kalerkantho


ইউরোপে গোলের লড়াই

২৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ইউরোপে গোলের লড়াই

বছরের প্রথম দিন অসাধারণ একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনলদো। তাঁর জেতা মর্যাদার ব্যক্তিগত ১৫টি শিরোপা নিয়ে ছবি তুলে লিখেছিলেন, ‘কখনো ভাবিনি এ ধরনের একটি ছবি তুলতে পারব।’ এই ১৫ শিরোপার চারটি গোল্ডেন শু। ২০১৮ সালে আর যা-ই হোক, গোল্ডেন শু নিয়ে রোনালদোর ছবি তোলার সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায়। কেননা লা লিগায় ১৫ ম্যাচে তাঁর গোল মাত্র ছয়টি। তাঁর তিন গুণের বেশি ১৯ গোল নিয়ে শীর্ষে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি। তবে গতবারের মতো এবারও মেসিই গোল্ডেন শু জিতবেন, এর নিশ্চয়তা নেই। নতুন বছরের এ পর্যন্ত যা পরিসংখ্যান, তাতে মর্যাদার পাঁচ লিগে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় এখনো সেরা তিনে নেই মেসির নাম!

ইউরোপিয়ান মর্যাদার পাঁচ লিগে এ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ২১ গোল টটেনহামের হ্যারি কেইনের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ গোল লািসওর চিরো ইমোবিলে ও পিএসজির এদিনসন কাভানির। সেরা পাঁচ লিগ ছাড়া পর্তুগিজ লিগে বেনফিকার হয়ে ব্রাজিলিয়ান জোনাসের গোল ২৩টি। ইউরোপের মর্যাদার পাঁচ লিগে জায়গা না হওয়ায় পর্তুগিজ লিগে গোলের পয়েন্ট ১.৫। আর লা লিগা, প্রিমিয়ার লিগ, সিরি ‘এ’, বুন্দেসলিগা ও ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের কোনো ক্লাবের হয়ে গোলের পয়েন্ট ২। তাই ২১ গোল করা কেইনের পয়েন্ট ৪২। আর ২৩ গোল করেও জোনাসের পয়েন্ট ৩৪.৫। লা লিগায় পিছিয়ে পড়া রিয়াল মাদ্রিদ কিনতে আগ্রহী হ্যারি কেইনকে। প্রিমিয়ার লিগে ২২ ম্যাচে ১৯৫৮ মিনিট মাঠে কাটিয়ে ২১ গোল ও ১টি অ্যাসিস্টে নিজের দামটা বাড়িয়ে রাখছেন টটেনহামের এই ফরোয়ার্ড। প্রতি ৯৩ মিনিটে একটি গোল করা কেইনের দাম নাকি উঠেছে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ড! এই লিগে ১৭৭৪ মিনিট মাঠে থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ গোল ও ছয় অ্যাসিস্ট লিভারপুলের মো সালাহর।

২২২ মিলিয়ন ইউরোয় পিএসজিতে যোগ দিলেও অন্তত গোলের লড়াইয়ে নেইমারকে পেছনে ফেলেছেন এদিনসন কাভানি। এই মৌসুমে ২০ ম্যাচে ১৭১২ মিনিট মাঠে থেকে ২০ গোল তাঁর। ১৫ ম্যাচে ১৩৪৭ মিনিট মাঠে থাকা নেইমারের লিগ ওয়ানে গোল ১৫টি। তবে কাভানির অ্যাসিস্ট যেখানে তিন, সেখানে নেইমারের ১১টি।

লা লিগায় ২০ ম্যাচে ১৮০০ মিনিট মাঠে থাকা লিওনেল মেসির গোল সর্বোচ্চ ১৯টি। সবচেয়ে বেশি ৯টি অ্যাসিস্টও এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির। মেসি গোল করেছেন প্রতি ৯৫ মিনিট পর। গতবারের জেতা গোল্ডেন শু ধরে রাখার দৌড় থেকে এখনো খুব বেশি পিছিয়ে পড়েননি তিনি। ১৫ গোল নিয়ে লা লিগায় দুইয়ে তাঁরই সতীর্থ লুই সুয়ারেস।

ইতালিয়ান সিরি ‘এ’তে ১৯ ম্যাচে লািসওর চিরো ইমোবিলের গোল সর্বোচ্চ ২০টি।  এই ফরোয়ার্ড অ্যাসিস্টও করেছেন ৭টি। এ ছাড়া ইন্টার মিলানের মাউরো ইকার্দির গোল ১৮টি। লািসও শিরোপা দৌড়ে না থাকলেও গোলের লড়াইয়ে তাদের ইমোবিলে অনেকখানিই এগিয়ে। মার্কা


মন্তব্য