kalerkantho


মুন্সীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ছয় লাখ টাকা লুট

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ব্যাংক থেকে ছয় লাখ টাকা তুলে ভায়রার বাড়িতে যান নিরঞ্জন রায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কয়েকজন সেখানে গিয়ে নিজেদের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বলে পরিচয় দেয়।

এ সময় নিরঞ্জনকে টাকাসহ তাদের সঙ্গে যেতে বলে। রাস্তায় যাওয়ামাত্র তারা নিরঞ্জনকে মাইক্রোবাসে তুলে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি গতকাল বুধবার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের বড়ই হাজী গ্রামের। পরে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় নিরঞ্জনকে ফেলে টাকা নিয়ে চলে যায় ‘ডিবি পুলিশ’রা।

জানা যায়, নিরঞ্জনের বাড়ি সিরাজদিখানের ঘোড়ামারা গ্রামে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি। গতকাল দুপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের নিমতলা শাখা থেকে কুয়েতপ্রবাসী ছেলের পাঠানো ছয় লাখ টাকা তুলেন তিনি। জমি কেনার জন্য এ টাকা তোলা হয়েছিল। পরে টাকাসহ বড়ই হাজী গ্রামে ভায়রা সঞ্জিত রায়ের বাড়িতে যান তিনি।

পাঁচ মিনিটের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জন সেখানে গিয়ে নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে পরিচয় দেয়। ‘ডিবি পুলিশ’দের কথামতো নিরঞ্জন টাকাসহ ভায়রার বাড়ির কাছে রাস্তায় যাওয়ামাত্র জোর করে তাঁকে মাইক্রোতে তুলে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের কেরানীগঞ্জে তাঁকে ফেলে রেখে টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় কথিত ডিবি পুলিশরা।

এ বিষয়ে নিরঞ্জনের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে সিরাজদিখান থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, ‘বিষয়টি রহস্যজনক। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

টঙ্গিবাড়ীতে সুদের টাকা নিয়ে যুবকের ওপর হামলা

এদিকে টঙ্গিবাড়ীতে সুদের টাকা নিয়ে বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে যুবকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত যুবক আক্তার সেখকে টঙ্গিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার আমতলী গ্রামের মালেক বেপারী একই গ্রামের কাপড় বিক্রেতা আক্তার সেখকে সুদের ভিত্তিতে ২৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। কিন্তু স্ট্যাম্পে তিনি ৫০ হাজার টাকা লিখে আক্তার সেখের স্বাক্ষর নিয়েছেন। আক্তার সেখ স্ট্যাম্পে ৫০ হাজার টাকা লেখা দেখে এর প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। বুধবার সকালে মালেক বেপারী ও তাঁর ছেলে আক্তার সেখের ওপর হামলা চালায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে টঙ্গিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহত আক্তার সেখ বলেন, ‘আমি টঙ্গিবাড়ী থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ আমার অবস্থা দেখে আগে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলেছে। ’ এ ব্যাপারে জানতে মালেক বেপারীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


মন্তব্য