kalerkantho


শ্রীনগরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কলেজ শিক্ষিকার জিডি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এক শিক্ষিকা। সোমবার সকালে উপজেলার রাঢ়িখাল স্যার জেসি বোস ইনস্টিটিউশন ও কলেজের শিক্ষিকা হাছিনা আক্তার প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ফরহাদ আজিজ, পরিচালনা পরিষদের দুই সদস্য কিবরিয়া আহমেদ ও রেজোয়ান ঢালী এবং শিক্ষক অরুণ চন্দ্র কর্মকারের বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় এ জিডি করেন। 

হাছিনা আক্তার জানান, চাকরিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ, পরিচালনা পরিষদের দুই সদস্য ও এক শিক্ষক মিলে তাঁর স্বামী তোফাজ্জল হোসেনকে সোমবার সকালে মাইজপাড়া বাজারে নানা রকম ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। অভিযুক্তরা হাসিনা আক্তার ও তাঁর পরিবার-পরিজনের ক্ষতি করতে পারে বলে তিনি জিডিতে উল্লেখ করেন। এর আগে হাছিনা আক্তারের সন্তান সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে তিনি সন্তানের চিকিৎসার জন্য ভারতে যান এবং পরে চাকরিতে যোগ দেন। পরে হাছিনা আক্তারের বিরুদ্ধে অনিয়মিত হাজিরার কারণ দেখিয়ে তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারাদেশ অবৈধ দাবি করে তা প্রত্যাহারের জন্য হাছিনা আক্তার জেলা প্রশাসকসহ ঢাকা মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করেন। এরই জেরে এ দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মো. ফরহাদ আজিজ বলেন, ‘ভয়ভীতি দেখানোর বিষয়টি ঠিক নয়। হাছিনা আক্তারই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য রবিবার রাতে কলেজ কোয়ার্টারে বহিরাগত বখাটেদের নিয়ে বৈঠক করেছে। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।’

ফেল করলে ওপরের ক্লাসে না

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ওপরের ক্লাসে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭৭। ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের ব্যবস্থাপনা কমিটির এমন সিদ্ধান্তে পাল্টে গেছে দৃশ্যপট। বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা মনোনিবেশ করেছে পড়াশোনায়।

ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘যেহেতু এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ নেই। তবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ না হয়ে কেন সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাবে?’ তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়গুলোতে স্থানীয় নানা কারণে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ওপরের ক্লাসে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এমনটি করব না।’

এ ব্যাপারে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন বলেন, ‘অকৃতকার্য হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপরের শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া ঠিক নয়। ব্রাহ্মণগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এতে সুফল আসবে।’

 


মন্তব্য