kalerkantho


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

মোটরসাইকেল আটকে রেখে চাঁদা দাবি

বাকৃবি প্রতিনিধি   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এক সেকশন অফিসারের মোটরসাইকেল আটকে রেখে তাঁর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের তিন নেতার বিরুদ্ধে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার পরিষদ ও পাশের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে গতকাল রবিবার মোটরসাইকেলটি ফেরত দিতে বাধ্য হয় অভিযুক্তরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের জব্বারের মোড় থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় মো. মেহেদী হাসান রাসেলের কাছ থেকে পাঁচ মিনিটের কথা বলে মোটরসাইকেলটি নেন শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন ও শামীম আকরাম। রাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের অ্যানাটমি অ্যান্ড হিস্টোলজি বিভাগের সেকশন অফিসার। পরদিন শনিবার রাতে কামাল রঞ্জিত (কে.আর) মার্কেটে মোটরসাইকেলটি ফেরত না দিয়ে রাসেলের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিকুর রহমান আতিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আকরাম। ছাত্রলীগের সিনিয়র-জুনিয়ররা মিলে চাঁদার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে রাসেলকে জানানো হয়। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

পরে রাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার পরিষদ ও আত্মীয় পাশের বয়ড়া ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের শরণাপন্ন হন। তাঁদের সহযোগিতায় অভিযুক্তরা গতকাল দুপুরে জব্বারের মোড়ে মোটরসাইকেলটি ফেরত দিতে বাধ্য হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তিন নেতা বলেন, ‘রাসেল আমাদেরই বড় ভাই। ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানের কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়েছিলাম। পরে মোটরসাইকেলটি এক জুনিয়র নিয়ে যাওয়ায় তৎক্ষণাৎ ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি। চাঁদার চাওয়ার প্রশ্নই আসে না’। অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ কাজী ও সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেলকে একাধিকবার ফোন দিলেও তাঁরা রিসিভ করেননি।


মন্তব্য