kalerkantho


‘২০৪০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে সুপেয় পানির সংকট কেটে যাবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



‘২০৪০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে সুপেয় পানির সংকট কেটে যাবে’

২০৪০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামে সুপেয় পানির কোনো সংকট থাকবে না জানিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেছেন, ‘তবে এ জন্য আরও প্রকল্প হাতে নিতে হবে। কর্ণফুলী নদীকে রক্ষা করতে হবে।

১২ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম ওয়াসা সেবামাস পালন করছে।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন এ কে এম ফজলুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম ওয়াসা বর্তমানে দৈনিক ৩০ কোটি লিটার সুপেয় ও নিরাপদ পানি নগরীতে সরবরাহ করছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার থেকে ১৪ কোটি লিটার, মোহরা পানি শোধনাগার থেকে ৯ কোটি এবং বাকি ৭ কোটি লিটার গভীর নলকূপ থেকে উৎপাদিত হচ্ছে। ’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ওয়াসার বোর্ড সদস্য ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী, আবিদা আজাদ, সোলায়মান আলম শেঠ, জাফর আহমেদ সাদেক, ওয়াসার উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) গোলাম হোসেন, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য খোকন, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল) রতন কুমার সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘২৯ বছর চট্টগ্রাম নগরীতে জনসাধারণ নিরাপদ সুপেয় পানির সংকটে ভুগেছে। জনগণকে কখনও রাত জেগে কখনও লাইন ধরে প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার প্রকল্প চালু হওয়ায় এই সংকট দূর হয়েছে। পাশাপাশি পানি সংকট নিরসনে বর্তমানে চিটাগাং ওয়াটার সাপ্লাই ইম্প্রুভমেন্ট অ্যান্ড স্যানিটেশন প্রকল্প, কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প ও ভাণ্ডারজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘২০৪০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম শহরে পানির সংকট থাকবে না, তবে আরও প্রকল্প নিতে হবে। আর আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ওয়ার্নিং হল চট্টগ্রামে মাত্র একটি নদী। সেটি হলো কর্ণফুলী নদী। এটিকে রক্ষা করতে হবে। দূষণের হাত থেকে কর্ণফুলীকে বাঁচাতে হবে। ’


মন্তব্য