kalerkantho


বয়সভিত্তিক সাঁতার কাল থেকে

২১ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০



বয়সভিত্তিক সাঁতার কাল থেকে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বছরে দুইবার মিরপুর সাঁতারপুল মুখর হয়ে ওঠে। জাতীয় সাঁতার হয় একবার, আরেকবার বয়সভিত্তিক সাঁতার, সেটিও জাতীয় পর্যায়ে।

সারা দেশ থেকে বিভিন্ন বয়সের উঠতি সাঁতারুরা এই আসরে প্রতিভার ছাপ রেখে ঢুকে যান জাতীয় সাঁতারুদের মূল স্রোতে। প্রতিভা উঠে আসার এ বছরের সে আসর মাঠে গড়াচ্ছে কাল থেকেই। পাঁচটি গ্রুপে প্রায় ৭০০ সাঁতারুর অংশগ্রহণ আশা করছেন এবার সাঁতার ফেডারেশনের কর্মকর্তারা।

২২ থেকে ২৪ অক্টোবর তিন দিনের সাঁতারে হবে মোট ১০০টি ইভেন্ট। বয়সভিত্তিক গ্রুপগুলো হলো অনূর্ধ্ব-১০, ১১ থেকে ১২, ১৩ থেকে ১৪, ১৫-১৭ ও ১৮ থেকে ২০। একটি বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা, ২৩টি জেলা ক্রীড়া সংস্থা, ৪৫টি সুইমিং ক্লাব, বিকেএসপি ও আনসারসহ মোট ৭১টি দল অংশ নেবে এ আসরে। ছেলেদের বিভাগে ৫৯০ জন ও মেয়েদের বিভাগে ২০০ সাঁতারুর অংশ নেওয়ার কথা। প্রতিযোগিতায় ২০০ অফিশিয়ালও কাজ করবেন। তিন দিন এই খেলোয়াড়, কর্মকর্তাদের আবাসনেরও ব্যবস্থা করতে হচ্ছে সাঁতার ফেডারেশনকে।

মিরপুর ক্রীড়াপল্লীর পাশাপাশি সুইমিংপুল কমপ্লেক্সেও সাঁতারুদের থাকতে হচ্ছে। সুইমিং কমপ্লেক্সে সাধারণত মেঝেতে গাদাগাদি করে থাকতে হয় সাঁতারুদের। এবারও সেই চিত্রই দেখা যাবে। জেলা ক্রীড়া সংস্থা বা ক্লাবগুলো নিজেরা অর্থ খরচ করে এর চেয়ে ভালো আবাসনের ব্যবস্থা করতে আগ্রহী নয়। সাধারণত নিম্ন-নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকেই আসে বেশির ভাগ সাঁতারু, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই তাদের প্রতিভার দ্যুতি ছড়াতে হয়। সেটা পারলে বিকেএসপি, আনসার, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনীর মতো দলগুলোতে ঢুকে যাওয়ার হাতছানি, জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন তো আছেই। এর বাইরে অনুপ্রেরণা খুবই সীমিত। পদকজয়ীদের কোনো প্রাইজমানির ব্যবস্থাও নেই। নতুন রেকর্ড গড়বে যারা তাদের আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা জানিয়েছে অবশ্য সাঁতার ফেডারেশন। তবে সেই পরিমাণটা কী হবে, টুর্নামেন্টের এক দিন আগেও সেটি তারা ঠিক করতে পারেনি। জাতীয় প্রতিযোগিতায় হাতঘড়ির চলও এখনো বহাল। বছরের পর বছর অচল পড়ে আছে ডিজিটাল টাইমিং বোর্ড।


মন্তব্য