kalerkantho


বাংলাদেশের প্রশংসায় রোহিত

২০ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশের প্রশংসায় রোহিত

শেষ দুই ওভারে দরকার ৩৪ রান। শেষ বলে ৬। দীনেশ কার্তিক শেষ বলে ছক্কা মেরে মিলিয়ে ফেললেন কঠিন অঙ্কটা। সতীর্থরা বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে নেমে এলেন মাঠে। অথচ সেই ভিড়ে নেই রোহিত শর্মা, কারণ ম্যাচটি সুপার ওভারে যাচ্ছে ধরে নিয়ে ভারতীয় অধিনায়ক তখন প্যাড পরতে গেছেন! কার্তিকের ৮ বলে ২৯ রানের টর্নেডোতেই উড়ে গেছে বাংলাদেশের নিদাহাস ট্রফি জয়ের স্বপ্ন। সাকিব আল হাসানের দলকে তাই সান্ত্বনা জানাতে ভোলেননি রোহিত। বাংলাদেশকে প্রশংসাতেই ভাসালেন তিনি, ‘বাংলাদেশ ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে, এটা সব সময় ভালো। তবে সব কিছু পক্ষে না থাকলে এতে উল্টো ফলও হয় অনেক সময়। তার পরও এটাই বাংলাদেশের ক্রিকেটের ধরন। গত তিন বছরে দেখেছি কতটা উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। ওদের বেশ কজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আছে, যারা পথ দেখাচ্ছে তরুণদের।’

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১২ রান দরকার ছিল ভারতের। অনিয়মিত বোলার সৌম্য সরকার প্রথম ৫ বলে দেন ৭ রান। তবে শেষ বলে কার্তিকের ছক্কায় উড়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সৌম্য। তবে তাঁর পাশে দাঁড়ালেন রোহিত, ‘আমরা জানতাম সৌম্য ওদের মূল বোলার নয়। আর শেষ ওভারগুলোতে বল করা যে কারো জন্য কঠিন। তখন চাপটা বোলারদের ওপরই থাকে।’

মুস্তাফিজুর রহমানের করা ১৮তম ওভারটিতে ম্যাচটি হাতের মুঠোয় আসে বাংলাদেশের। কাটার মাস্টার তাঁর অভিজ্ঞতার ঝুলি উজাড় করে মেডেন উইকেটও নিয়েছিলেন সেই ওভারে। তবে রুবেল হোসেনের করা ১৯তম ওভারে একাই ২২ রান নিয়ে হিসাব সহজ করে ফেলেন ম্যাচসেরা দীনেশ কার্তিক। আগের দিন তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশের কাছে হারলে বিপদ। সেই তিনিই অসাধারণ এক ইনিংস খেলে কাটান বিপদটা। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে মুস্তাফিজের প্রশংসা করতে ভোলেননি কার্তিক, ‘মুস্তাফিজের বোলিংকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। তবে আমার মারা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। ভাগ্যবান যে হিটগুলো সব কাজে লেগেছে। বাংলাদেশের কাছে ফাইনাল হারলে খুব খারাপ লাগত। এই পিচে ব্যাট করাটা সহজ ছিল না।’ পিটিআই

 



মন্তব্য