kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

এখন তরুণ খেলোয়াড়ে মনোযোগী আমরা

নতুন মৌসুমের আগে ফুটবলারদের চড়া মূল্যের কথা শুনা যাচ্ছে। গত মৌসুমে সবচেয়ে দামি চার ফুটবলারকে কেনা সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিরউদ্দিন চৌধুরী অবশ্য দামের তুলনায় খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ। সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



এখন তরুণ খেলোয়াড়ে মনোযোগী আমরা

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : গত মৌসুমে দলবদলের বাজারে আপনারা সাড়া ফেলেছিলেন, মৌসুম শেষে দামি খেলোয়াড়দের নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

নাসিরউদ্দিন চৌধুরী : আমার মূল্যায়ন হলো, তারা কেউ তারকা না। তবে সেটা হতে পারে। ওদের যে সামর্থ্য এটাই মনে হয় ওরা বুঝতে পারে না। সে অনুযায়ী মাঠে পারফর্ম করতে পারে না। ২২ ম্যাচের মধ্যে খুব বেশি হলে তিন থেকে চারটা ম্যাচ ওরা নিজেদের সামর্থ্যের পুরোটা খেলতে পারে। চার-পাঁচটা ম্যাচ স্বাভাবিক খেলা খেলে, আর বাকিগুলোতে তারা কিছু দিতেই পারে না। এটা ওরা বোঝেও না, ওরা কতটুকু দিতে পারছে, কতটুকু পারছে না। জন্মগত একটা প্রতিভা হয়তো আছে, সেই জোরেই ওরা এত দূর।

প্রশ্ন : আবাহনী থেকে যে পাঁচজনকে নিয়েছেন অনেক টাকা খরচ করে, তাঁরা ঠিক কতটা প্রত্যাশা মেটাতে পেরেছেন?

নাসিরউদ্দিন : ৬০ ভাগ হয়তো পেয়েছি। ৪০ ভাগ পাইনি। আমি সেরা ডিফেন্ডারটাকে নিয়েছিলাম, তপু বর্মণ। সঙ্গে আরো দুই ডিফেন্ডার আরিফুল ও শাকিল। আমার বিশ্বাস হলো, ডিফেন্সই একটা দলকে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন বানায়।  ৫৮ লাখ টাকার তপু কী করেছে, দুইটা লাল কার্ড খেয়ে দলকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

প্রশ্ন : তাদেরকে মূল কারণ নিশ্চয়ই শিরোপা।

নাসিরউদ্দিন : আমি চেয়েছিলাম চ্যাম্পিয়ন দল থেকে খেলোয়াড় নিতে। কারণ তাদের অভিজ্ঞতা আছে, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অভ্যাস আছে। এখন আমারও অভিজ্ঞতা হয়েছে, ওই বড় খেলোয়াড়ের জায়গা থেকে আমি সরে এসে এখন তরুণ খেলোয়াড়ে মনোযোগী হয়েছি।

প্রশ্ন : তাহলে এবার আর আগের মতো বড় খেলোয়াড়ের পেছনে ছুটবেন না?

নাসিরউদ্দিন : আমার ১৪ জন তরুণ ফুটবলার আছে। এ ছাড়া আমাদের অনূর্ধ্ব-১৮ দল থেকেও কয়েকজনকে নেব। অনূর্ধ্ব-১৬ দলেরও কয়েকজন থাকবে। অন্যান্য দল থেকে উঠতি খেলোয়াড় কয়েকজনকে নেব। আমার সুবিধা হলো, প্রিমিয়ার দলের পেছনে কয়েকটি দল আছে আমাদের। তাদের দিয়েই আমি ঘাটতি পূরণ করে ফেলতে পারব। তাদের সঙ্গে ভালো মানের বিদেশি হলেই হয়ে যাবে।

প্রশ্ন : প্রথম মৌসুম দেখে দেশি খেলোয়াড়দের সম্পর্কে কী ধারণা হয়েছে?

নাসিরউদ্দিন : এএফসি কাপে আমরা যে টিসি স্পোর্টসের কাছে হেরেছি তাদের বাজেট মাত্র এক কোটি ৬০ লাখ টাকা। কোনো বিদেশি দুই হাজার ডলারের বেশি পায় না। কিন্তু তাদের সাফল্যের কারণ ফুটবলারদের ইতিবাচক মানসিকতা এবং প্যাশন, যেটি আমাদের খেলোয়াড়ের নেই।


মন্তব্য