• ই-পেপার

অস্ট্রিয়ায় ফরাসি দূতাবাসের সামনে ‘বোরকা’ নিষিদ্ধের প্রতিবাদ

স্রষ্টার অন্যতম মহা নিদর্শন হলো মানবদেহের হাড়

ইসলামী জীবন ডেস্ক
স্রষ্টার অন্যতম মহা নিদর্শন হলো মানবদেহের হাড়
সংগৃহীত ছবি

মানবদেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই মহান আল্লাহর অসীম কুদরতের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু আমরা সচরাচর এমন এক অমূল্য নিয়ামতের কথা খুব কমই ভাবি, যার ওপর দাঁড়িয়ে আছে আমাদের পুরো শরীরের কাঠামো—তা হলো হার বা হাড্ডি।

এটি শুধু শরীরের একটি অংশ নয়; বরং মানবজীবনের চলাফেরা, ভারসাম্য, শক্তি, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সুরক্ষা এবং দৈহিক সৌন্দর্যের অন্যতম ভিত্তি। মানুষ যতই আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উন্নতি করুক না কেন, একটি জীবন্ত হাড় সৃষ্টি করার ক্ষমতা তার নেই। এ কারণেই পবিত্র কোরআন মানুষকে বারবার নিজের সৃষ্টির দিকে তাকাতে, চিন্তা করতে এবং স্রষ্টার মহিমা উপলব্ধি করতে আহবান জানিয়েছে।
কোরআনের আলোচনায় মানুষের হাড় শুধু একটি শারীরিক অঙ্গ নয়; বরং তা সৃষ্টি, পুনরুত্থান এবং আল্লাহর সীমাহীন ক্ষমতার জ্বলন্ত প্রমাণ। যে ব্যক্তি নিজের হাড়ের দিকে গভীরভাবে তাকায়, সে সহজেই উপলব্ধি করতে পারে—এমন নিখুঁত পরিকল্পনা ও সুসমন্বিত কাঠামো কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়; বরং সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান আল্লাহর অনুপম সৃষ্টি। মহান আল্লাহ মানুষের সৃষ্টির বিভিন্ন ধাপ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘অতঃপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তে পরিণত করলাম, তারপর সেই জমাট রক্তকে মাংসপিণ্ডে পরিণত করলাম, এরপর সেই মাংসপিণ্ড থেকে হাড় সৃষ্টি করলাম, অতঃপর সেই হাড়কে মাংস দ্বারা আবৃত করলাম। তারপর তাকে অন্য এক সৃষ্টিরূপে গড়ে তুললাম। অতএব কতই না বরকতময় আল্লাহ, সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ১৪)

এই আয়াতে মানবভ্রূণের বিকাশের যে ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে, তা আল্লাহর সৃষ্টিকৌশলের বিস্ময়কর নিদর্শন। মানুষের শরীরে শত শত হাড় এমনভাবে বিন্যস্ত যে এগুলো ছাড়া দাঁড়ানো, হাঁটা, দৌড়ানো কিংবা সামান্য নড়াচড়াও সম্ভব হতো না। অবিশ্বাসীরা একসময় প্রশ্ন তুলেছিল—মৃত্যুর পর মানুষের পচে-গলে যাওয়া হাড় আবার কিভাবে জীবিত হবে? তাদের এই সংশয়ের জবাবে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সে আমার সম্পর্কে উপমা বর্ণনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে গেছে। সে বলে, কে জীবিত করবে এই হাড়গুলোকে, যখন তা পচে যাবে? বলুন, যিনি প্রথমবার এগুলো সৃষ্টি করেছেন, তিনিই এগুলোকে পুনরায় জীবিত করবেন। তিনি প্রত্যেক সৃষ্টি সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৭৮-৭৯)

এ আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয়, প্রথমবার যিনি মানুষকে অস্তিত্ব দান করেছেন, তাঁর জন্য পুনরায় সৃষ্টি করা কোনো কঠিন বিষয় নয়। তাই হাড়ের পুনরুত্থান অস্বীকার করা মূলত আল্লাহর অসীম ক্ষমতাকে অস্বীকার করার শামিল। আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘মানুষ কি মনে করে, আমি তার হাড়গুলো একত্র করব না? অবশ্যই করব। বরং আমি তার আঙুলের অগ্রভাগ পর্যন্ত যথাযথভাবে পুনর্গঠন করতে সক্ষম।’ (সুরা : কিয়ামাহ, আয়াত : ৩-৪)

এখানে আঙুলের অগ্রভাগের উল্লেখ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ যেমন স্বতন্ত্র, তেমনি আল্লাহ মানুষের প্রতিটি অঙ্গের সূক্ষ্মতম বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও পূর্ণ জ্ঞান রাখেন। কিয়ামতের দিন তিনি মানুষকে সম্পূর্ণ অবিকল অবস্থায় পুনরুত্থিত করবেন।

কোরআনে আরেকটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহর এক বান্দা দীর্ঘ সময় মৃত্যুর মতো অবস্থায় থাকার পর পুনর্জীবিত হলে তাঁকে একটি গাধার হাড় দেখিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তুমি হাড়গুলোর দিকে তাকাও—আমি কিভাবে সেগুলো জোড়া লাগাই, তারপর সেগুলোকে মাংস দ্বারা আবৃত করি।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৫৯)

এ দৃশ্যের মাধ্যমে আল্লাহ মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে বিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়প্রাপ্ত হাড়কে পুনরায় পূর্ণাঙ্গ দেহে পরিণত করা তাঁর জন্য অত্যন্ত সহজ।

মানবদেহের হাড়ের গঠন যতই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়, ততই স্পষ্ট হয় সৃষ্টিকর্তার প্রজ্ঞা। কোথাও শক্ত কাঠামো, কোথাও নমনীয় সংযোগ, কোথাও মজ্জা উৎপাদনের ব্যবস্থা, আবার কোথাও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রক্ষার জন্য বিশেষ আকৃতির হাড়—সব কিছু এক অসাধারণ পরিকল্পনার পরিচয় বহন করে। মাথার খুলি মস্তিষ্ককে রক্ষা করে, পাঁজরের হাড় হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসকে নিরাপত্তা দেয়, মেরুদণ্ড পুরো শরীরের ভার বহন করে এবং হাত-পায়ের হাড় মানুষকে চলাফেরা ও কর্মক্ষমতা দান করে। এ সবই আল্লাহর অসীম হিকমত ও কুদরতের বহিঃপ্রকাশ।

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ‍জুলাই, ২০২৬

ইসলামী জীবন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৬ ‍জুলাই, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের সময় শুরু ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিব ৬টা ৫২ মিনিটে।
এশার সময় শুরু ৮টা ১৬ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৩টা ৫৮ মিনিটে 
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১৯ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।

সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা

অনলাইন ডেস্ক
সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা
সংগৃহীত ছবি

দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে পবিত্র সফর মাস গণনা শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা পালিত হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ।

সভায় ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সহ বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

এদিন সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী ছাড়াও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ছাদেক আহমদ, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. সাহেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত প্রশাসক মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সভায় অন্যদের মধ্যে সরকারি মাদরাসা-ই-আলিয়া ঢাকার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিন্ডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঐতিহাসিক মসজিদে আদদাস

তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা

ইসলামী জীবন ডেস্ক
তায়েফের বুকে যে মসজিদ মুসলিমদের জন্য এক টুকরো সান্ত্বনা
সংগৃহীত ছবি

ইসলামের ইতিহাসে এমন কিছু স্থান রয়েছে, যেগুলো শুধুমাত্র স্থাপত্যের কারণে নয়, বরং ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর রহমতের অবিস্মরণীয় স্মৃতির কারণে যুগে যুগে মুসলমানদের হৃদয়ে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে। সৌদি আরবের তাইফ শহরে অবস্থিত মসজিদ আদ্দাস তেমনই একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, এখানেই নবী মুহাম্মদ (সা.) তাইফবাসীর নির্মম নির্যাতন ও প্রত্যাখ্যানের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েছিলেন। আর এখানেই ঘটে যায় এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনা—যা একজন খ্রিস্টান ক্রীতদাসের হৃদয়ে ইসলামের আলো জ্বালিয়ে দেয়।

নবুওয়তের দশম বছরে, মহানবী (সা.) প্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা.) এবং চাচা আবু তালিবের ইন্তেকালের পর ইসলামের দাওয়াত নিয়ে তাইফে যান। কিন্তু সেখানে তিনি প্রত্যাশিত সাড়া তো পানইনি, বরং শহরের প্রভাবশালীরা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করে। উসকানি দিয়ে শিশু ও দুর্বৃত্তদের তাঁর পেছনে লেলিয়ে দেওয়া হয়। তারা পাথর নিক্ষেপ করতে করতে তাঁকে শহরের বাইরে বের করে দেয়। এতে তাঁর পবিত্র শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায় এবং জুতা পর্যন্ত রক্তে ভিজে যায়।

মহানবী (সা.) রক্তাক্ত আর ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীর নিয়ে শহরের অদূরে অবস্থিহ একটি আঙুর বাগানে আশ্রয় নেন । দূর থেকে তাঁর অবস্থা দেখে বাগানের মালিকরা তাদের খ্রিস্টান ক্রীতদাস আদ্দাস-কে এক থোকা আঙুর দিয়ে তাঁর কাছে পাঠান। আদদাস যখন আঙুরের পাত্র নবীজির সামনে রাখল, তিনি খাওয়ার আগে বললেন, ‘বিসমিল্লাহ্’ (আল্লাহর নামে শুরু করছি)। শুনে আদদাসকে থমকে গেল। তায়েফ বা মক্কার পৌত্তলিকরা এভাবে কথা বলে না। সে বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘এই উপত্যকার মানুষ তো এমন কথা বলে না। আপনি কে? মহানবী (সা.) পাল্টা প্রশ্ন করলেন, ‘তোমার আদি বাড়ি কোথায়, তোমার ধর্ম কী?’ আদদাস জবাব দিল, ‘আমি ইরাকের নিনেভা শহরের এক খ্রিষ্টান।’ নিনেভার নাম শুনে নবীজির রক্তাক্ত মুখেও এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। তিনি বললেন, ‘তুমি তবে সেই পুণ্যবান নবী ইউনুস ইবনে মাত্তার শহরের লোক!’ আদদাস আরও অবাক, এই মরুভূমির মানুষ ইউনুসের নাম জানার কথা নয়। মহানবী (সা.) বললেন, ‘ইউনুস ছিলেন আমার ভাই। তিনি ছিলেন আল্লাহর নবী, আমিও আল্লাহর নবী।’

এই একটি বাক্য জাগিয়ে তুলল আদদাসের ভেতরের ঘুমিয়ে থাকা বিশ্বাস। সে বুঝে গেল, সামনে বসা মানুষটি মক্কার কোনো সাধারণ নেতা নন। তিনি সেই শেষ নবী, যাঁর কথা তার নিজের কিতাবেও লেখা আছে। সে নবীজির হাতে, পায়ে, কপালে চুমু খেতে লাগল। দূর থেকে সেই দৃশ্য দেখে উতবা-শাইবা আফসোস করে বলল, ‘সর্বনাশ, লোকটা আমাদের দাসকেও নষ্ট করে দিল!’ ফিরে আসার পর তারা আদদাসকে জিজ্ঞেস করল, কেন সে ওভাবে চুমু খাচ্ছিল। আদদাস দৃঢ়ভাবে জবাব দিল, ‘এই পৃথিবীতে এই মানুষটির চেয়ে উত্তম আর কেউ নেই। তিনি আমাকে এমন এক সত্য বলেছেন, যা একজন নবী ছাড়া কেউ জানতে পারে না।’

এই তাৎক্ষণিক ইসলাম গ্রহণ ছিল তায়েফের সেই অন্ধকার দিনে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা এক টুকরো সান্ত্বনা। সেই আঙুর বাগানের জায়গাতেই পরে গড়ে ওঠে একটি মসজিদ—মসজিদে আদদাস। বাহ্যিক ব্যর্থতার আড়ালে আসলে সফলতা লুকিয়ে থাকে। পুরো তায়েফ শহর নবীজিকে তাড়িয়ে দেয়, অথচ আল্লাহ ঠিক তখনই একজন সাধারণ দাসের অন্তর খুলে দেন। তাই আজও তায়েফে যারা বেড়াতে যান, তারা মসজিদ আদদাসের শান্ত পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হন, অস্থির হৃদয়ে সান্ত্বনা লাভ করেন। বুঝতে পারেন, যখন দুনিয়ার সব মানুষ বিপক্ষে চলে যায়, চারপাশ তাড়িয়ে দেয়, তখনও আল্লাহর রহমতের একটা আঙুরের থোকা আর একজন বিশ্বস্ত আদদাস কোথাও না কোথাও অপেক্ষা করে থাকে।

তথ্যসূত্র :  (ইবনে কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, খণ্ড ৩, পৃ. ১৩২, সীরাতে ইবনে হিশাম, সিরাতুন নবাবিয়্যাহ, ২/৭১, ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত-তারিখ, খণ্ড ১, পৃ. ৬৬০)

অস্ট্রিয়ায় ফরাসি দূতাবাসের সামনে ‘বোরকা’ নিষিদ্ধের প্রতিবাদ | কালের কণ্ঠ