ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৫
১৩ চৈত্র ১৪৩১, ২৬ রমজান ১৪৪৬

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৫
১৩ চৈত্র ১৪৩১, ২৬ রমজান ১৪৪৬

জেনে নিন নতুন ট্রেন কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের সময়সূচি

কালের কণ্ঠ অনলাইন
কালের কণ্ঠ অনলাইন
শেয়ার
জেনে নিন নতুন ট্রেন কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসের সময়সূচি
নতুন আমদানি করা লাল-সবুজ কোচ পাচ্ছে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস। ছবি : সংগৃহীত

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এবার পূরণ হতে যাচ্ছে। আগামী ১৬ অক্টোবর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন 'কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস' এর। পরেরদিন ১৭ অক্টোবর থেকে এর বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হবে। ইতিমধ্যেই ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত নতুন পিটি ইনকা লাল-সবুজ কোচ দিয়ে রেক সাজানো হয়েছে।

নির্ধারিত হয়েছে সময়সূচি।

জানা গেছে, মাঝপথে ট্রেনটি বিরতি দেবে রংপুর, বদরগঞ্জ, পার্বতীপুর, জয়পুরহাট, সান্তাহার, মাধনগর ও ঢাকা বিমানবন্দর- এই সাতটি স্টেশনে। সকাল ৭:২০ মিনিটে কুড়িগ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করবে ট্রেনটি। এরপর রংপুর ৮:২৯ মিনিটে এসে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের সঙ্গে ক্রসিং করে ৮:৩৭ মিনিটে ছেড়ে যাবে।

বদরগঞ্জ আসবে সকাল ০৯:০১ এ,ছেড়ে যাবে ০৯:০৩ এ। পার্বতীপুর আসবে সকাল ০৯:৩০ এ,ছেড়ে যাবে সকাল ০৯:৫০ এ। জয়পুরহাট আসবে সকাল ১০:৪৯ এ,ছেড়ে যাবে ১০:৫২।

সান্তাহার আসবে সকাল ১১:৩৫ এ,ছেড়ে যাবে ১১:৪০ এ।

মাধনগর আসবে দুপুর ১২:১০ এ,ছেড়ে যাবে ১২:১২ এ। ১৫:১০ মিনিটে টাঙ্গাইল এসে বনলতা এক্সপ্রেসের সঙ্গে ক্রসিং সম্পন্ন করে ১৫:১৯ মিনিটে ছেড়ে যাবে। মৌচাকে ১৬:০৩ মিনিটে সিল্কসিটির সঙ্গে ক্রসিং করে ১৬:০৯ মিনিটে ছেড়ে যাবে। টাঙ্গাইল এবং মৌচাকে কোনো কমার্শিয়াল স্টপেজ নেই। শুধু ক্রসিংয়ের জন্য দাঁড়াবে।
এরপর ট্রেনটি ১৬:৫০ মিনিটে বিমানবন্দর পৌঁছে গন্তব্য স্টেশন ঢাকায় যাবে ১৭:২৫ মিনিটে।

এরপর কুড়িগ্রাম অভিমুখে রাত রাত ২০:৪৫ মিনিটে ঢাকা স্টেশন ছেড়ে যাবে ট্রেনটি। বিমানবন্দর আসবে রাত ২১:১২ তে,ছেড়ে যাবে ২১:১৭ তে। এরপর রাত ১২:৪৭ মিনিটে আব্দুলপুরে নীলসাগর এবং ০১:১২ মিনিটে নাটোরে রংপুর এক্সপ্রেসের সঙ্গে ক্রসিং করবে। এই দুটি কমার্শিয়াল স্টপেজ নয়। মাধনগর আসবে রাত ০১:৪১,ছেড়ে যাবে রাত ০১:৪৩।

সান্তাহার আসবে রাত ০২:১১, ছেড়ে যাবে ০২:১৫ মিনিটে। এখানে ৭০৬ একতা এক্সপ্রেসর সঙ্গে ক্রসিং সম্পন্ন হবে। জয়পুরহাট আসবে রাত ০২:৫০,ছেড়ে যাবে রাত ০২:৫৩ এ। পার্বতীপুর আসবে রাত ৪টায়,ছেড়ে যাবে রাত ০৪:১০ এ। বদরগঞ্জ পৌঁছবে ভোর ০৪:২৭, ছেড়ে যাবে ০৪:২৯ মিনিটে। এরপর ভোর ০৪:৫৫ মিনিটে রংপুর পৌঁছে ০৫:০৩ এ ছেড়ে যাবে। ভোর ৬:১৫ মিনিটে গন্তব্য স্টেশন কুড়িগ্রাম পৌঁছবে ট্রেনটি।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
মহান স্বাধীনতা দিবস আজ
ফাইল ছবি

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বর্বর সামরিক অভিযান চালিয়ে ঘুমন্ত ও নিরস্ত্র বাঙালিদের নির্মমভাবে হত্যায় মেতে ওঠে। গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয় বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। প্রথমে নিজের, পরে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন মেজর জিয়াউর রহমান (পরে রাষ্ট্রপতি)।

পাকিস্তানি বাহিনীর কাপুরুষোচিত আক্রমণ ও গণহত্যার পর দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া বাঙালিদের অভিন্ন অভিপ্রায় হয়ে ওঠে স্বাধীনতা অর্জন। সশস্ত্র লড়াই ও প্রতিরোধে আগুয়ান হয় এ দেশের মুক্তিকামী জনতা। শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। 

৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় আসে।

বিশ্বের বুকে জন্ম নেয় এক নতুন মানচিত্র—স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন ধরে শোষিত ও বঞ্চিত বাঙালিরা পায় পরম আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার স্বাদ।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘স্বাধীনতার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি পরমতসহিষ্ণুতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন সুসংহত করতে হবে।

রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে সাম্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণ প্রজন্ম আমাদের স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণে আবারও বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী, সুন্দর ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।’

দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশি নাগরিককে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গত ১৬ বছর দেশের মানুষ এই স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। স্বৈরাচারী শাসক জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের ঘাড়ে চেপে বসে তাদের স্বাধীনতা ও মৌলিক সব অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।

ছাত্র-শ্রমিক-জনতার সফল গণ-অভ্যুত্থান দেশের মানুষকে স্বৈরাচারের রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার দেশকে আরো উন্নত ও শক্তিশালী করতে এবং স্বাধীনতার পূর্ণ সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।’

দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন ঢাকাসহ সারা দেশে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

আজ সরকারি ছুটির দিন। সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে এবং ঢাকা শহরে সহজে দৃশ্যমান ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলো আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে।

দিবসের তাত্পর্য তুলে ধরে এদিন সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ ও সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করবে। এ উপলক্ষে ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করছে। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের বাইরেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আজ নানা কর্মসূচি পালন করবে।

প্রতীকী ব্ল্যাক-আউটে গণহত্যা দিবস স্মরণ
এক মিনিট আলো নিভিয়ে ২৫ মার্চের গণহত্যা ও গণহত্যার শিকার শহীদদের স্মরণ করল জাতি। গণহত্যা দিবস উপলক্ষ গতকাল রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত এক মিনিট প্রতীকী ‘ব্ল্যাক-আউট’ পালন করা হয়েছে দেশজুড়ে। ঘড়িতে সাড়ে ১০টা বাজতেই বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনাগুলোতে আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়। তবে কেপিআই এবং জরুরি স্থাপনা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত ছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ কর্মসূচি পালন করেছে।

এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট ছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি নানা সংগঠন, রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করেছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গণহত্যা দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠান ও সেমিনার। 

মন্তব্য

স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে প্রত্যেক সদস্য প্রস্তুত রয়েছে : সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে প্রত্যেক সদস্য প্রস্তুত রয়েছে : সেনাপ্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : সংগৃহীত

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লড়াই যেদিন শুরু হয়েছিল, সেই স্মৃতিময় দিন ২৬ মার্চ। এই দিন জাতির জন্য গৌরবময় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।

এই মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বাণীতে তিনি বলেছেন, ‘আজ ২৬ মার্চ (২০২৫) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।

আমাদের জাতীয় জীবনে এই দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। ১৯৭১ সালের এই দিনে এ দেশের মুক্তিকামী আপামর জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় আমাদের চূড়ান্ত বিজয় এবং বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্থান করে নেয় আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। এ কারণেই ‘২৬ মার্চ’ আমাদের জাতীয় জীবনে গৌরব ও অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।
স্বাধীনতা দিবসের এই শুভলগ্নে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।’

‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেসব অকুতোভয় বীর শহীদকে, যাদের সুমহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা। আমি আরো স্মরণ করছি, সেনাবাহিনীর সব শহীদকে, যারা শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধেই নয়, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়েও দেশের স্বার্থে দেশে এবং বিদেশে দায়িত্বরত অবস্থায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সব শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

‘বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের গর্ব ও আস্থার প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখার নিমিত্তে সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মতো সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্তমানবতার সেবা প্রদান এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তিরক্ষাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে আত্মনিয়োগের মাধ্যমে অনন্য ভূমিকা রেখে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।’

‘স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত বাহিনীরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে যেকোনো অর্পিত দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও সমর সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরিকল্পিতভাবে এবং পর্যায়ক্রমে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সংযোজন এবং উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন বাস্তবায়িত হচ্ছে।’

‘একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাববেলার জন্য আমাদের সেনাবাহিনী এখন সুপ্রশিক্ষিত, দক্ষ এবং সদা প্রস্তুত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য আগামী দিনগুলোতে পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ এবং দেশের মানুষের সেবায় নিবেদিতভাবে কাজ করে যাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

‘পরিশেষে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও সাফল্য কামনা করছি। মহান ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫’ এর এই শুভলগ্নে দেশের আপামর মানুষের সুস্থ জীবন এবং সমৃদ্ধি কামনা করছি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের সহায় হোন। আমিন।’

মন্তব্য

আলোচিত-১০ (২৫ মার্চ)

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার

স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ

সাভার প্রতিনিধি
সাভার প্রতিনিধি
শেয়ার
স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ
সংগৃহীত ছবি

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত করা হয়েছে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ। ইতোমধ্যে কঠোর নিরাপত্তাবলয় তৈরি করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।  

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) স্মৃতিসৌধ চত্বর ঘুরে দেখা যায়, সবুজে ঘেরা ১০৮ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত স্মৃতিসৌধকে ধুয়ে মুছে পরিপাটি করে রেখেছে।

সৌন্দর্যবর্ধনসহ নানা কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন করেছেন সাভার গণপূর্ত বিভাগ। নানা রঙের বাহারি ফুলে ঢেকে ফেলা হয়েছে স্মৃতিসৌধের সবুজ চত্বর। 

স্বাধীনতা দিবসে দেশের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হবেন দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর সেনারা। চলছে রং-তুলি ও সিসিটিভি স্থাপনার কাজ ও ইলেকট্রনিক সব সেটিং এর কাজ।

গত সোমবার থেকে বহিরাগত দর্শনার্থীদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। 

আরো পড়ুন
সুযোগ পেয়েও ২২ বছরের জয়খরা কাটানো হলো না বাংলাদেশের

সুযোগ পেয়েও ২২ বছরের জয়খরা কাটানো হলো না বাংলাদেশের

 

গণপূর্ত বিভাগ জানিয়েছে, প্রায় ১০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী স্মৃতিসৌধের ফটক থেকে মিনার পর্যন্ত পুরো এলাকা ধুয়ে-মুছে চকচকে করে তুলেছে। পরিষ্কার করা হয়েছে সৌধচূড়া থেকে হেঁটে যাওয়ার পথগুলোও। শোভাবর্ধনের জন্য লাগানো গাছগুলো ছেঁটে পরিপাটি করে তোলা হয়েছে।

বসানো হয়েছে বাহারি রঙের ফুলের টব। লেকগুলোকে পরিষ্কার করে লাগানো হয়েছে রক্তিম বর্ণের শাপলা। সাদা রঙের শুভ্রতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পুরো সৌধ এলাকা। শেষ হয়েছে আলোকসজ্জার কাজও।

এ ছাড়া ওয়াচ টাওয়ার ও সিসিটিভি কন্ট্রোলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে পুরো সৌধ এলাকা।

ভোরের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও  প্রধান উপদেষ্টাসহ দেশের সব মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ