kalerkantho


বাটলারের সেঞ্চুরিতে সিরিজ ইংল্যান্ডের

২২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বাটলারের সেঞ্চুরিতে সিরিজ ইংল্যান্ডের

অ্যাশেজ হারের ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ। টেস্টে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দাপটে ওয়ানডে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড। গতকাল সিডনির তৃতীয় ওয়ানডেতে স্টিভেন স্মিথদের হারিয়েছে ১৬ রানে। দুই ম্যাচ হাতে রেখেই ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ তাই এউইন মরগানদের। জশ বাটলারের হার না মানা সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩০২ করেছিল ইংল্যান্ড। জবাবে অ্যারন ফিঞ্চ, মিচেল মার্শ, মার্কাস স্টোইনিসদের ফিফটির পরও অস্ট্রেলিয়া থামে ৬ উইকেটে ২৮৬ রানে। এবারই প্রথম দেশের মাটিতে কোনো ওয়ানডে সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচ হারল অস্ট্রেলিয়া। সেই হতাশা লুকালেন না অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ, ‘আমাদের ওয়ানডে দলে কিছুটা ঘাটতি আছে। শক্তিশালী ওয়ানডে দলের বিপক্ষে জয়ের পথ খুঁজতে হবে। ওদের ৩০টা রান বেশি দিয়ে ফেলেছি। ৪৫ ওভার পর্যন্ত বোলাররা ভালো করেছিল। এরপর ব্যবধান গড়ে দিয়েছে বাটলার।’

সবশেষ ২০১৫ সালে নিজেদের মাটিতেই ওয়ানডে সিরিজে ২-৩ ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ইংল্যান্ড। সে বছর সিরিজ হেরেছিল অস্ট্রেলিয়াতেও। এবার তাই মধুর প্রতিশোধ নিলেন মরগানরা। এ জন্য মরগানের সন্তুষ্টি, ‘আমাদের দলের অন্যতম সেরা জয় এটা। আশা করছি শেষ দুই ম্যাচেও জিতব ।’

টস হেরে ব্যাট করা ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। ১০ ওভারে ২ উইকেটে করেছিল ৪৭, যা এই সিরিজে প্রথম পাওয়ার প্লেতে তাদের সর্বনিম্ন। ১৯ রানে থাকার সময় মিড উইকেটে স্টিভেন স্মিথ ছাড়েন এউইন মরগানের ক্যাচ। জীবন কাজে লাগাতে না পেরে ইংলিশ অধিনায়ক ফিরেছিলেন ৪১ করে। ৩৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ করা ইংল্যান্ডের জন্য ২৫০ করাটা তখন চ্যালেঞ্জের। তবে জশ বাটলার আর ক্রিস ওকস ঝড়ে ৩০২ রানের বড় স্কোরই গড়ে সফরকারীরা। অষ্টম উইকেটে ৭১ বলে অবিচ্ছিন্ন ১১৩ রানের জুটি গড়েন দুজন। ওকস ৩৬ বলে ৫ বাউন্ডারি ২ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ৫৩ রানে। বাটলার পঞ্চম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেন শেষ বলে দুই রান নিয়ে। ৮৩ বলে ৬ বাউন্ডারি ৪ ছক্কায় ঠিক ১০০ রানে অপরাজিত ছিলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ৯৭ রানে থাকার সময় অবশ্য মিচেল স্টার্কের বলে হয়েছিলেন এলবিডাব্লিউ। তবে জীবন পান রিভিউ নিয়ে। এ জন্যই শেষ বলে সেঞ্চুরির পর লাফিয়ে ছুঁতে চাইছিলেন যেন আকাশের সীমানা।

জবাবে চতুর্থ ওভারেই ৮ রান করা ডেভিড ওয়ার্নারকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান অ্যারন ফিঞ্চ ৫৩ বলে ৬২ করে লড়াইয়ে রেখেছিলেন দলকে। আদিল রশিদ তাঁকে এলবিডাব্লিউ করার পর আস্কিং রান রেট বাড়তে থাকে অস্ট্রেলিয়ার। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় শেষ পাঁচ ওভারে ৬১ আর দুই ওভারে দরকার ছিল ৩০ রান। মার্কাস স্টোইনিস ৪৩ বলে ৫৬ করেও শেষ পর্যন্ত জেতাতে পারেননি দলকে। ক্রিকইনফো


মন্তব্য