kalerkantho


নলছিটি ও মিঠাপুকুরে দুই ছাত্রীকে অপহরণ

রংপুর অফিস ও ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ঝালকাঠির নলছিটি শহরে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার সকালের এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা নলছিটি থানায় অভিযোগ দিলেও মামলা নেয়নি পুলিশ।

সূত্র জানায়, নলছিটি ডিগ্রি কলেজের ওই ছাত্রীকে পৌর এলাকার মল্লিকপুরের সুলতান সরদারের ছেলে সুজন সরদার উত্ত্যক্ত করত। এ কারণে কয়েক মাস আগে ওই ছাত্রীকে একটি গ্রামে বিয়ে দেয় পরিবার। বিয়ের পরও কলেজে যাওয়া-আসার সময় ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার হুমকি দেয় সুজন। ঘটনাটি ছাত্রী তাঁর বাবাকে জানান। ছাত্রীর বাবা সুজনের বাবার কাছে অভিযোগ জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। গত সোমবার ছাত্রী তাঁর এক বান্ধবীকে নিয়ে শহরের স্টেশন রোডের দোকানে কেনাকাটার জন্য যান। এ সময় তাঁদের পিছু নেয় বখাটে সুজন ও তাঁর দুই সহযোগী। একপর্যায়ে তারা স্টেশন রোড থেকে ছাত্রীকে টেনেহিঁচড়ে ট্রলারঘাটের দিকে নিয়ে যায়।

ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করেন, ‘আমি সুজনের পরিবারের কাছে নালিশ করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে।

এ ঘটনায় আমি নলছিটি থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি। পুলিশ এখনো মামলা নেয়নি। দুই দিন হয়ে গেছে, মেয়ের খোঁজ পাইনি। ’ নলছিটি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগটির তদন্ত শুরু করেছি। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

এদিকে রংপুরের মিঠাপুকুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৩) অপহরণ করা হয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পরও শিশুটিকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। অপহরণকারীদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মেয়েটির পরিবার। শিশুটির বাড়ি উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে।

এলাকাবাসী জানায়, ওই ছাত্রীর মা-বাবা ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর ঢাকায় তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডে মারা যান। পরে সরকারি ও বেসরকারিভাবে প্রায় ৭০ লাখ টাকা পায় তাদের পরিবার। টাকাগুলো ছাত্রী ও তার দাদার নামে ব্যাংকে যৌথ হিসাবে জমা রাখা হয়। গত ৫ সেপ্টেম্বর ছাত্রীটিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নয়নী ফরিদপুর গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে রমজান আলী অপহরণ করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অপহরণের সময় রমজানের সঙ্গে একই গ্রামের সাবু মিয়া, আকবর হোসেন ও তোজাম্মল হোসেন ছিলেন। পরে ছাত্রীটির পরিবার মিঠাপুকুর থানায় অভিযোগ দেয়।


মন্তব্য