kalerkantho


সাভারে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



সাভারে এক তরুণীকে (১৯) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সাভার পৌর এলাকার উলাইল মহল্লা থেকে তাদের আটক করা হয়।

সাভার মডেল থানার ওসি মহসিনুল কাদির জানান, আটক দুই ব্যক্তি হলো সাভারের নামাগেণ্ডা এলাকার রফিক হোসেনের ছেলে সোহেল হোসেন (২৫) ও ভাগলপুর এলাকার আবদুল জলিলের ছেলে টিপু সুলতান (২৮)।

ওসি বলেন, মঙ্গলবার সকালে মেয়েটি নানার বাসায় বেড়াতে আসেন। এ সময় সোহেল ও টিপু তাঁর পিছু নেয়। পরে মেয়েটিকে বাড়িতে একা পেয়ে কৌশলে ঘরে ঢুকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে।

এ সময় মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সোহেল ও টিপু পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে দুজনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

নিহত নারীর পরিচয় মিলেছে স্বামী আটক

সাভারে প্রায় দুই মাস আগে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় নারীর লাশের পরিচয় মিলেছে।

লাশটি ভোলা জেলার সদর থানার মধ্যবাড্ডা গ্রামের রানা মিয়ার (৪২) দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমের (৩৫)।

মরিয়ম ‘হত্যা’র ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাঁর স্বামী রানাকে সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকা থেকে গত সোমবার রাতে আটক করেছেন র‌্যাব সদস্যরা। র‌্যাব-৪ নবীনগর ক্যাম্পের অধিনায়ক আবদুল হাকিম বলেন, পারিবারিক কলহ ও দ্বিতীয় বিয়ের কথা জানাজানির ভয়ে মরিয়মকে হত্যা করেন বলে র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রানা স্বীকার করেছেন।

আবদুল হাকিম জানান, গত জানুয়ারিতে রানার সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। এর পর থেকে তাঁরা তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুরের পূর্বহাটি এলাকার এরশাদ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ১৫ জুলাই ওই বাড়ির তালাবদ্ধ একটি ঘর থেকে সাভার ট্যানারি শিল্পনগরী ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এ বি এম শাহ আলম মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানার পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করে। পরে এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান শুরু হয়। আটক রানাকে সাভার মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 


মন্তব্য