ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৩ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৩ শাওয়াল ১৪৪৬
বিবিএসের জরিপে তথ্য

শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৩৬% মানুষ কখনো স্কুলে যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৩৬% মানুষ কখনো স্কুলে যায়নি

শেরপুর জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের প্রায় ৩৬ শতাংশ কোনো দিন স্কুলেই যায়নি। মাত্র ২০.৮৪ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। এ ছাড়া এই জনগোষ্ঠীর ৪৮ শতাংশ মানুষের স্থায়ী কোনো কাজ নেই। অন্য যারা স্থায়ী কাজ করে, তাদের মধ্যে ৬৫ শতাংশই কৃষিজীবী।

তবে তাদের মধ্যে কাজ না করে বসে থাকা মানুষের সংখ্যা কম।

শেরপুর জেলায় বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে। গতকাল সোমবার সকালে বিবিএসের সেমিনারকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মফিদুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। জরিপ নিয়ে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এ প্রকল্পের পরিচালক ও ব্যুরোর উপপরিচালক ফারহানা সুলতানা। শেরপুরের জেলা প্রশাসনের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাফিজা জেসমিন বক্তব্য দেন।

মূল প্রতিবেদনে ফারহানা সুলতানা জানান, শেরপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার গত বছর জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রকৃত অবস্থা জানতে তাদের নিয়ে একটি জরিপ করার জন্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে এই জরিপ প্রকল্প করা হয়েছে। একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই প্রথম কোনো জেলায় এ ধরনের জরিপ করা হয়। ৯ মাসের মধ্যে এই জরিপ সম্পন্ন করা হয়।

জরিপে দেখা যায়, শেরপুর জেলায় সদর, ঝিনাইগাতী, নকলা, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদীএই পাঁচটি উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ১৫ লাখ এক হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে জরিপে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা ২০ হাজার ৮৪০।

এখানে গারো, কোচ, বর্মণ, হাজং, ডালু, হুদি, মসুর, মার্মা, ম্রো, চাক, মাহালীসহ প্রায় ১৬টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাস। জনসংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি গারো, এরপর রয়েছে বর্মণ, কোচ, হুদি ও হাজং।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা নালিতাবাড়ীতে সবচেয়ে বেশি। তাদের সংখ্যা আট হাজার ১১১। এরপর রয়েছে ঝিনাইগাতীতে (ছয় হাজার ৯৩৮ জন), শ্রীবরদীতে (তিন হাজার ৪৭৬ জন), সদরে (এক হাজার ৫৩১ জন) এবং নকলায় সবচেয়ে কম ৭৮৪ জন। এসব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে পুরুষপ্রধান পরিবারের সংখ্যা ৭৩.২৭ এবং নারীপ্রধান পরিবার ২৬.৭৩ শতাংশ।

শেরপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে প্রাথমিক স্কুলগামী মানুষের সংখ্যা মাত্র ২০.৮৪ শতাংশ। শিক্ষায় হাজংরা সবচেয়ে এগিয়ে। তাদের মধ্যে শিক্ষার হার ৭৩.৪১ শতাংশ। এরপর গারোদের শিক্ষার হার ৬৬.১৩ শতাংশ। আর জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে মাত্র ৩.২৪ শতাংশ উচ্চশিক্ষা (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর) পর্যায়ে অধ্যয়ন করছে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে দুই বন্ধুর মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শেয়ার
ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে দুই বন্ধুর মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় গতকাল বুধবার দুপুরে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে কাইয়ুম ও তারেক নামের দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। মারাত্মক আহত হয়েছেন আরো তিনজন। কাইয়ুম কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার করিম মিয়ার ছেলে এবং তারেক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গুরুহিত গ্রামের নজরুল মিয়ার ছেলে। আহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানায়, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করার পর মোগড়া রেলওয়ে ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে ট্রেনের যাত্রীবাহী বগির ছাদে থাকা কয়েকজন যুবক উঠে দাঁড়ান। এ সময় রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া ডিশ লাইনের তার পেঁচিয়ে তাঁরা চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
আরেকজন জেলা সদর হাসপাতালে মারা যান। আখাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন খন্দকার বলেন, রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া তার পেঁচিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান কয়েকজন যুবক। তাঁদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

মন্তব্য

সাতক্ষীরায় বিষাক্ত মদপানে দুজনের মৃত্যু

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
শেয়ার
সাতক্ষীরায় বিষাক্ত মদপানে দুজনের মৃত্যু

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বিষাক্ত মদপান করে অসুস্থ হয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ আরো ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে একজন এবং গতকাল বুধবার ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকজনের মৃত্যু হয়। অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনকে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকি চারজনকে বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

মৃতরা হলেন আশাশুনি উপজেলার শাহানগর গ্রামের বাসিন্দা ও কাদাকাটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন টিটু (৪০) এবং একই উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের নাজমুল হোসেন (৩৫)। তাঁরা দুজনই মাদুর ব্যবসায়ী ছিলেন।

মন্তব্য

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই : এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই : এনসিপি

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এ অবস্থায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘোলাটে ও অস্থির করে তুলছেন বলেও অভিযোগ তাদের। গতকাল বুধবার এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তরে সংযুক্ত) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৩০ মার্চ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্থানীয় ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষে হামলার শিকার হন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম মাহিরের বাবা আজিজুর রহমান বাচ্চু মোল্লা।

এতে তাঁর হাত ভেঙে যায় এবং তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। ২৪ মার্চ নোয়াখালীর হাতিয়ায় পথসভা ও জনসংযোগের সময়ে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদের ওপর হামলা চালান। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা এনসিপির কর্মী-সংগঠকদের নিয়মিত হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন।

মন্তব্য

উখিয়ায় ক্রিস্টাল মেথসহ মাদক কারবারি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
উখিয়ায় ক্রিস্টাল মেথসহ মাদক কারবারি আটক

কক্সবাজারের উখিয়ায় ক্রিস্টাল মেথ ও অস্ত্রসহ মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। গতকাল বুধবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইএসপিআর জানায়, মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের শফির বিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নৌবাহিনী। অভিযানে উখিয়ার চিহ্নিত মাদক কারবারি ইমাম হোসেনকে আটক করা হয়।

এ সময় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ক্রিস্টাল মেথ, গাঁজা, সাতটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও তিনটি মোবাইল জব্দ করা হয়। আটক ইমাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। অভিযানের পর উদ্ধার করা মাদক ও অস্ত্রসহ তাঁকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি মাদক ও অপরাধ দমনে নৌবাহিনী দায়িত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ