kalerkantho


সোবার্সের পাশে স্মিথ

৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



সোবার্সের পাশে স্মিথ

আরেক চূড়ায় স্টিভেন স্মিথ। সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিন পাশে বসলেন কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্সের। ১৯৬৮ সালে ১১১ ইনিংসে দ্বিতীয় দ্রুততম ৬ হাজার টেস্ট রানের রেকর্ড গড়েছিলেন এই ক্যারিবিয়ান। ৫০ বছর পর গতকাল সঙ্গী পেলেন তিনি। স্মিথও ৬ হাজার রানের মাইলফলকে পা রেখেছেন সমান ১১১তম ইনিংসে। ৬৮ ইনিংসে দ্রুততম ৬ হাজার রানের রেকর্ড অবধারিতভাবে ডন ব্র্যাডম্যানের। স্টিভেন স্মিথ ও উসমান খাজার অবিচ্ছিন্ন ১০৭ রানের তৃতীয় উইকেট জুটিতে সিডনির নিয়ন্ত্রণ নিতে চলেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দিনের ৫ উইকেটে ২৩৩ নিয়ে খেলতে নেমে ইংল্যান্ড অল আউট ৩৪৬ রানে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ২ উইকেটে ১৯৩ রানে। ইংল্যান্ডের চেয়ে তারা পিছিয়ে ১৫৩ রানে। খাজা ৯১ আর স্মিথ আজ ব্যাট করতে নামবেন ৪৪ রান নিয়ে।

চাইলে মেলবোর্নেই ৬ হাজার রান করতে পারতেন স্মিথ। কিন্তু ১০২ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস ঘোষণা করে দেওয়ায় হয়নি সেটা। পিছিয়ে ছিলেন ২৬ রানে। গতকাল হার না মানা ৪৪ রানের পথে পা রেখেছেন সেই মাইলফলকে। এরপর তাঁকে প্রশংসায় ভাসান অস্ট্রেলিয়ান সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ, ‘স্মিথ এককথায় অসাধারণ। প্রতিদিনই উন্নতি করছে ও।’ এবারের অ্যাশেজে তিন সেঞ্চুরিসহ তাঁর রান ৬৪৮, গড় ১৬২! সিডনিতে সেঞ্চুরি পেলে আইসিসির সর্বকালীন র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা ডন ব্র্যাডম্যানকে পেছনে ফেলার হাতছানি থাকবে স্মিথের।

ইংল্যান্ডের ৩৪৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই কোনো রান না করে ক্যামেরন বেনক্রফট বোল্ড হন স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে। দ্বিতীয় উইকেটে ৮৫ রানের জুটি গড়ে সেই ধাক্কা কাটান ডেভিড ওয়ার্নার ও উসমান খাজা। চা-বিরতির কিছুক্ষণ আগে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে উইকেটের পেছনে জনি বেয়ারস্টোকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৫৬ করা ওয়ার্নার। এবারের অ্যাশেজে এটা তাঁর চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি। সিরিজে তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি করা খাজা সুবাস পাচ্ছেন সেঞ্চুরিরও। ২০৪ বলে ৭ বাউন্ডারি ১ ছক্কায় ৯১ রানে অপরাজিত তিনি। তৃতীয় উইকেটে ১০৭ রানের জুটি গড়ার পথে খাজা ও স্মিথকে কিছুটা ভুগিয়েছেন ম্যাসন ক্রেন।

এর আগে প্রথম দিনের ৫৫ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ মিডল অর্ডার ডেভিড মালান ফেরেন ৬২ করে। মিচেল স্টার্কের বলে স্টিভেন স্মিথ এক হাতের অসাধারণ ডাইভিং ক্যাচ নেন তাঁর। এই সিরিজে ইংল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৭৮ রান মালানেরই। তবে ডেভিড কুরান ও মঈন আলীর সহজ দুটি ক্যাচ ছাড়েন অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ডাররা। এই সিরিজে সব মিলিয়ে ১১টি ক্যাচ ছেড়েছে অস্ট্রেলিয়া, নাথান লিয়নের বলেই এর পাঁচটি! তবে জীবন কাজে লাগাতে না পেরে কুরান ৩৯ ও মঈন ফেরেন ৩০ রানে। ৮০ রান খরচায় প্যাট কামিন্সের শিকার ৪ উইকেট। এএফপি

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ইংল্যান্ড : ১১২.৩ ওভারে ৩৪৬ (রুট ৮৩, মালান ৬২, কুরান ৩৯, কুক ৩৯, ব্রড ৩১; কামিন্স ৪/৮০, স্টার্ক ২/৮০)।

অস্ট্রেলিয়া : ৬৭ ওভারে ১৯৩/২ (খাজা ৯১*, ওয়ার্নার ৫৬, স্মিথ ৪৪*; অ্যান্ডারসন ১/২৫, ব্রড ১/২৮)।


মন্তব্য