kalerkantho


ছাত্রলীগের কার্যালয়ে যুবলীগের হামলা

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ছাত্রলীগের কার্যালয়ে যুবলীগের হামলা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে যুবলীগের কর্মীরা। হামলায় ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দেড় বছর আগে কাঁচপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কার্যালয় নির্মাণ করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি কাঁচপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাহাবুব পারভেজের সঙ্গে ৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নাহিদ মিয়ার ব্যবসায়িক বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল দুজনের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। এর জের ধরে মাহাবুব পারভেজ, উপজেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সম্পাদক ফারুক ওমর, যুবলীগের কর্মী সুমন মিয়া, মোখলেছুর রহমান, রাসেদ মিয়া, উজ্জল হোসেন, সুমন মিয়া, বাবুল হোসেনসহ অর্ধশতাধিক লোক একত্রিত হয়। তারা ওয়ার্ড কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় কার্যালয়ে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়। তারা ছাত্রলীগের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় হোসেন, সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি শামীম মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নিলয় হোসেন, কাঁচপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কর্মী হাসান মিয়া, জনি হোসেন, রাব্বি মিয়া, রিপন হোসেন, মেহেদী হাসানকে পিটিয়ে আহত করে। ছাত্রলীগ ও যুবলীগের শ শ নেতা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান রাসেদ ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ বলেন, ‘অবিলম্বে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। ’

অভিযুক্ত মাহাবুব পারভেজ ও ফারুক ওমর বলেন, ‘সোনারগাঁ শপিং কমপ্লেক্সের সামনে অবৈধভাবে জায়গা দখল করে দোকানপাট বসায় কতিপয় ছাত্রলীগ নামধারীরা। আমরা তাদের বাধা দেই। কোনো ছবি ভাঙচুর ও হামলার সঙ্গে জড়িত নই। ’

সোনারগাঁ থানার ওসি মোর্শেদ আলম বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ’


মন্তব্য