<p style="text-align: justify;">গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকায় দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মারধর ও টাকা আদায়ের অভিযোগে আরো দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।</p> <p style="text-align: justify;">বুধবার (২৯ এপ্রিল) গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে উপকমিশনারের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।</p> <p style="text-align: justify;">প্রত্যাহারকৃতরা হলেন কোনাবাড়ি থানার কনস্টেবল নাজমুল হোসেন ও মামুন হোসেন। এর আগে একই ঘটনায় অভিযুক্ত এএসআই আজিজুল হককেও প্রত্যাহার করা হয়েছিল।</p> <p style="text-align: justify;">ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সোমবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কোনাবাড়ির রুবেল ফিলিং স্টেশনের বিপরীতে তিনি রাস্তা পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি সিএনজি অটোরিকশায় এসে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সহায়তায় এএসআই আজিজুল হক তাকে জোরপূর্বক তুলে নেন।</p> <p style="text-align: justify;">পরে তাকে বাইমাইল হরিণচালা এলাকার কাশেম কটনের পূর্ব পাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে ২৮ হাজার ৪০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।</p> <p style="text-align: justify;">এ বিষয়ে কোনাবাড়ি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আবু নাসের আল-আমিন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ গুরুত্বসহকারে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতেই এএসআই আজিজুল হক এবং বুধবার সকালে কনস্টেবল নাজমুল হোসেন ও মামুন হোসেনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।</p>