<p style="text-align: justify;">লিটল ফকির একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে পান সিগারেটের ছোট একটি দোকান চালান। প্রতিদিন তাকে ছেঁড়া-ফাঁড়া খুচড়া টাকা নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে ঝগড়া করতে হয়।</p> <p style="text-align: justify;">তিনি বলেন, ‘সব খুচরা টেহাই ছিঁড়া-ফাঁড়া। কোনা-কানায় আগুনে পুড়া। হারাদিনে ৩০/৪০জন কাস্টমারের লগে ছিঁড়া-ফাঁড়া টেহা লইয়া কাইজ্জা করুন লাগে। মিজাজ কিবায় ভালা থাকব?’</p> <p style="text-align: justify;">মহির খারুয়া গ্রামের রিকশা চালক মনির উদ্দিন বলেন, ‘ছিঁড়া ফাঁড়া টেহা লইয়া যাত্রীগর লগে হারাদিনই কাইজ্জা হরুন লাগে। যাত্রীরাও দেয় ছিঁড়া ফাঁড়া টেহা। হিব্বার ভাংতি ফেরত দেওয়ার সময় আমিও দেই ছিঁড়া টেহা। কোনো ভালা খুচরা টেহা নাই।’</p> <div class="d-flex justify-content-center"> <div class="col-12 col-md-10 position-relative" data-id="1681574"><strong>আরো পড়ুন</strong> <div class="card"> <div class="row"> <div class="col-4 col-md-3"><img alt="ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল" class="img-fluid rounded-start m-0 w-100" height="66" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/2026/05/07/1778130404-c93957aa4806f2140b0649b576409bdd.jpg" width="100" /></div> <div class="col-8 col-md-9"> <p class="p-1 m-0 lh-sm">ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল</p> </div> </div> </div> <a class="stretched-link" href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/07/1681574" target="_blank"> </a></div> </div> <p style="text-align: justify;">শুধু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লিটল ফকির বা রিকশাচালক মনির উদ্দিন নয় বাজারে প্রচলিত ছেঁড়া ফারা, ময়লাযুক্ত খুচরা টাকা নিয়ে সব শ্রেণির পেশার মানুষই ভুক্তভোগী। শুধু ছেঁড়া ফাঁড়া, ময়লাযুক্ত অনেক টাকার গায়ে আছে মাদকের ক্ষত। বিশেষ করে ১০, ২০, ৫০ টাকার নতুন নোটের কোনা আগুনে পোড়া থাকে। আগুনে পোড়া টাকা কেউ নিতে চায় না। মাদকসেবীরা খুচরা নতুন টাকার ওপর মাদক রেখে আগুনে পুড়িয়ে মাদক সেবন করে বলে জানা গেছে।</p> <p style="text-align: justify;">বাজারে প্রচলিত এসব ছেঁড়া ফাঁড়া, ময়লাযুক্ত খুচরা টাকা ব্যাংক নেয় না। বিকল্প না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে এসব ছেঁড়া ফাঁড়া ময়লা যুক্ত টাকা ব্যবহার করে। ফলে এসব টাকা লেনদেন করার সময় সর্বত্র ঝগড়া ফ্যাসাদ, বাহাস ও তর্ক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তারচেয়েও ভয়ংকর বিষয় হলো এসব ছেঁড়া ফাঁড়া ময়লা যুক্ত টাকার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন চর্ম রোগ, ডায়রিয়া, আমাশয়সহ পেটের পীড়া। ক্রমে এসব রোগ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p> <p style="text-align: justify;">সরকারি এক ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই সমস্যার ভুক্তভোগী আমি নিজেও। প্রচলিত ছেঁড়া ফাঁড়া ময়লা যুক্ত টাকার আদান-প্রদান অবশ্যই সমস্যা। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর প্রচলিত ছেঁড়া ফারা ময়লা যুক্ত টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে এই নম্বরের নতুন টাকা বাজারে ছাড়ার কথা। কিন্তু আমার জানা মতে কয়েক বছর ধরে নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হচ্ছে না। </p> <div class="d-flex justify-content-center"> <div class="col-12 col-md-10 position-relative" data-id="1681584"><strong>আরো পড়ুন</strong> <div class="card"> <div class="row"> <div class="col-4 col-md-3"><img alt="এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি" class="img-fluid rounded-start m-0 w-100" height="66" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/2026/05/07/1778132674-7151184986aed9f8f418938930271d37.jpg" width="100" /></div> <div class="col-8 col-md-9"> <p class="p-1 m-0 lh-sm">এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি</p> </div> </div> </div> <a class="stretched-link" href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/07/1681584" target="_blank"> </a></div> </div> <p style="text-align: justify;">উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, ছেঁড়া ফাঁড়া ময়লা যুক্ত টাকার মাধ্যমে স্ক্যাবিস, একজিমা, এলার্জিসহ বিভিন্ন চর্মরোগ ও ডায়রিয়া, আমাশয়, পেটের পীড়া হতে পারে।</p>