• ই-পেপার

‘আগামী নির্বাচন খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে’

ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উদযাপনে রাজধানীতে অনাড়ম্বর আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উদযাপনে রাজধানীতে অনাড়ম্বর আয়োজন

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন হচ্ছে। এ উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রাজধানীর মহাখালী টি অ্যান্ড টি মহিলা কলেজ মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় কোরআন খতম, শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ, পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সহসম্পাদক ডাক্তার পারভেজ রেজা কাঁকন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক কৃষিবিদ মাহবুবুল হক বাচ্চু, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার কুয়াশা উমায়ুন চৌধুরী, সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাইদ খানও উপস্থিত ছিলেন।

এর বাইরে যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার গালিব হাসান, ডক্টরস এসবিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাবের যুগ্ম মহাসচিব ডাক্তার ফারুক আহমেদ, ড্যাব-এর আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, ড্যাব-এর সহপ্রচার সম্পাদক ডা. ইকরামুল ইসলাম সৌরভ, ডাক্তার মেহেদী হাসান, সরকারি মেডিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. তানজিম রুবায়েদ আফিফ, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্য মাহমুদুল হাসানসহ তিনটি মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ড. আব্দুল মঈন খান প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিশুদের উদ্দেশে বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান আপন মেধায় এবং মননে উদ্ভাসিত এক মহীয়সী নারী। তিনি এ জন্মদিনের আড়ম্বর বা জাঁকজমক আয়োজন সমর্থন করেন না। একটা জুবায়দা রহমান মেধাবী প্রজন্ম তৈরিতে সব সময়ই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণ এবং রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের এই জন্মদিনেও সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে।

পরে ড. আব্দুল মঈন খান কলেজ মাঠে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে নিমগাছ রোপণ করেন। পথশিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরে হাফেজ ও পথশিশুদের মধ্যাহ্নভোজ পরিবেশন করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন।

উল্লেখ্য জন্মদিন উপলক্ষে সব ধরনের আড়ম্বরতা পরিহার করে জনহিতকর এবং দেশের কল্যাণমূলক কাজকেই উৎসাহিত করেন ডা. জুবাইদা রহমান।

এ ছাড়াও ডা. তানজীন রুবাইয়াত আফিফ, ডা. মেহেদী হাসান শুভ, ডা. রাসেল হোসেন, ডা. ইকরামুল হাসান সৌরভ, ডা. রিয়াদ মোহাম্মদ, ডা. মাহিদুল হক মাহিন, ডা. জহুরুল ইসলাম, ডা. কাইয়ুম হোসেন লিফাত, ডা. জিহাদুল মোতালেব মার্শাল, ডা. রায়হান আমিন ফাহিম, ডা. শিবাত ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করা জামায়াত এমপির দুঃখ প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করা জামায়াত এমপির দুঃখ প্রকাশ
সংগৃহীত ছবি

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম। বাস্তবে তার বাবা-মা জীবিত থাকায় 
সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। পরে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত বক্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

গত রবিবার সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম এ দাবি করেন।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য ও শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

আব্দুল মুনতাকিমের বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম এখনো বেঁচে আছেন এবং তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন।

আব্দুল মুনতাকিমের নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের এই সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর।

হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা।

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

অনলাইন ডেস্ক
বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত
সংসদে বক্তব্য দেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম। ছবি : সংগৃহীত

নিজেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল মুনতাকিম।

গত রবিবার (১৪ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আব্দুল মুনতাকিম এ দাবি করেন। তবে বাস্তবে তার বাবা-মা এখনো জীবিত আছেন।

জানা গেছে, আব্দুল মুনতাকিমের বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম এখনো বেঁচে আছেন এবং তারা সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে ছেলের সঙ্গেই বসবাস করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আব্দুল মুনতাকিম তার ভুল স্বীকার করেন। তিনি বলেন, সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য ও শব্দ উচ্চারিত হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

আব্দুল মুনতাকিমের নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের এই সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৮১ সালে, অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ১০ বছর পর। এ ছাড়া তার বাবা আব্দুল কাদের সৈয়দী এবং মা মোসলমান বেগম দুজনেই বর্তমানে জীবিত আছেন।

হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ১১ মাস ২০ দিন। ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া একজন ব্যক্তির পক্ষে শহীদের সন্তান হওয়া নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে : সাইফুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে : সাইফুল হক
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পশ্চিমাংশের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ ইন তৎপরতায় সীমান্তে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

তিনি বলেছেন, বিএসএফ শিশু-নারীসহ কয়েকশ মানুষকে বলপ্রয়োগ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিয়ে চরম অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বুধবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাইফুল হক এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, পুশ ইন করা মানুষদের একটা অংশকে সীমান্তের শূন্য রেখায় (নো ম্যানস ল্যান্ড) ঠেলে দেওয়া হয়েছে। খাদ্য, পানীয় ও চিকিৎসা না পেয়ে এদের কারও কারও জীবনাশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কয়েকশ মানুষকে বাংলাদেশে পুশ ইন করার এই তৎপরতায় তীব্র অসন্তোষ ও নিন্দা জানান তিনি।

সাইফুল হক বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পর ভারতের বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা নতুন মাত্রা নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা সীমান্তের মানুষের মধ্যে গভীর নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে। বিএসএফের এসব তৎপরতা তাদের বাংলাদেশ-বিদ্বেষী আগ্রাসী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, উভয় দেশে অবস্থানরত বৈধ নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাবার নির্দিষ্ট আইনি ও বৈধ প্রক্রিয়া রয়েছে। আইনগত এই প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে জবরদস্তিমূলক পুশ ইন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি আন্তর্জাতিক আইনেরও গুরুতর লঙ্ঘন।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত যদি প্রকৃত বন্ধুত্ব চায়, তবে অবিলম্বে এই পুশ ইন তৎপরতা ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে বলে বিবৃতিতে দাবি জানান সাইফুল হক।

‘আগামী নির্বাচন খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে’ | কালের কণ্ঠ