শুধু ওষুধ নয়, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডায়েটে রাখবেন যে খাবার

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
শুধু ওষুধ নয়, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডায়েটে রাখবেন যে খাবার
সংগৃহীত ছবি

বর্তমানে ডায়াবেটিস একটি সাধারণ রোগে পরিণত হয়েছে। যুবক-বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সবার, এমনকি নবজাতকের মধ্যেও এই রোগটি দেখা যাচ্ছে সম্প্রতি। খারাপ খাদ্যাভ্যাস, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং মানসিক চাপযুক্ত জীবনযাপনই এর প্রধান কারণ। ডায়াবেটিসের রোগীদের খাওয়াদাওয়া নিয়ে নানা বিধিনিষেধ থাকে।

যদি আপনার পরিবারের কারো ডায়াবেটিস থাকে বা আপনি নিজেও এই রোগের সঙ্গে লড়াই করছেন, তাহলে এই প্রতিবেদন আপনার জন্য খুবই উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অনেক খাবার রয়েছে, যা ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। শুধু তা-ই নয়, আমাদের শরীরের অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতিও পূরণ করা যায়। চলুন এই ফলগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

আরো পড়ুন
ডায়াবেটিস বেড়েছে কি না, বুঝবেন যেভাবে

ডায়াবেটিস বেড়েছে কি না, বুঝবেন যেভাবে

 

ফ্ল্যাক্সসিড

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও ফ্ল্যাক্সসিড খুবই উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা পালন করে। এই বীজগুলো আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে আপনার পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। যার কারণে বারবার খেতে ইচ্ছা হয় না।

এ ছাড়া ফ্ল্যাক্সসিডে উপস্থিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই ফ্ল্যাক্সসিডে পাওয়া লিগন্যানগুলি ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে সাহায্য করে। যা শরীরকে আরো কার্যকরভাবে ইনসুলিন ব্যবহার করতে দেয়।

করলা

তেতো হওয়া সত্ত্বেও করলা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। করলাতে উপস্থিত কিছু উপাদানের কারণে এটি শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

ইনসুলিন একটি হরমোন, যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এমন পরিস্থিতিতে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। এ ছাড়া এতে ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। যা শরীরের নানাভাবে উপকার করে।

আরো পড়ুন
ডায়াবেটিসের সঙ্গে মুখের স্বাস্থ্যেরও সম্পর্ক আছে

ডায়াবেটিসের সঙ্গে মুখের স্বাস্থ্যেরও সম্পর্ক আছে

 

নিম

আয়ুর্বেদে নিম বহু শতাব্দী ধরে বহু রোগের নিশ্চিত ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অনেক গবেষণায়ও দেখা গেছে যে নিম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী হতে পারে। এর রস রক্তে শর্করা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এ ছাড়া এটি ইনসুলিনের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতা বাড়ায়, যা ডায়াবেটিসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আমলা 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমলা খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া আমলায় পাওয়া কিছু উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আপনাকে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখতেও অনেক সাহায্য করে।

আরো পড়ুন
চিনি খাওয়া ছেড়ে দিলে শরীরে ঘটবে যে পরিবর্তন

চিনি খাওয়া ছেড়ে দিলে শরীরে ঘটবে যে পরিবর্তন

 

দারুচিনি

বাঙালিদের রান্নাঘরে থাকা একটি সাধারণ মসলা দারুচিনি। তবে শুধু এটি একটি মসলাই নয়, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি ঘরোয়া প্রতিকারও। এতে থাকা উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি ইনসুলিনের প্রতি কোষের সংবেদনশীলতা বাড়ায়, যার কারণে শরীর রক্তে চিনিকে আরো কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করতে পারে, যা প্রায়ই ডায়াবেটিসের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

সূত্র : বোল্ডস্কাই

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ভাত খেলেও ওজন বাড়বে না, জেনে নিন উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
ভাত খেলেও ওজন বাড়বে না, জেনে নিন উপায়
সংগৃহীত ছবি

ভাত বাঙালির প্রিয় খাবার। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য ভাত খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। পুষ্টিবিদের মতে, সঠিক পদ্ধতিতে ভাত খেলে ওজনও বাড়বে না পাশাপাশি স্বাস্থ্যও থাকবে ভালো।

রান্নার পদ্ধতি
ভাত রান্নার সময় যদি শুধুমাত্র চাল ধুয়ে চুলায় বসানো হয়, তবে স্টার্চ বের হয় না।

কিন্তু যদি চাল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে, সেই পানি ফেলে নতুন পানিতে ভাত রান্না করা হয়, তাহলে প্রথমেই কিছু পরিমাণ স্টার্চ বের হয়ে যায়। এর ফলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমে যায়। প্রেশার কুকারে রান্না করা ভাত কম স্বাস্থ্যকর। 

খাওয়ার পদ্ধতি
ভাতকে ডাল, ভাজি, তরকারি, সালাদ ইত্যাদির সঙ্গে মেশালে এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কমে যায়।

কারণ এসব খাবারে প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। শুধু লবণ দিয়ে ফ্যান-ভাত খেলে জিআই কমবে না।

খাওয়ার সময়
ভাত খাওয়ার সেরা সময় দুপুর। রাতে ভাত কম খাওয়াই ভালো।

কারণ রাতে শরীরের নড়াচড়া কম থাকে এবং কার্বোহাইড্রেটের বিপাক কম হয়। তবে সবচেয়ে ভালো সময় হলো জিম বা শরীরচর্চার পর ভাত খাওয়া। কারণ তখন শরীর আরো বেশি ক্যালোরি বার্ন করে।

কত পরিমাণ খেতে হবে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে দিনে ৩০ গ্রাম চালের ভাত রান্না করা উচিত, যা এক কাপের সমান। এতে প্রায় ১৫০-১৭০ কিলোক্যালোরি থাকে।

ভাতের উপকারিতা
ভাত ভিটামিন বি, ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উৎস। এটি অন্ত্র ও ত্বকের জন্য উপকারী। বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল পাওয়া যায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর কালো চাল। বাদামি চাল যা ফাইবারে সমৃদ্ধ এবং লাল চাল যার প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব চাল ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। ভাত খেতে হবে কিন্তু সঠিক পদ্ধতিতে, তবেই তা শরীরের জন্য উপকারী।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য

হাঁটার সময় যেসব ভুলে শরীরের ক্ষতি

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
হাঁটার সময় যেসব ভুলে শরীরের ক্ষতি
সংগৃহীত ছবি

শরীরকে সক্রিয় রাখার সহজ ও সুবিধাজনক পদ্ধতি হল হাঁটা। তাই অনেকেই এটিকে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি হিসেবে বেছে নেন। তবে হাঁটার সময় কিছু ভুল অভ্যাস শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এই ভুলগুলো শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

চলুন, জেনে নিই।

ভুল পেশির ব্যবহার
দীর্ঘ সময় হাঁটার পর কোমরের নিচের অংশে ব্যথা অনুভব করলে, এটি ভুল পেশির ব্যবহারের কারণে হতে পারে। অনেকেই নিতম্বের ফ্লেক্সর পেশি অতিরিক্ত ব্যবহার করেন। যা পেশিতে টান ধরিয়ে দেয়।

এর পরিবর্তে, পিঠ ও পায়ের কাফ পেশি ব্যবহার করলে হাঁটা আরও সহজ হবে।

পায়ের পাতার সমতল অংশ ফেলে হাঁটা
হাঁটার সময় যদি পায়ের সমতল অংশ মাটিতে পড়ে তা হলে আপনি ভুল করছেন। এই অভ্যাসকে প্যাসিভ ফুট স্ট্রাইক বলা হয়। যা হাঁটুতে ঝাঁকুনির সৃষ্টি করে ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ায়।

তাই আগে গোড়ালি ও পরে পায়ের গোড়া মাটিতে দিয়ে হাঁটুন।

হাঁটার সময় মাথার অবস্থান
ফোনে বা রাস্তার দিকে তাকিয়ে হাঁটলে শরীরের ভঙ্গি খারাপ হয়। এর ফলে কাঁধ, পিঠ ও মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। খারাপ ভঙ্গির কারণে শরীরের অক্সিজেন সরবরাহে সমস্যা হতে পারে। সঠিক ভঙ্গিতে হাঁটার জন্য মাথা ও মেরুদণ্ড সমান্তরাল রেখে হাঁটুন।

হাঁটার সময় হাতের অবস্থান
হাত স্থির রেখে হাঁটার পরিবর্তে, হাত দুলিয়ে হাঁটুন। এতে আপনার শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং পেশিগুলি সচল থাকবে। 

ভুল জুতার ব্যবহার
হাঁটার জন্য উপযুক্ত জুতা পরা জরুরি। ভুল জুতা ব্যবহার করলে গাঁটে ব্যথা হতে পারে এবং পায়ের পাতায় দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

বড় বড় পা ফেলে হাঁটা
অনেকে মনে করেন, বড় পা ফেললে হাঁটা আরো কার্যকর হবে। কিন্তু আসলে এটি ভুল। বড় পা ফেলা আপনার গাঁটে চাপ সৃষ্টি করে। স্বাভাবিকভাবে হাঁটাই সবচেয়ে ভালো।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য

তাজা মাছ চিনে নেওয়ার ৫ কার্যকরী টিপস

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
তাজা মাছ চিনে নেওয়ার ৫ কার্যকরী টিপস
সংগৃহীত ছবি

বাঙালিরা মাছ খেতে অনেক ভালোবাসে, তবে সব বাঙালি কি সঠিকভাবে ভালো মাছ চিনতে পারে? বাজারে মাছ কেনার অভিজ্ঞতা থাকলে অনেক কিছুই সহজে চেনা যায়। তবে যারা তেমন অভিজ্ঞ নন, তাদের জন্য কিছু টিপস রয়েছে, যা সাহায্য করবে ভালো মাছ চেনার জন্য। 

চলুন, জেনে নেওয়া যাক তাজা মাছ চিনে নেওয়ার কয়েকটি টিপস। 

চোখ
তাজা মাছের চোখ হবে উজ্জ্বল, ঝকঝকে এবং পরিচ্ছন্ন।

যদি চোখে ধূসর ভাব বা অনুজ্জ্বল রং দেখা যায়, তাহলে বুঝে নেবেন মাছ তাজা নয়।

ফুলকো
তাজা মাছের ফুলকো হবে উজ্জ্বল লাল বা গোলাপি রঙের। মাছ কেনার সময় কানকোর আবরণ তুলে ফুলকো পরীক্ষা করুন। যদি ফুলকো খয়েরি বা ধূসর হয়ে থাকে তাহলে সেই মাছ তাজা নয়।

গন্ধ
তাজা মাছে সমুদ্রের পানির মতো হালকা গন্ধ থাকবে। অতিরিক্ত আঁশটে বা খারাপ গন্ধ পেলে সে মাছ না নেওয়াই ভালো।

নমনীয়তা
মাছের গায়ে আলতো করে চাপ দিয়ে দেখুন। তাজা মাছের গা নরম হবে, তবে চাপ দিলে গর্ত হয়ে চেপে বসবে না।

যদি চাপ দিলে টোল পড়তে থাকে, তাহলে মাছ তাজা নয়।

চকচকে
তাজা মাছের ত্বক হবে আর্দ্র ও চকচকে। যদি দেখেন মাছের গায়ে চকচকে ভাব নেই বা অনুজ্জ্বল দেখাচ্ছে, তবে সেই মাছ তাজা নয়।

এই সহজ উপায়গুলো মেনে চললে আপনি সহজেই তাজা মাছ চেনার সক্ষমতা অর্জন করতে পারবেন।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য
রাশিফল

আজ ৩ এপ্রিল, দিনটি কেমন যাবে আপনার?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আজ ৩ এপ্রিল, দিনটি কেমন যাবে আপনার?

জীবনের প্রতিটি দিন নতুন কিছু সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে আর প্রতিটি দিন আমাদের একটু একটু করে শিখতে ও বিকশিত হতে সাহায্য করে। আজ ৩ এপ্রিল, ২০২৫ দিনটি আপনার জন্য কেমন হতে পারে, কীভাবে সামলাবেন জীবন ও কাজের চ্যালেঞ্জগুলো, সেটি জানতে হলে পড়ুন আজকের রাশিফল।

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল): কোনো ঘটনায় মানসিক শান্তি নষ্ট হতে পারে। অধীন কর্মচারীর কারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ব্যবসা ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে আশাবাদী থাকতে হবে। শরীরের যত্ন নেবেন।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২০ মে): দিনটি আনন্দদায়ক হবে।

ব্যক্তিগত যোগাযোগ ভালো হবে। পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে। মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকবে। ইতিবাচক মনোভাবে সুফল পাবেন।
সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। সুস্থ থাকুন।

আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পর্যালোচনা হচ্ছে : প্রেসসচিব

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পর্যালোচনা হচ্ছে : প্রেসসচিব

 

মিথুন (২১ মে-২০ জুন): সামাজিক কাজে প্রশংসা পেতে পারেন। চাকরিরতদের কেউ অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে লোভনীয় প্রস্তাব পেতে পারেন। প্রত্যাশিত কোনো সহযোগিতা কিংবা অর্থলাভহতে পারে।

পরিবারের সমস্যায় কাছে থাকুন।

কর্কট (২১ জুন-২০ জুলাই): কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। কোনো আত্মীয় মানসিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে। ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় অগ্রগতি হবে। অর্থাগমের সুযোগ আসবে। সঠিক প্রচেষ্ঠা পরিবর্তন সম্ভব। নিজেকে সংযত রাখুন।

সিংহ (২১ জুলাই-২১ আগস্ট): সময় ভালো কাটবে। অর্থযোগ ভালো, ব্যবসায় উন্নতির সম্ভাবনা। পাওনা আদায়ে অগ্রগতি হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কঠোর মনোভাব বজায় রাখুন। অহেতুক চাপ নেবেন না। কোনো কাজে তাড়াহুড়া করবেন না।

কন্যা (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর): নিজস্ব ধ্যান-ধারণা ও কর্মপন্থাই আপনাকে প্রভাবিত করবে বেশি। ভবিষ্যতের আর্থিক কোনো কাজের সূচনা হতে পারে। ব্যবসায় জটিলতা কাটিয়ে ওঠার ভালো সময়। নতুন কোনো উৎসাহবর্ধক যোগাযোগ আসতে পারে।

আরো পড়ুন
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন, জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন, জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

 

তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর): নতুন চিন্তাধারায় সহজেই আকৃষ্ট হবেন। কৌশলের অভাবে বিরোধে জড়িয়ে পড়তে পারেন। ব্যয় বাড়তে পারে। কর্মক্ষেত্রে চাপ থাকলেও কিছু ইতিবাচক সংবাদ পাবেন। দুশ্চিন্তা করবেন না। প্রার্থনায় শান্তি পাবেন।

বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর): নতুন যোগাযোগ উৎসাহিত করবে। কাজে আশার আলো দেখতে পাবেন। অনেক দিন থেকে পড়ে থাকা কোনো কাজের অগ্রগতি হবে। সঠিক প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলে অবস্থার পরিবর্তন হবে। সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন।

ধনু (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর): পেশাগত দিক ভালো যাবে। কাজে আশানুরূপ অগ্রগতি হবে। কোনো প্রচেষ্টায় এগোতে পারেন। প্রত্যাশা পূরণে বাধা দূর হবে। পেশাদাররা তাদের সাহস প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন। সুযোগের সদ্ব্যবহার করুন।

মকর (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি): সুন্দর ও শুভ সময়। একাধিক সুযোগ ও প্রস্তাবে ভবিষ্যৎ মনে হবে উজ্জ্বল। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যম ও প্রাণপ্রাচুর্য পাবেন। বিদেশ থেকে সুসংবাদ পেতে পারেন। নতুন অধ্যায় সূচনার ইঙ্গিত রয়েছে।

আরো পড়ুন
ঝিনাইদহে গভীর রাতে যুবক খুন, অভিযুক্ত আটক

ঝিনাইদহে গভীর রাতে যুবক খুন, অভিযুক্ত আটক

 

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি): কোনো পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে পারেন। দক্ষ ব্যবস্থাপনার অভাবে কাজে বিঘ্ন ঘটতে পারে। ব্যয়ের চাপ থাকলেও লাভ হবে। সাহসী পদক্ষেপে নিরলসভাবে কাজ করুন। প্রিয়জনের সমস্যায় কাছে থাকুন।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ): সামাজিক কাজে অন্যদের সমর্থন পাবেন। যৌথ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোনো সাফল্যে আশাবাদী হতে পারেন। আপনার সাহসী উদ্যোগ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে। নিজের ওপর আস্থা রাখুন। ভালো থাকুন।

আহমেদ মাসুদ, বিশিষ্ট অকাল্ট সাধক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জ্যোতিষী, ফেংশুই ও বাস্তু বিশেষজ্ঞ। যোগাযোগ: ০১৭১১০৫৭৩৭৭ই-মেইল: amasud9995@gmail.com www.astrologerahmedmasud.com

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ