kalerkantho


মধ্যাহ্নভোজে ১৬ পদের বাঙালি খাবার

মোবারক আজাদ, চবি   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় উৎসবমুখর পরিবেশে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে গেলেন। তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান উপলক্ষে বিশেষ সমাবর্তন ঘিরে কয়েকদিন ধরে পুরো ক্যাম্পাস নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল।

ওই অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক এবং প্রতিটি বিভাগ থেকে ১০ জন করে মোট ৪৬০ শিক্ষার্থী এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সব মিলিয়ে দেড় হাজারের বেশি লোকজন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সুযোগ পান। মঞ্চে প্রণব মুখোপাধ্যয়ের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য ড. শিরীন আখতার এবং সাত অনুষদের ডিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নিয়াজ মোরশেদ রিপন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতিকে যথাযথ মর্যাদায় বরণ করে চবি। সমাবর্তনে সব ধরনের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ছাত্র উপদেষ্টা মাধবচন্দ্র দাস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাজনীতি, উন্নয়ন ও সংস্কৃতির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিত্বকে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদানের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।’

অনুষ্ঠানে দায়িত্বরত স্কাউটসদস্য শক্তি রাণী বলেন, ‘অনুষ্ঠান খুবই সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়া আরবি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আবদুল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের আগমনে আমরা ধন্য, আমরা গর্বিত।’

এদিকে উপাচার্যের বাংলোতে মধ্যাহ্নভোজে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতিকে ১৬ পদের খাবারে আপ্যায়ন করা হয়। এর মধ্যে ছিল শিমভর্তা, টমেটো ভর্তা, বেগুন ভর্তা, তিন প্রকারের মিক্সড সবজি, দেশি মুরগির রোস্ট, সর্ষে ইলিশ, রূপচাঁদা ফ্রাই, রুই মাছ, খাসির কোরমা, বেগুনভাজি, সবজি পনির, ডিম, ডাল ইত্যাদি। সোমবার রাত থেকে কঠোর নিরাপত্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদে এসব রান্নার কাজ শুরু হয়। শহর থেকে আসা ভারতীয় হাইকমিশনের সুপারিশ করা বাবুর্চির হাতে রান্না করা হয়েছে এসব বাঙালি খাবার।


মন্তব্য