• ই-পেপার

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাসের মান মাঝারি

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাসের মান মাঝারি

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলায় দিনদিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকার বায়ুমানে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। কয়েকদিন আগেও যেখানে রাজধানীর বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে ছিল, সেখানে এখন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে প্রকাশিত এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) অনুযায়ী, ৯২ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ১৫তম। একিউআই মানদণ্ড অনুযায়ী, ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে স্কোর থাকলে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে আগের তুলনায় রাজধানীর বায়ুমানে উন্নতি হওয়ায় দূষিত শহরের তালিকায়ও নিচের দিকে নেমে গেছে ঢাকা।

আরো পড়ুন
যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান বরখাস্ত

যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান বরখাস্ত

 

এদিকে, আজ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে পাকিস্তানের লাহোর শহর, একিউআই স্কোর ২১১। এরপর ১৭৩ ও ১৬৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ ও ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা।

এই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন
হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের নথি পাঠানো হবে আজ

হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের নথি পাঠানো হবে আজ

 

 

কণা দূষণের এই সূচক ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক। ৩০১ এর বেশি হলে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

আরো পড়ুন
বিদেশি কম্পানিকে সম্পত্তি কেনার সুযোগ দিচ্ছে সৌদি, মানতে হবে যেসব শর্ত

বিদেশি কম্পানিকে সম্পত্তি কেনার সুযোগ দিচ্ছে সৌদি, মানতে হবে যেসব শর্ত

 

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যান। বায়ুদূষণে কারণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।

অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : গভর্নর

অনলাইন ডেস্ক
অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, ‘খেলাপি ঋণ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আদায়-অযোগ্য ঋণ ব্যবস্থাপনার জন্য ‘ডিস্ট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি আইন’ প্রণয়নের কাজ চলছে।

সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সম্পাদক পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাতে সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির, সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মোহাম্মদ আলী এবং দৈনিক আগামীর সময় সম্পাদক মোস্তফা মামুন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নররাও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে চলমান সংস্কার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্বল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন।’

গভর্নর বলেন, ‘দুর্বল ব্যাংকগুলোর একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে কিছু প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনাগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) উন্নয়ন ও সমন্বয় সম্পন্ন হলে পুনর্গঠন কার্যক্রম আরও গতি পাবে।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে প্রায় ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে, যা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।’

গভর্নর  জানান, কয়েকটি বড় ব্যাংক, বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন, ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সাক্ষাৎকালে সম্পাদক পরিষদের সদস্যরা ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। উভয় পক্ষ দেশের ব্যাংকিং খাতের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রামিসা হত্যা মামলা

হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের নথি পাঠানো হবে আজ

অনলাইন ডেস্ক
হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্সের নথি পাঠানো হবে আজ
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ-হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এখনো সই করেননি বিচারক। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিচারকের সই শেষে মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানোর কথা রয়েছে। গতকাল সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি জানিয়েছে।

এর আগে গত রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সবশেষ সোমবার আসামি সোহেল ও স্বপ্নাকে কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় বোঝা যায়। সোহেল রানা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছেন। আর স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন তার স্ত্রী স্বপ্না।

গত ১ জুন আলোচিত এ মামলায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরদিন ২ জুন এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ওইদিনই মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এ ছাড়া ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সবমিলিয়ে মাত্র ৪ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

সবশেষ রবিবার আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সেই সঙ্গে রায় ঘিরে এদিন আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা ঘর থেকে বের হয়। ওই সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। অন্যদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। পরে অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মাসহ অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর সেখানে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়। এ ছাড়া একটি বড় বালতির মধ্যে তার কাটা মাথাটি দেখতে পান তারা।

পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তবে ঘটনার পর সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালাতে সক্ষম হলেও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় গত ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন রামিসার বাবা।

পুশইন

শুভেন্দুর দাবি প্রত্যাখ্যান বিজিবির

অনলাইন ডেস্ক
শুভেন্দুর দাবি প্রত্যাখ্যান বিজিবির

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর ৪ হাজার ৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এ দাবি সরাসরি নাকচ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিজিবির উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারত থেকে কাউকে বাংলাদেশে পুশইন করা সম্ভব হয়নি। যদিও এ ধরনের চেষ্টা হয়েছে, তবে বিজিবি তা প্রতিহত করেছে। কিছু সংবাদমাধ্যম পুশইনের যে খবর দিচ্ছে তা পুরোপুরি গুজব।

আরো পড়ুন

চোট কাটিয়ে কবে ফিরবেন নেইমার, সুখবর দিল ব্রাজিল

চোট কাটিয়ে কবে ফিরবেন নেইমার, সুখবর দিল ব্রাজিল

 

তিনি আরো বলেন, সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। কোনোভাবেই আমরা পুশইন করতে দেব না। আমরা সীমান্তে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই পাহারা দিচ্ছি। আমাদের সঙ্গে সীমান্ত এলাকার স্থানীয় মানুষও রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে।

মে মাসে নির্বাচনে বিপুল জয় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করে নরেন্দ্র মোদির হিন্দু-জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ১০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার এই পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাজ্যে নির্বাচনি প্রচারণার সময়ই দলটি অবৈধ অভিবাসীদের ‘শনাক্ত, তালিকা থেকে বাদ এবং বহিষ্কার’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর নথিপত্রহীন বাংলাদেশি এবং মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আটকে রাখার জন্য বিশেষ কেন্দ্র (ডিটেশন সেন্টার) স্থাপনের নির্দেশ দেয় বিজেপি সরকার।

আরো পড়ুন

ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

 

গত রবিবার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় না আসা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করেছি।

তিনি জানান, মে মাসে রাজ্যের সব জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপন করেছে সরকার।

তিনি আরো বলেন, এই কেন্দ্রগুলো থেকে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুন

যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প বাতিল করল জার্মানি-ফ্রান্স

যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্প বাতিল করল জার্মানি-ফ্রান্স

 

বর্তমানে ৮৩৬ জন এই আটককেন্দ্রগুলোতে রয়েছেন জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমরা এই ৮৩৬ জনকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। তার এমন বক্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বিজিবি-র উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ দাবি করেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে কোনো মানুষ পাঠানোর তথ্যের ভিত্তি নেই।

আরো পড়ুন

আওয়ামী লীগ নেতা বলে সাংবাদিককে জেলে পাঠাল পুলিশ

আওয়ামী লীগ নেতা বলে সাংবাদিককে জেলে পাঠাল পুলিশ

 

পুশইনের প্রয়াস সম্পর্কে তিনি বলেন, কোনোভাবেই পুশইন গ্রহণযোগ্য নয়। যদি কোনো দেশে অন্য কোনো দেশের নাগরিকরা অবৈধভাবে থেকে থাকেন, তাদের সেই দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিউর আছে। সেটা দুই দেশ একটা ভেরিফিকেশন প্রসেসের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পুশইন বেআইনি এবং অবৈধ।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে যদি ভারতের পক্ষ থেকে সেখানে অবৈধভাবে বসবাসকারী কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের তালিকা দেওয়া হয়ে থাকে সেটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয়। এটা আমাদের জানা নেই।

সূত্র : ডয়চে ভেলে