kalerkantho


অনুশীলনই করতে পারেনি বাংলাদেশ

১৩ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০



অনুশীলনই করতে পারেনি বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আগের সন্ধ্যায় ৭-০ গোলের হার। পরের দিনই আবার ভারতের মুখোমুখি হতে খেলোয়াড়রা মাঠে স্টিক, বল হাতে নিজেদের জড়তাটা যে ঝেড়ে ফেলবেন, কাল সেই সুযোগই হলো না তাঁদের।

নির্ধারিত অনুশীলন সময়ের আধাঘণ্টা আগে মাঠে এসে তাঁরা দেখেন টার্ফে পানিই দেওয়া হয়নি। শুকনো টার্ফে কখনোই খেলা হয় না, সব সময়ই ভিজিয়ে নিতে হয়। কিন্তু কাল সকালে মাঠে দেখা গেল ফেডারেশন ভবন এবং মাঠে বিদ্যুৎ নেই, তাই চালু করা যায়নি পানির মোটর। তার পরও বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা হালকা স্ট্রেচিং করে দেড় ঘণ্টার মতো অপেক্ষা করেছিলেন, শেষে ১১টার দিকে অনুশীলনের মূল পর্ব না করেই তাঁরা মাঠ ছেড়ে যান।

এশিয়া কাপে গ্রাউন্ডস কমিটির দায়িত্বে থাকা মনোয়ার হোসেন জানান, তাঁর কিছুই করার নেই, বিদ্যুৎ থাকা না থাকার বিষয়টি আয়ত্তের বাইরে। টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক মামুনুর রশিদও দায় চাপালেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিদ্যুৎ বিভাগের ওপর, ‘এশিয়া কাপ চলাকালীন এখানে তো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকার কথা। এখন কেন নেই, সেই জবাবটা তো এনএসসি কিংবা ডিপিডিসিই দিতে পারবে। ’ প্রশ্ন উঠেছে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকা নিয়ে, মামুন জানিয়েছেন, তাঁরা এখন জেনারেটরের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছেন। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার দুই দিন পর বিকল্প ব্যবস্থার চিন্তা করাটা সংগঠকদের হাস্যকর প্রতিপন্ন করে।

বাংলাদেশ কোচ মাহবুব হারুন প্রকাশ্যে ক্ষোভটা দেখাননি, তবে তাঁর কণ্ঠে হতাশা ছিল স্পষ্ট, ‘পাকিস্তান ম্যাচের ভুলভ্রান্তিগুলো নিয়ে রাতেই ভিডিও সেশন হয়েছে, মাঠে সেগুলো নিয়ে কিছু কাজ করা দরকার ছিল, সেটা হলো না। ’ ১৯৮৫-এর এশিয়া কাপে সারা দেশে হকিতে যে জাগরণ শুরু হয়েছিল, তা ধরে রাখতে না পারার দায় সবাই সংগঠকদের ওপরই দেয়। দেখা যাচ্ছে সেই ভূত এখনো পিঠ থেকে নামেনি। কাল সাড়ে ১১টায় বিদুৎ আসার পর ভারতীয় দল ঠিকই দেড়-দুই ঘণ্টা ভেজা মাঠে অনুশীলন করে গেছে। স্বাগতিক হয়েও বাংলাদেশ সেই প্রাপ্য সুযোগটা নিতে পারে না।


মন্তব্য