রসুনের অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। নিয়মিত রসুন খেলে রক্তচাপ ও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও রসুন কার্যকর। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের বিরূদ্ধেও কাজ করে।
রসুনের অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। নিয়মিত রসুন খেলে রক্তচাপ ও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও রসুন কার্যকর। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের বিরূদ্ধেও কাজ করে।
রসুনের তেলের এমন অনেক আশ্চর্যজনক উপকারিতা রয়েছে, যা বহু অসুখ থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। এমনকি আমাদের চুল পড়া ও ত্বকের সমস্যা থেকেও রক্ষা করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুনের আছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-পায়রেটিক, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। এ কারণে রসুন অনেক রোগের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। আমরা খাবারের স্বাদ বাড়াতে মসলা হিসেবে প্রায়ই রসুন ব্যবহার করে থাকি।
রসুনের তেলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি রয়েছে। তাই এই তেল স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার দিতে পারে। রসুনের তেল শরীরের ব্যথা কমিয়ে ছত্রাকের সংক্রমণ কমাতেও সাহায্য করে।
ছত্রাক সংক্রমণ
রসুনের তেলে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক সুস্থ থাকে এবং ছত্রাক সংক্রমণের মতো সমস্যা প্রতিরোধ হয়।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
হৃদরোগের সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে ধরা হয় ভারসাম্যহীন রক্তচাপ। রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে রসুনের তেল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে এটি খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
চুল পড়া
পরিবর্তনশীল ঋতুতে চুল পড়ার সমস্যায় ভুগে থাকে বেশির ভাগ মানুষ। এই ঋতুতে যদি আপনার চুল খুব বেশি পড়া শুরু হয়ে থাকে, তাহলে রসুনের তেল চুল পড়ার সমস্যার সমাধান করতে পারে। এই প্রতিকার করতে রসুন তেল দিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এতে করে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং চুল পড়া কমে।
দাঁতের ব্যথা
রসুনের তেলের ব্যবহারও দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। এতে পাওয়া অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ সহজেই দাঁতের ব্যথা কমায়। যার ফলে দাঁত সুস্থ থাকে এবং ব্যথাও চলে যায়।
ব্রণ সমস্যা
রসুনে উপস্থিত ভিটামিন সি, সেলেনিয়াম, জিংক ও কপারের মতো বৈশিষ্ট্য ছাড়াও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। যা ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। জেনে অবাক হবেন যে রসুনের তেলের এক ফোঁটাও আপনার মুখের ব্রণ দমন করতে পারে।
কিভাবে রসুনের তেল তৈরি করবেন
প্রথমে কিছু রসুনের কোয়া নিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এরপর একটি প্যানে অলিভ অয়েল দিয়ে ভেজে নিন। এবার এই মিশ্রণটিকে কয়েক মিনিট গরম করে একটি এয়ার টাইট কাচের পাত্রে ভরে একটি আর্দ্র জায়গায় রাখুন।
শ্বাস
সূত্র : বোল্ডস্কাই
সম্পর্কিত খবর
২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড মুকুট জিতেছিলেন মানুষী চিল্লার। বুদ্ধির ঝলকে ঘেরা সৌন্দর্য তাকে বিশ্ব সুন্দরীর শিরোপার পাশাপাশি এনে দিয়েছে মডেলিং ও বলিউডে খ্যাতি। ১৭ বছর পর মানুষীর হাত ধরে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট ভারতে এসেছিল। এর পেছনে ছিল মানুষীর কঠোর পরিশ্রম।
আপনিও মেনে চলতে পারেন মানুষীর লাইফস্টাইল। মানুষী যখন বিশ্ব সুন্দরীর হয়েছিলেন, সেই সময় সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন ওয়ার্কআউট করতেন।
মানুষীর পুষ্টিবিদ নমমী আগারওয়াল জানিয়েছেন, মানুষী কঠোর পরিশ্রম করতেন সুন্দরী প্রতিযোগিতার জন্য।
এখন প্রশ্ন থাকতে পারে সারা দিন কী খেতেন মানুষী?
নায়িকার দিন শুরু হত এক গ্লাস পানি পান করে। তাতে মাঝেমধ্যে লেবুর রসও মেশাতেন। ব্রেকফাস্টে থাকত ওটস, টক দই ও বাদাম। লাঞ্চে খেতেন এক বাটি ভাত না হলে দুটি রুটি।
ভাত বাঙালির প্রিয় খাবার। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য ভাত খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। পুষ্টিবিদের মতে, সঠিক পদ্ধতিতে ভাত খেলে ওজনও বাড়বে না পাশাপাশি স্বাস্থ্যও থাকবে ভালো।
রান্নার পদ্ধতি
ভাত রান্নার সময় যদি শুধুমাত্র চাল ধুয়ে চুলায় বসানো হয়, তবে স্টার্চ বের হয় না।
খাওয়ার পদ্ধতি
ভাতকে ডাল, ভাজি, তরকারি, সালাদ ইত্যাদির সঙ্গে মেশালে এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কমে যায়।
খাওয়ার সময়
ভাত খাওয়ার সেরা সময় দুপুর। রাতে ভাত কম খাওয়াই ভালো।
কত পরিমাণ খেতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে দিনে ৩০ গ্রাম চালের ভাত রান্না করা উচিত, যা এক কাপের সমান। এতে প্রায় ১৫০-১৭০ কিলোক্যালোরি থাকে।
ভাতের উপকারিতা
ভাত ভিটামিন বি, ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উৎস। এটি অন্ত্র ও ত্বকের জন্য উপকারী। বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল পাওয়া যায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর কালো চাল। বাদামি চাল যা ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং লাল চাল যার প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব চাল ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। ভাত খেতে হবে কিন্তু সঠিক পদ্ধতিতে, তবেই তা শরীরের জন্য উপকারী।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
শরীরকে সক্রিয় রাখার সহজ ও সুবিধাজনক পদ্ধতি হল হাঁটা। তাই অনেকেই এটিকে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি হিসেবে বেছে নেন। তবে হাঁটার সময় কিছু ভুল অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এই ভুলগুলো শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ভুল পেশির ব্যবহার
দীর্ঘ সময় হাঁটার পর কোমরের নিচের অংশে ব্যথা অনুভব করলে, এটি ভুল পেশির ব্যবহারের কারণে হতে পারে। অনেকেই নিতম্বের ফ্লেক্সর পেশি অতিরিক্ত ব্যবহার করেন। যা পেশিতে টান ধরিয়ে দেয়।
পায়ের পাতার সমতল অংশ ফেলে হাঁটা
হাঁটার সময় যদি পায়ের সমতল অংশ মাটিতে পড়ে তা হলে আপনি ভুল করছেন। এই অভ্যাসকে প্যাসিভ ফুট স্ট্রাইক বলা হয়। যা হাঁটুতে ঝাঁকুনির সৃষ্টি করে ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ায়।
হাঁটার সময় মাথার অবস্থান
ফোনে বা রাস্তার দিকে তাকিয়ে হাঁটলে শরীরের ভঙ্গি খারাপ হয়। এর ফলে কাঁধ, পিঠ ও মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। খারাপ ভঙ্গির কারণে শরীরের অক্সিজেন সরবরাহে সমস্যা হতে পারে। সঠিক ভঙ্গিতে হাঁটার জন্য মাথা ও মেরুদণ্ড সমান্তরাল রেখে হাঁটুন।
হাঁটার সময় হাতের অবস্থান
হাত স্থির রেখে হাঁটার পরিবর্তে, হাত দুলিয়ে হাঁটুন। এতে আপনার শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং পেশিগুলি সচল থাকবে।
ভুল জুতার ব্যবহার
হাঁটার জন্য উপযুক্ত জুতা পরা জরুরি। ভুল জুতা ব্যবহার করলে গাঁটে ব্যথা হতে পারে এবং পায়ের পাতায় দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
বড় বড় পা ফেলে হাঁটা
অনেকে মনে করেন, বড় পা ফেললে হাঁটা আরো কার্যকর হবে। কিন্তু আসলে এটি ভুল। বড় পা ফেলা আপনার গাঁটে চাপ সৃষ্টি করে। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাই সবচেয়ে ভালো।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
বাঙালিরা মাছ খেতে অনেক ভালোবাসে, তবে সব বাঙালি কি সঠিকভাবে ভালো মাছ চিনতে পারে? বাজারে মাছ কেনার অভিজ্ঞতা থাকলে অনেক কিছুই সহজে চেনা যায়। তবে যারা তেমন অভিজ্ঞ নন, তাদের জন্য কিছু টিপস রয়েছে, যা সাহায্য করবে ভালো মাছ চেনার জন্য।
চলুন, জেনে নেওয়া যাক তাজা মাছ চিনে নেওয়ার কয়েকটি টিপস।
চোখ
তাজা মাছের চোখ হবে উজ্জ্বল, ঝকঝকে এবং পরিচ্ছন্ন।
ফুলকো
তাজা মাছের ফুলকো হবে উজ্জ্বল লাল বা গোলাপি রঙের। মাছ কেনার সময় কানকোর আবরণ তুলে ফুলকো পরীক্ষা করুন। যদি ফুলকো খয়েরি বা ধূসর হয়ে থাকে তাহলে সেই মাছ তাজা নয়।
গন্ধ
তাজা মাছে সমুদ্রের পানির মতো হালকা গন্ধ থাকবে। অতিরিক্ত আঁশটে বা খারাপ গন্ধ পেলে সে মাছ না নেওয়াই ভালো।
নমনীয়তা
মাছের গায়ে আলতো করে চাপ দিয়ে দেখুন। তাজা মাছের গা নরম হবে, তবে চাপ দিলে গর্ত হয়ে চেপে বসবে না।
চকচকে
তাজা মাছের ত্বক হবে আর্দ্র ও চকচকে। যদি দেখেন মাছের গায়ে চকচকে ভাব নেই বা অনুজ্জ্বল দেখাচ্ছে, তবে সেই মাছ তাজা নয়।
এই সহজ উপায়গুলো মেনে চললে আপনি সহজেই তাজা মাছ চেনার সক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা