kalerkantho


খেলোয়াড়-কোচ হয়ে ফাইনালে চতুর্থ

১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



খেলোয়াড়-কোচ হয়ে ফাইনালে চতুর্থ

বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠে দিদিয়ের দেশম স্বপ্ন দেখছেন মারিও জাগালো ও ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার হওয়ার। তার আগে অবশ্য আরেকটি মাইলস্টোনে পৌঁছে গেছেন ফ্রান্স কোচ। খেলোয়াড় এবং কোচ হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা তৃতীয় ব্যক্তি তিনি।

তাঁর আগে আছেন মারিও জাগালো, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার ও রুডি ফোলার। জাগালো খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনাল খেলেছেন দুইবার—১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে। দুইবারই শিরোপাজয়ী এই ব্রাজিলিয়ান ১৯৭০ সালে কোচ হয়ে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন ব্রাজিলকে। তাঁর পথ ধরে ১৯৭৪-এর বিশ্বকাপজয়ী বেকেনবাওয়ার কোচের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে পশ্চিম জার্মানিকে শিরোপা উপহার দেন ১৯৯০ সালে। সেবার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে তারা চ্যাম্পিয়ন হয়। আরেক জার্মান রুডি ফোলারও ১৯৮৬-র বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠেন, যদিও ২-৩ গোলে হেরে গেছেন ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার কাছে। এরপর জার্মানির কোচ হয়ে ফাইনালে পৌঁছেও তিনি ব্যর্থ। কোরিয়া-জাপানে অনুষ্ঠিত ২০০২ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানি ০-২ গোলে হারে ব্রাজিলের কাছে।

তাঁদের পথ ধরে খেলোয়াড় এবং কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠা দেশমের নিয়তি নির্ধারণ হবে আগামী রবিবার। গত পরশু সেমিফাইনালে ১-০ গোলে শক্তিশালী বেলজিয়ামকে হারিয়ে তাঁর দল ফাইনালে পৌঁছেছে। তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের একটি দল হলেও ফেভারিট হিসেবে থাকবে ফ্রান্স। কারণ তারুণ্যনির্ভর এই দলে দুর্দান্ত সব প্রতিভার সমারোহ ঘটেছে। সামর্থ্যে এগিয়ে থাকা দলের অভাব ছিল একটাই—অভিজ্ঞতা। এই ঘাটতি পূরণের জন্য ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের অধিনায়ক দিদিয়ের দেশমকে দেওয়া হয়েছে কোচের দায়িত্ব। তরুণ দলের অভিজ্ঞ চালক হিসেবে এখনো তিনি সফল। ফোরফোরটু



মন্তব্য