kalerkantho


সেরেনার কান্নায় ভয় পেয়েছিলেন শারাপোভা

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



সেরেনার কান্নায় ভয় পেয়েছিলেন শারাপোভা

সবশেষ ১৮ বারের দেখায় সেরেনা উইলিয়ামসের কাছে হেরেছেন মারিয়া শারাপোভা। ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে সেরেনাকে হারিয়েছেন মাত্র দুইবার।

বুঝতেই পারছেন সেরেনা নামটা কতটা কষ্ট দেয় রাশান সুন্দরীকে। নিজের আত্মজীবনী ‘আনস্টেপবল : মাই লাইফ সো ফার’-এ সেটাই তুলে ধরেছেন শারাপোভা। সেরেনার পাশাপাশি ভেনাস উইলিয়ামসের সঙ্গে তাঁর ‘শত্রুতার’ কথা তুলে ধরেছেন গত পরশু প্রকাশিত বইটিতে। শারাপোভার বয়স যখন ১২ তখন তাঁর একাডেমিতে অনুশীলন করতে এসেছিলেন উইলিয়ামস বোনেরা। তাদের দেখতে ভিড় জমে গিয়েছিল রীতিমতো। কিন্তু সেটা ভালোভাবে নেননি শারাপোভা, ‘আমাকে দেখে কেউ ভাবুক যে আমি ওদের ভক্ত হয়ে গেছি, এটা চাইনি। কখনোই চাইনি সেটা। ’

২০০৪ উইম্বলডন ফাইনালে সেরেনাকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিলেন শারপোভা। ফাইনালে হারের ব্যর্থতায় সেরেনা নাকি তখন কাঁদছিলেন লকাররুমে, যা শুনে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন শারাপোভা, ‘আমি শুনতে পেলাম সেরেনা কাঁদছে।

ওর ডুকরে ডুকরে কান্না শুনে ভয় পেয়ে যাই রীতিমতো। সেরেনা জানত আমি লকাররুমে ছিলাম। ও হয়তো ঘৃণা করছিল আমাকে। একটা রোগা মেয়ের কাছে হার মানতে পারছিল না ও। ভুলতে পারব না সেই কান্নার দৃশ্যটা। ’ শারাপোভাও সে সময় ‘ঘৃণা’ করতেন সেরেনাকে। কারণ এমন শক্তি আর গতিসম্পন্ন খেলোয়াড়কে হারানো শুধু তাঁর জন্য নয়, কঠিন ছিল সবার কাছে। ২০০২ সালে সেরেনার উইম্বলডন জয়ের পর ‘বল ড্যান্স’-এর আসরে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার পরও চেয়ার ছেড়ে না ওঠাটা এ জন্যই, ‘সবাই ওকে দেখে উঠে দাঁড়ায়। কিন্তু আমি চেয়ার ছেড়ে উঠিনি। মনে মনে ভাবছিলাম একদিন দেখে নেব ওকে। ’

কোর্টে দুজনের প্রথম দেখা ২০০৪ সালে মায়ামিতে। তাঁর বিপক্ষে প্রথম খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে জানালেন, ‘টিভিতে সেরেনাকে দেখে যে ধারণা হয়, কোর্টে নামলে সেটা বদলে যাবে। সরাসরি ওকে অনেক লম্বা আর মোটা, চওড়া দেখায়। ওকে দেখলেই কোর্টের অন্য প্রান্তে থাকা যে কেউ ভয় পেয়ে যাবে। ’ এপি


মন্তব্য