kalerkantho


বাকৃবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

আওয়ামীপন্থীদের সব পদে জয়

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ সোনালি দলের

বাকৃবি প্রতিনিধি   

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শিক্ষক সমিতির ২০১৮ সালের নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সব পদে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। সভাপতি পদে প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস মাহফুজুল বারি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে কৃষি পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া সহসভাপতি পদে কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী শাহানারা আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ পদে পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসলাম আলী, যুগ্ম সম্পাদক পদে ফার্ম স্ট্রাকচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. মো. রায়হানুল ইসলাম এবং সদস্য পদে অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন-২, অধ্যাপক ড. মোবারক আকতার মো. ইয়াহিয়া খন্দকার, অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন, অধ্যাপক ড. গোপাল দাস ও অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম নির্বাচিত হন।

বুধবার রাত ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোশারফ হোসেন। নির্বাচনে ১১টি পদের বিপরীতে আওয়ামীপন্থী গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম এবং বিএনপি ও জামায়াতপন্থী সোনালি দলের দুটি প্যানেলে ২২ জন শিক্ষক অংশ নেন। ৫৪০ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪২৮ জন।

 

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

এদিকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ব্যালটের গোপনীয়তা ভঙ্গের মাধ্যমে আচারণবিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সোনালি দল। অভিযোগে বলা হয়, ব্যালট পেপারে কিউআর কোড ও সিরিয়াল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, যা নির্বাচনবিধির লঙ্ঘন। বুধবার রাতে ফল ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ‘কিউআর কোড ও সিরিয়াল নম্বর যোগ করার সিদ্ধান্ত সোনালি দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে আগে জানানো হয়নি। বিগত নির্বাচনে ব্যালটে এসব ব্যবহার করা হয়নি। ব্যালটের সিরিয়াল নম্বরের মাধ্যমে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষকরা কাকে ভোট দিয়েছেন জানা যাবে বলে তাঁদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট আদায় করেছে গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম। এতে আমাদের নির্বাচনে প্রভাব পড়েছে। বিগত ২৭ বছরের নির্বাচনের ফলে কোনোবার এ রকম ঘটনা ঘটেনি।’

গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘সিরিয়াল নম্বরের বিষয়ে আমরা কিছু জানতাম না। আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখাইনি।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘কতগুলো ভোট প্রয়োগ হয়েছে তা জানার জন্য সিরিয়াল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। আর কিউআর কোডে শুধু BAUTA Election 2018, January 17 রয়েছে। ব্যালটে কে কাকে ভোট দিয়েছেন তা জানার উপায় নেই। দ্রুতই ব্যালট নষ্ট করে দেওয়া হবে।’


মন্তব্য