<p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। যাদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতি আনুগত্য ও বিরোধী মত দমনে অতি-উৎসাহী ভূমিকার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, তাঁদের পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নতুন ও পেশাদার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এরই মধ্যে ৬৪ জেলার মধ্যে পাঁচটি জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) বদল করা হয়েছে। আরো কয়েকটি জেলার এসপি বদলের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এর সঙ্গে আরো কয়েকজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকেও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে। তাঁদের কোনো কোনো কর্মকর্তা বিতর্কিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। গত রবিবার পর্যন্ত ৩০ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর পর অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। আরো পাঠানো হতে পারেবলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।  </span></span></span></span></span></span></span></span></span></p> <p><span><span style="text-autospace:none"><span style="vertical-align:middle"><span style="line-height:115%"><span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">গণ-অভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠন ও দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে সরকার। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সারা দেশে দায়িত্ব পালনকারী ৬৪ জেলার এসপিদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁদের ভূমিকা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ১১ জন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিসহ মোট ১৩ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, জনস্বার্থে তাঁদের এই অবসর প্রদান করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই তালিকা আরো দীর্ঘ হতে পারে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে সংযুক্ত থাকা সত্ত্বেও কিছু কর্মকর্তা এখনো ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে </span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">‘</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">সরকারবিরোধী গোপন বৈঠক</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">’</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">, </span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">‘</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">তথ্য ফাঁস</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">’</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt"> এবং বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করার মতো </span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">‘</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">রাজনৈতিক অপতৎপরতা</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt">’</span></span></span></span><span><span><span style="color:black"><span style="letter-spacing:-.3pt"> চালানোর সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, বর্তমানে বিগত সরকারের আমলে সুবিধাভোগী কর্মকর্তাদের একটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেইস তৈরি করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এরই মধ্যে একটি তালিকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে অতিরিক্ত আইজিপি থেকে শুরু করে অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে।</span></span></span></span></span></span></span></span></span></p>