে কঠোর আইন করা।

সভায় বক্তারা বলেন, ২০০৪ সালে ইসলামী ছাত্রশিবির এই আন্দোলন শুরু করেছিল। এখন সেটি তারাই কৌশলে জোরালো করেছে। এটির মূল উদ্দেশ্য সরকারের পতন ঘটানো।


মন্তব্য