kalerkantho


ঈশ্বরদীতে দুই ছাত্রী ধর্ষণ

আলমডাঙ্গায় কিশোরীর গর্ভপাত

পাবনা ও চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

১৩ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নে গত রবিবার রাতে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১৪ বছরের কিশোরীর গর্ভপাতের পর অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে দুই ছাত্রী ঈশ্বরদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ করে, তারা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। রবিবার বাঁশেরবাদা বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পালন উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখছিল। একপর্যায়ে সাহাপুর ইউনিয়নের গড়গড়ি গ্রামের সিরাজুল ইসলাম মনার ছেলে রমজান ও মনিরুল ইসলাম রনি তাদের দুজনকে অটোবাইকে বেড়ানোর নাম করে তুলে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় গড়গড়ি গ্রামের একটি ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাদের দুজনকে আটকে রেখে যৌন নির্যাতন করে। সোমবার ভোরের দিকে এই কথা কাউকে না জানানোর জন্য শাসিয়ে রমজান ও রনি মেয়েদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ সময় তারা অনেক পথ পায়ে হেঁটে সকাল ৮টার দিকে বাড়ি পৌঁছায়। পরিবারের লোকজন সারা রাত এদের খোঁজ করে না পেয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সারা রাত কোথায় ছিল—জানতে চাইলে মেয়েরা পরিবারকে ঘটনা জানায়। পরে উভয় পরিবারের পক্ষ হতে সাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য শামসুল প্রামাণিককে বিষয়টি জানানো হয়। ইউপি সদস্য শামসুল প্রামাণিক জানান, ঘটনা শুনে তিনি মেয়েদের পুলিশের ঈশ্বরদী সার্কেল অফিসে নিয়ে যান।

অন্যদিকে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, কিশোরীর মা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তাঁকে চিকিৎসার জন্য মাঝেমধ্যে চুয়াডাঙ্গা নিয়ে যেতে হতো। এ সময় বাড়িতে একা থাকত মেয়েটি। এই সুযোগে গ্রামের ইব্রাহিম আলীর ছেলে আবুল কাশেম (৫০) প্রায়ই ওই বাড়িতে ঢুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন নির্যাতন করত। এ ঘটনা কাউকে বললে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দিত। এ অবস্থায় মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। গত শনিবার কাশেম কৌশলে মেয়েটিকে নিয়ে যায় পাশের ঝিনাইদহের হরিনাকুণ্ডু উপজেলায়। সেখানে গর্ভপাত ঘটিয়ে মেয়েটিকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে।


মন্তব্য