‘ভাই, গতকাল মানিকগঞ্জে খেলেছি। আজ আবার নোয়াখালী যাচ্ছি, বাসে আছি। রাতে খেলা আছে’, গতকাল বুধবার এভাবেই ব্যস্ততার কথা শুনিয়েছেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় মোহাম্মদ জুমার। শীত এলে কোর্ট মাতাতে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় ছুটে বেড়াতে হয় তাঁদের।
‘ভাই, গতকাল মানিকগঞ্জে খেলেছি। আজ আবার নোয়াখালী যাচ্ছি, বাসে আছি। রাতে খেলা আছে’, গতকাল বুধবার এভাবেই ব্যস্ততার কথা শুনিয়েছেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় মোহাম্মদ জুমার। শীত এলে কোর্ট মাতাতে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় ছুটে বেড়াতে হয় তাঁদের।
গতকাল নোয়াখালীগামী বাসে বসেই জুমার বলছিলেন, ‘১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা হলেই বিদেশি খেলোয়াড়দের পাওয়া যাচ্ছে।
কয়েক দিন আগেই শরীয়তপুরে জুমার একটি টুর্নামেন্টে জিতেছেন ফ্রিজ। এসব খেলায় ম্যাচপ্রতি তাঁরা পাচ্ছেন ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে। এক দিনে দুটি ম্যাচ খেললে পেয়ে থাকেন ৪০ হাজার। কোথাও শুধু ফাইনাল, কোথাও সেমিফাইনালের সঙ্গে ফাইনাল। পুরো রাতের খেলা হলে আরো বেশি টাকার চুক্তি থাকে তাঁদের। ফেডারেশনের আয়োজনে প্রিমিয়ার লিগ ব্যাডমিন্টনেও এমন চুক্তির কথা স্বপ্নেও ভাবেন না শাটলাররা। ক্রিকেট, ফুটবলের পর হকিতেই অর্থের ঝনঝনানি। হকির শীর্ষ খেলোয়াড়রা সাত-আট লাখ টাকা চুক্তিতে খেলেন। ব্যাডমিন্টনে সেটা খুব বেশি হলে লাখ দুয়েক। আর ব্যাডমিন্টনে তো লিগ নিয়মিত হয়ও না। সর্বশেষ লিগ হয়েছে ২০১৫ সালে। তাই নতুন যে খেলোয়াড়রা এখন কোর্ট মাতাচ্ছেন সেই গৌরব, গালিব, সোয়াদ, জুমারদের লিগ খেলারই সুযোগ হয়নি।
সর্বশেষ বাংলাদেশ গেমস চ্যাম্পিয়ন গৌরব সিংহ গতকাল সিলেটে একটি টুর্নামেন্টে খেলেছেন। স্থানীয় হওয়ায় তাঁর চাহিদাও অনেক। প্রতিটি দলই গৌরবকে পেতে আগ্রহী। সিলেট অঞ্চলে ব্যাডমিন্টনের বাজার রমরমা। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও খেলা হচ্ছে। গৌরব বলছিলেন, ‘সিলেটে সবচেয়ে বেশি টুর্নামেন্ট হয়। এ ছাড়া নোয়াখালীতে অনেক খেলা হচ্ছে এবার। তবে যেখানেই খেলি না কেন আমাদের অর্থের চাহিদা প্রায় একই রকম থাকে। দূরত্ব বেশি হলে তখন আমরা বেশি টাকা দাবি করি। জানুয়ারি মাসে প্রায় প্রতিদিনই খেলতে হচ্ছে আমাকে। ফেব্রুয়ারিতেও কিছুটা ব্যস্ততা থাকবে। আগে থেকেই চুক্তিবদ্ধ হয়ে আছি।’
বিভিন্ন টুর্নামেন্টে নিম্নমানের প্লাস্টিক কর্ক দিয়ে ম্যাচ খেলানো হয়। বিদেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে এই কর্কও ম্যাচ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলছেন সিফাতউল্লাহ গালিব, “প্লাস্টিক কর্ক দিয়ে আমরা খেলি, তবে সেটা অবশ্যই উন্নতমানের হতে হবে। অনেক অঞ্চলে নিম্নমানের কর্ক ব্যবহার করা হয়। এ রকম জায়গায় আমরা খেলি না। এমনকি মাঠে গিয়ে ফিরেও এসেছি। এ জন্য আমাদের ম্যাচ কমে যাচ্ছে। আয়ও কমেছে। সেটা মূলত বিদেশিদের ‘আগ্রাসনে’, যাঁরা পর্যটক ভিসায় এসে উপার্জনের পথ খুঁজে নিয়েছেন বাংলাদেশে।”
সম্পর্কিত খবর
টি-স্পোর্টস টিভি, অ্যাপ ও ইউটিউব
ফুটবল
ফেডারেশন কাপ, ফাইনাল
বসুন্ধরা কিংস-আবাহনী
সরাসরি, দুপুর ২-৪৫ মিনিট
ক্রিকেট
আইপিএল, লখনউ-দিল্লি, সরাসরি, রাত ৮টা
পিএসএল, মুলতান-লাহোর, সরাসরি, রাত ৯টা
অন্যান্য চ্যানেল
ক্রিকেট
বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টেস্টের তৃতীয় দিন
সরাসরি, সকাল ১০টা, বিটিভি
ফুটবল
ইপিএল, ম্যানচেস্টার সিটি-অ্যাস্টন ভিলা
সরাসরি, রাত ১টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১
লা লিগা, বার্সেলোনা-মায়োর্কা
সরাসরি, রাত ১-৩০ মিনিট, জিও সিনেমা
সৌদি প্রো লিগ, দামাক-আল নাসর
সরাসরি, রাত ১০-০৫ মিনিট, টেন ২
।
মেয়েদের চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। মাঠে এবারও দারুণ সময় কাটছে কাতালান মেয়েদের। সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বড় জয়ে ফাইনালের পথে এক পা দিয়ে রেখেছে তারা। চেলসির মেয়েদের বিপক্ষে শেষ চারের প্রথম পর্বে তারা মাঠ ছেড়েছে ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে।
২০১৭ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের পর ক্লে কোর্টের ট্রফি যেন অনেক দূরের বাতিঘর হয়ে ছিল ইয়েলিনা ওস্তাপেংকোর কাছে। আট বছর পর অবশেষে লাল সুরকির কাদামাটির কোর্টে আবার শিরোপা উৎসবে মাতোয়ারা হলেন এই লাটভিয়ান তারকা। র্যাংকিংয়ের নাম্বার ওয়ান আরিয়ানা সাবালেংকাকে ফাইনালে ৬-৪, ৬-১ গেমে হারিয়ে জিতলেন স্টুটগার্ট ওপেনের শিরোপা। এপি
।
পাকিস্তান থেকে বিশ্বকাপে খেলার টিকিট জিতে গতকাল দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ নারী দল। ভারতে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া লড়াইয়ে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি হতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা। গতকাল সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নিজেরা যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভুলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো না
প্রশ্ন : যখন দেখলেন যে বিশ্বকাপে চূড়ান্ত পর্বে উঠেছেন, তখন কী ভাবছিলেন?
নিগার সুলতানা : অনেক ভালো লাগছিল। আমরা প্রথম দিকে ভালো ক্রিকেট খেলেছি বলেই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত পর্বে ওঠার সুযোগটুকু ছিল।
প্রশ্ন : আইসিসি টুর্নামেন্টের সেরা যে একাদশ ঘোষণা করেছে, সেখানে আপনিসহ বাংলাদেশের দুজন ক্রিকেটার আছেন। আরো থাকতে পারত কি?
নিগার : ওপরের দিকের ব্যাটার হিসেবে আমাদের চেষ্টা থাকে কিভাবে রান করা যায়।
প্রশ্ন : ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমীকরণ মেলানোর ম্যাচে নিশ্চয় চোখ ছিল আপনাদের?
নিগার : আমি ম্যাচটি দেখিনি। আমার কাছে মনে হচ্ছিল, অন্যের ওপর নির্ভর করা হয়ে যাচ্ছে। আমাদের নিয়ন্ত্রণে যেগুলো ছিল, সেগুলো আমরা সঠিকভাবে করতে পারলে ওদের এই ম্যাচটি আমাদের দেখতে হতো না। কিন্তু বিশ্বাস ছিল, যদি সব কিছু ঠিকঠাক থাকে ওদের যে সমীকরণ ছিল, তা অনেক কঠিন ছিল।
প্রশ্ন : সামনে আপনাদের লক্ষ্য কী?
নিগার : বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করা আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল।
প্রশ্ন : প্রস্তুতির জন্য কী ভাবছেন?
নিগার : বিশ্বকাপের আগে আমরা কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলব। আইসিসিও হয়তো প্রস্তুতির জন্য কোনো ব্যবস্থা রাখতে পারে। ভারতের উইকেটে আমরা যেন ভালো ক্রিকেট উপহার দিতে পারি, সেই চিন্তা থাকবে। যদিও বাংলাদেশ আর ভারতের উইকেট অনেকটা একই ধরনের। সেখানে রান কিভাবে করা যায়, এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।