kalerkantho


রংপুরে সাড়া জাগিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর   

৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



প্রয়োজনীয় লোকবলের অর্ধেকেরও কম দিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম শুরু হলেও ইতিমধ্যে রংপুরের বিনোদন স্পটগুলোতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রংপুরে গত নভেম্বর মাস থেকে যাত্রা শুরু করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এ অঞ্চলে পর্যটকদের আগমন বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সরকারি ও বেসরকারি বিনোদন স্পটগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা।

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি দর্শনীয় স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০১৪ সালে কক্সবাজারে কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে দেশে প্রথম এই বিশেষায়িত পুলিশ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে ঢাকা, বান্দরবান, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, নাটোর, নওগাঁ, দিনাজপুর এবং সর্বশেষ রংপুরে নগরের দর্শনীয় এলাকায় ভাড়া বাড়িতে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম শুরু হয়। রংপুর ট্যুরিস্ট পুলিশ জোন অফিস সূত্রে জানা যায়, ট্যুরিস্ট পুলিশ তাজহাট জমিদারবাড়ী ও প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘরে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চত করতে কাজ করছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ রংপুর জোনের কার্যক্রম চলছে মাত্র ১৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে দিয়ে। জোনটির দায়িত্বে আছেন একজন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তা। এ ছাড়া এএসআই একজন, নায়েক দুজন এবং কনস্টেবল আছেন ১০ জন। তাঁদের পরিবহনের জন্য আছে একটি মোটরসাইকেল ও একটি মাইক্রোবাস। একটি ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনে যে ধরনের লোকবল থাকা প্রয়োজন তা এখনো রংপুরে দেওয়া হয়নি। তবে কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হলে অরগানোগ্রাম অনুযায়ী লোকবল পূর্ণ হবে বলে নিশ্চিত করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ রংপুর জোনের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম।

বর্তমানে কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে জানতে চাইলে জোনের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, নিরাপত্তা বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা ট্যুরিস্ট পুলিশের অন্যতম কাজ।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উত্তরাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক আমির হোসেন তালুকদার বলেন, নিরাপত্তার ভয়ে অনেক পর্যটক অনেক দর্শনীয় স্থানে যায় না; কিন্তু যখন তারা জানতে পারবে ওই এলাকায় নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে, তখন তাদের আর সে ভয় থাকবে না। এতে দর্শনার্থীর সমাগম বেশি হবে।’


মন্তব্য