kalerkantho


বরিশাল, ওয়ার্ড-৯

সবার দৃষ্টি রসুলপুরে

বরিশাল অফিস   

১৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



সবার দৃষ্টি রসুলপুরে

কীর্তনখোলার বুকে তিন যুগ আগে জেগে উঠেছিল চর। সেই চরে বসতি গড়েছে শ্রমজীবীরা। যাদের সবাই ভূমিহীন। সেই চর রসুলপুর নাম ধারণ করে যুক্ত হয়েছে নগরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। তবে রসুলপুরের বড় একটা অংশই প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে। চরের আশপাশ এখনো জোয়ারের পানিতে ডুবে যায়। মেয়র শওকত হোসেন হিরণ চরে বিদ্যুৎ আর রাস্তার ব্যবস্থা করেছিলেন। শিশুদের জন্য বিদ্যালয়ও করেছিলেন। এখানে ভোটার এক হাজার ৩০০। তাই কাউন্সিলর প্রার্থীরা সব সময়ই রসুলপুরে ছোটেন ভোটারদের মন গলাতে।

কাঠপট্টি, সদর রোড, গির্জা মহল্লা, চকবাজার, পদ্মাবতী, ফরিয়াপট্টি, এনায়েতুর রহমান সড়ক, পোর্ট রোড আর রসুলপুর নিয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ড। ভোটার ছয় হাজার ৭৩৬। বিএনপিপন্থী বর্তমান কাউন্সিলর হারুন অর রশীদ, বিএনপিপন্থী সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ জামাল হোসেন নোমান এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর এস এম মোস্তাফিজুর রহমান ভোটের মাঠে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে হারুন অর রশীদ এবং এস এম মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে লড়াই হতে পারে।

হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমি পাঁচ বছর কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করেছি। এলাকার সড়কগুলো আমি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে রেখেছি। শুধু পোর্টরোড সড়ক নৌ বন্দরের হওয়ায় সেখানে কাজ করতে পারিনি। রসুলপুর কলোনি মাদকমুক্ত করা ছিল আমার সবচেয়ে বড় কাজ। এ ছাড়া রসুলপুর কলোনিতে আমি স্বল্পমূল্যে বিদ্যুেসবা, কলোনির বাসিন্দাদের চলাচলে সড়ক ও বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছি। ফের কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে আমি ওই কাজ এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করব।’

আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার বরিশালের ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। তবে নগরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়নের কোনো গতি ছিল না। সড়কগুলো বেহাল। তা ছাড়া রসুলপুর কলোনির কোনো উন্নয়নই হয়নি। নেই চলাচলের জন্য সড়ক। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারে আছে এখানকার মানুষ। নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় মাদক কারবারি তাদের আস্তানা বানিয়েছে এখানে। আমি নির্বাচিত হলে রসুলপুর থেকেই আমার উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করব এবং এই কলোনিকে মাদকমুক্ত করব।’

সৈয়দ জামাল হোসেন নোমান বলেন, ‘আমি এর আগে ১০ বছর কাউন্সিলর ছিলাম। তখন এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। সড়ক, সংস্কার থেকে ড্রেন নির্মাণ, আধুনিক ওয়ার্ড বিনির্মাণ আমার কারণেই হয়েছে। আবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে আমি উন্নয়নবঞ্চিত মানুষের সেবা করব। বিশেষ করে রসুলপুর কলোনিবাসীর উন্নয়নই থাকবে আমার মূল লক্ষ্য।’

 



মন্তব্য