• ই-পেপার

আবারও ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি ভয়ংকর চাপে মানুষ

  • ১৬ মাসে সর্বোচ্চ মে-তে

৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক বসছে, ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন আমানতকারীরা

২৭ হাজার আমানতকারীর জমা ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক বসছে, ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন আমানতকারীরা

দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের পদক্ষেপ হিসেবে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

সূত্র মতে, দীর্ঘদিন ধরে সংকটে থাকা দেশের ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে বোর্ডে আলোচনা হয়। সভায় বন্ধ বা অবসায়নের সিদ্ধান্ত হওয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে বোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, অবসায়ন বা বন্ধের তালিকায় রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস। অন্যদিকে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কম্পানি (বিআইএফসি), প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স ও প্রাইম ফাইন্যান্সকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ হিসেবে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, বন্ধের সিদ্ধান্ত হওয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে ২৭ হাজার ব্যক্তি আমানতকারীর প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা জমা রয়েছে।

এখন আমাদের প্রথম কাজ প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করা। এরপর এসব প্রতিষ্ঠানে একীভূত ব্যাংকগুলোর মতো প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। প্রশাসক নিয়োগের পর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া শুরু হবে। প্রত্যেক ব্যক্তি আমানতকারী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন। তিনি আরো বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানকে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে, তাদের এই সময়ের মধ্যে ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল অর্থ পরিশোধে সক্ষমতা দেখাতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা করতে না পারলে সেগুলোকেও রেজল্যুশন বা অবসায়ন প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর শেষে এফএএস ফাইন্যান্সের খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৯৯.৯৯ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৯৮.৫০ শতাংশ, আভিভা ফাইন্যান্সের ৯৩.৯৩ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৯৯.৪৪ শতাংশ।

উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কেন ২০টি এনবিএফআই বন্ধ করা হবে না এই মর্মে গত বছরের মে মাসে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নোটিশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনা সন্তোষজনক না হওয়ায় সেগুলো বন্ধ বা অবসায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেখান থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে ছয়টি বন্ধ বা অবসায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বিআইএফসিকে বাদ দেওয়া হয়। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে প্রিমিয়ার লিজিংকে বাদ দিয়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাপক অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির কারণেই এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ এত বেড়েছে। উদাহরণ হিসেবে, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (পরে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদার চারটি এনবিএফআই পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি থেকে অন্তত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত কয়েক বছর ধরেই তীব্র তারল্যসংকট, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং দুর্বল সুশাসনের সমস্যায় ভুগছে। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আমানত ফেরত না পাওয়ার অভিযোগে গ্রাহকদের দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ অবস্থায় দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বাংলাদেশ ব্যাংক রেজল্যুশন কাঠামোর আওতায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন, দেশে ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন, দেশে ভরি কত?
সোনা-রুপার গয়না। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) চলতি বছর সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমেছে। বিশ্ববাজারের সামগ্রিক মন্দাভাবের প্রভাব পড়েছে এই মূল্যবান ধাতুর ওপর। বিনিয়োগকারীরা এখন চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে প্রকাশ পেতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের দিকে চোখ রাখছেন। খবর রয়টার্স

মঙ্গলবার (৯ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৯৮ দশমিক ৭৫ ডলারে নেমে আসে। দিনের শুরুতে অবশ্য দাম ১ শতাংশের বেশি কমে গিয়েছিল। অন্যদিকে, আগামী আগস্টে সরবরাহের চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্স বা অগ্রিম বাজারে সোনার দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ দশমিক ৯০ ডলারে।

বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আরজেও ফিউচার্সের জ্যেষ্ঠ বাজার কৌশলবিদ বব হ্যাবারকর্ন বলেন, ব্যবসায়ীরা এখন বাজার নিয়ে কিছুটা উৎকণ্ঠার মধ্যে আছেন। সব বাজারেই বিনিয়োগকারীরা এখন ঝুঁকি এড়াতে চাইছেন। আর এই প্রবণতার কারণেই সোনার বাজারে পতন দেখা যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ফেডারেল রিজার্ভের কাছ থেকে সুদের হারের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত না পাওয়া পর্যন্ত সোনা ও রুপার দাম চাপের মধ্যেই থাকবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের শক্তিশালী তথ্য প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীদের নজর এখন মূল্যস্ফীতির দিকে। যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নীতি কোন দিকে যাচ্ছে, তা বুঝতে সবাই বুধবারের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) এবং বৃহস্পতিবারের উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন।

জার্মানির কোমার্জব্যাংক এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মে মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র যদি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি চড়া হয়, তবে সোনার দাম আরও পড়ে যেতে পারে। তবে ফেড যদি শেষ পর্যন্ত সুদের হার না বাড়ায়, তাহলে বছরের শেষের দিকে সোনার বাজারে আবার সুদিন ফিরতে পারে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের হিসাব অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রায় ৭০ শতাংশ।

সোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রুপার (স্পট সিলভার) দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৯৮ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৩৬ দশমিক ০৮ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৩৪ দশমিক ৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ববাজারে বেড়েছে সোনা-রুপার দাম, দেশে কোনটার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে বেড়েছে সোনা-রুপার দাম, দেশে কোনটার ভরি কত?
সোনা-রুপার গয়না। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমে আসায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারে। মঙ্গলবার (৯ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ পাওয়ার কথা রয়েছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আবারও সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কায় সোনার দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বড় কোনো লাফ দিতে পারেনি। খবর রয়টার্স

আন্তর্জাতিক বাজারে মঙ্গলবার স্পট সোনার দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪০ দশমিক ৩১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগের কার্যদিবসে মূল্যবান এই ধাতুর দাম গত ২৩ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।

এদিকে আগামী আগস্টে সরবরাহের চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৬৪ দশমিক ৯০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।

বাজার পরিস্থিতির বিষয়ে স্যাক্সো ব্যাংকের প্রধান পণ্য কৌশলবিদ ওলে হ্যানসেন বলেন, টানা দুই দিন বড় পতনের পর সোনার বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার আরো বাড়ার যে গুঞ্জন রয়েছে, তা সোনার বাজারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির আহ্বানের পর ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমতে শুরু করে। সাধারণত তেলের দাম বাড়লে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়ে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে সুদের হার বাড়াতে বাধ্য করে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সোনাকে সাধারণত মূল্যস্ফীতিজনিত লোকসান মোকাবেলার হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা সোনার মতো অলাভজনক সম্পদে বিনিয়োগ কমিয়ে দেন। ফলে সোনার আকর্ষণ কমে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে কর্মসংস্থানের শক্তিশালী প্রতিবেদন আসার পর চলতি বছরই সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভ পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ নেবে, তা বুঝতে বিনিয়োগকারীরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন মে মাসের মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) এবং উৎপাদক মূল্য সূচকের (পিপিআই) প্রতিবেদনের জন্য। বুধবার (১০ জুন) ও বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এই তথ্য প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।

ওলে হ্যানসেন এই প্রসঙ্গে বলেন, বুধবার মার্কিন সিপিআই তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গত তিন বছরের মধ্যে এই প্রথম মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া আগামী ১৭ জুনের এফওএমসি বৈঠকের দিকেও সবার নজর থাকবে, কারণ বাজার এখন ফেডের নতুন চেয়ারম্যানের বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে।

শিকাগো মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের (সিএমই) ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা এখন আগামী ডিসেম্বরে ফেডের সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ৬৮ শতাংশ ধরে নিয়ে বাজারে লগ্নি করছেন।

সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কায় গত শুক্রবার থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট সোনার দাম ‘২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজ’ বা গড় দামের নিচে নেমে গেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম এমনটি ঘটল।

বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটির বিশ্লেষকেরা এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, ২০০-দিনের মুভিং অ্যাভারেজের নিচে দাম নেমে যাওয়া কারিগরি দিক থেকে একটি নেতিবাচক সংকেত। এর অর্থ হচ্ছে, নিকট ভবিষ্যতে সোনার দাম আরো কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

সোনার পাশাপাশি আজ আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কিছুটা বেড়েছে। স্পট সিলভার বা রুপার দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৮ দশমিক ৫৬ ডলারে উঠেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৬৯ দশমিক ৮৩ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৩৮ দশমিক ৬৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল সহায়তা চাইল ইসলামী ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক
১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল সহায়তা চাইল ইসলামী ব্যাংক

সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) বা নগদ সংরক্ষণ হার কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল সহায়তা চেয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। ব্যাংকটিতে নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগ ঘিরে গত কয়েক দিনে ব্যাংকটি থেকে প্রায় ৪ হাজার ২৪০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন গ্রাহকরা। এ ঘটনার পর পরই ব্যাংটির পক্ষ থেকে এ সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ইসলামী ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‌‘খুরশীদ আলমকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আগে ব্যাংকটির সিআরআর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত চাহিদার তুলনায় বেশি ছিল। তবে গত এক সপ্তাহে গ্রাহকদের আতঙ্কজনিত অর্থ উত্তোলনের কারণে সিআরআর নেগেটিভে চলে গেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের রিকোয়ারমেন্ট (চাহিদা) রয়েছে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকার। আমরা এর চেয়েও বেশি রাখতে সক্ষম ছিলাম। কিন্তু বর্তমান সংকটের কারণে তা কমে ২,৬০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা আমাদের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট এখনও পজিটিভ রয়েছে।’

তিনি জানান, সিআরআর ঘাটতিতে চলে যাওয়ায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল সহায়তা চাওয়া হয়েছে।