kalerkantho


‘আক্রান্ত’ নেইমার বললেন দায়িত্বটা তো রেফারির

১৯ জুন, ২০১৮ ০০:০০



‘আক্রান্ত’ নেইমার বললেন দায়িত্বটা তো রেফারির

পায়ের পাতার হাড় ভেঙে তিন মাস প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের বাইরে থাকা নেইমার শতভাগ ফিট ছিলেন না সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগেও। ব্রাজিল কোচ তিতেও সেটি স্বীকার করেছিলেন। সুইসদের বিপক্ষে বেশ কয়েকবার তাঁকে খোঁড়াতে দেখে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়ে যায়। তার ওপর সুইস খেলোয়াড়রা যেভাবে তাঁকে ফাউল করে গেছেন, তাতে শুক্রবার সেন্ট পিটার্সবার্গে কোস্টারিকার বিপক্ষে নেইমারের নামা নিয়েও আছে সংশয়। এমনও প্রচার আছে যে বিশ্বকাপের পরের ম্যাচগুলোর জন্য পুরো ফিট ও ঝরঝরে নেইমারকে পেতে তিতে তাঁকে কোস্টারিকা ম্যাচে বিশ্রামও দিয়ে বসতে পারেন। এই যখন অবস্থা, তখন অবশ্য দলীয় চিকিৎসক থেকে শুরু করে নেইমারের নিজের মুখেও তাঁর সুস্থতা নিয়ে শোনা যাচ্ছে ইতিবাচক কথাবার্তাই।

নেইমার নিজেই নিশ্চিত করেছেন যে, ‘আমাকে করা আঘাতগুলো খুবই বেদনাদায়ক ছিল। কিন্তু এতে চিন্তার কিছু নেই। আমি ঠিকই আছি।’ দলীয় চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমারও আশ্বস্ত করতে চেয়েছেন এই বলে, ‘পরের ম্যাচের জন্য নেইমার শতভাগ ফিটই থাকবে। ওর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হবে না। আমরা চিন্তিত নই।’ ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত হওয়ার আপাতত কিছু না-ই থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের ফাউলের শিকার হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার অনেক খোরাকই জুগিয়েছে সুইজারল্যান্ড। এই এক ম্যাচেই তাঁকে সুইসরা ফাউল করেছে ১০ বার। যা ১৯৯৮-র বিশ্বকাপের পর এক ম্যাচে সর্বোচ্চ। ২০ বছর আগে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ১১ বার ফাউলের শিকার হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের অ্যালান শিয়েরার। সেই ম্যাচটি ইংলিশরা যদিও ২-০ গোলে জিতেছিল। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ফিলিপে কৌতিনিয়োর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ড্রয়ে শেষ করেছে ব্রাজিল। যে ম্যাচে স্টিভেন জুবেরের করা সমতাসূচক গোলটি নিয়েও অনেক প্রশ্ন। নেইমার যদিও নিশ্চিত যে হেড করতে লাফিয়ে ওঠার সময় জুবের ফাউল করেছিলেন মিরান্দাকে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় সোজাসাপ্টাই বলে দিয়েছেন, ‘আমি মনে করি ওটা ফাউলই ছিল।’ এই সুযোগে রেফারিদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দিতে চেয়েছেন নেইমার, ‘এই নিয়ে কাজ করার জন্য চারজন পেশাদার রেফারি থাকেন। দায়িত্বটি তাঁদের পালন করতে হবে।’ নিজের বারবার ফাউলের শিকার হওয়ার বিষয়টি নিয়েও যেন রেফারিদের কাঁধেই দায় চাপালেন তিনি, ‘এটা নিয়ে (ফাউলের শিকার হওয়া নিয়ে) আমার বলার নেই কিছুই। আমাকে শুধু ফুটবল খেলতে হয় বা খেলার চেষ্টা করতে হয়। এসব দেখার জন্য রেফারিরা আছেন। তাঁরাই তাঁদের কাজ করবেন। আর যদি সেটি তাঁরা ঠিকমতো না করতে পারেন, তাহলে সমস্যাটা তাঁদেরই।’ সুইসদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁকে ফাউল করার ব্যাপারটি এখন অন্যরাও নিয়মেই পরিণত করবেন বলে মনে করেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা, ‘হয়তো ব্যাপারটি এখন স্বাভাবিকই হয়ে যাবে।’ এএফপি



মন্তব্য