বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানামা করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।
বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকার পরও সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়ন করতে পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো ও টাকার মান কমানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এ মাসে দেশের আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম গড় হিসেবে প্রায় ৯০ পয়সা বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত মাসে আন্তঃব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। সেখানে বর্তমানে ডলারের সর্বোচ্চ দাম ১২৩ টাকা ৭০ পয়সা।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২৩ জুলাই ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ৭০ পয়সা
ইউরো : ১৪১ টাকা ১৪ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৫ টাকা ৩৯ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৭৯ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৫৪ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ২৫ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ৭৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ১১ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮২ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮৬ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ৬০ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৩ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। তবে আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে গত কয়েক দিনে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব মতে, চলতি মাসের শুরুতে ডলারের সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা থাকলেও সেটি ১২৩ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা অস্বস্তিদায়ক।













