kalerkantho


খাগড়াছড়িতে ৩৫৭ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ

লিখিত পরীক্ষা বাতিল দাবি, বিক্ষোভ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ঘুষ-বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় তা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত খাগড়াছড়ির সম্মিলিত ছাত্র সমাজের উদ্যোগে গতকাল বুধবার আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়।

অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন ছাত্র নেতারা।

সম্মিলিত ছাত্র সমাজের ব্যানারে সকালে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে স্বনির্ভর এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। সম্মিলিত ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক নয়ন চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ত্রিপুরা স্টুডেন্ট ফোরামের টিটু ত্রিপুরা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জিসিম চাকমা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের স্বাগতম চাকমা, প্রিয় চাকমা প্রমুখ।

সমাবেশ থেকে বক্তারা অভিযোগ করেন, নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার জন্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান-সদস্য ও কর্মকর্তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনায়ও জড়িয়ে পড়েছেন। মেধাবীদের বাদ দিতে ষড়যন্ত্র করে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার দিনেই নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার দিন ঠিক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন : এদিকে খাগড়াছড়ির চার জনপ্রতিনিধি গতকাল সকালে সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা অবিলম্বে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানান। তা না হলে ১৭ সেপ্টেম্বর পার্বত্য জেলা পরিষদ ভবন ঘেরাওয়ের হুমকি দেন।

সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম, রামগড় পৌরসভার মেয়র কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চঞ্চুমনি চাকমা ও পানছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট ৩৫৮ জন সহকারী শিক্ষকের জন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হয়। ২৮ আগস্ট ফল প্রকাশের পর নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এখনো চূড়ান্ত মৌখিক পরীক্ষা হয়নি।


মন্তব্য