kalerkantho


নারায়ণগঞ্জে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জে স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে বাবুল মিয়াকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আরো এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জুয়েল রানা এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত বাবুল মিয়া ফরিদপুরের মধুখালীর গোন্দারদিয়ার আব্দুল বাতেন ভূঁইয়ার ছেলে। নিহত সখিনা খাতুন একই এলাকার তমিজ উদ্দিনের মেয়ে। এ দম্পতি রূপগঞ্জ উপজেলার নওয়াপাড়া এলাকায় ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন।

নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের পিপি রকিব উদ্দিন জানান, ২০০৪ সালের ১৫ মে রাত ৯টায় ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য সখিনার ওপর নির্যাতন চালান তাঁর স্বামী বাবুল। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ মে সকালে মারা যান তিনি।

এ ঘটনায় নিহত সখিনার বাবা তমিজ উদ্দিন ২০০৪ সালের ২১ মে বাবুলকে প্রধান আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ বাবুলকে অভিযুক্ত করে মামলার আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

সিদ্ধিরগঞ্জে অয়েল রিফাইনারিতে অগ্নিকাণ্ড

এদিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে রিফাইনারি মেশিনটিসহ বিপুল পরিমাণ তেল নষ্ট হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ডেমরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুল মান্নান বলেন, ‘সকাল পৌনে ৭টায় আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আদমজী ফায়ার স্টেশনের দুটি টিমও আমাদের সঙ্গে যোগ দেয়। আধাঘণ্টার চেষ্টায় আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।’ তিনি বলেন, ‘তেল রিফাইনার মেশিনের গিসার ফিল্টারের মোটরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, আগুনে তাদের ১৫ কোটি টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। তবে আমাদের ধারণা, ক্ষতির পরিমাণ এত হবে না। তদন্তের পর বলা যাবে ক্ষতির পরিমাণ কত।’ এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ডিজিএম মাহবুবুল আলমের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে সংযোগ কেটে দেন। পরে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি।


মন্তব্য