• ই-পেপার

৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপ-উপাচার্য নিয়োগ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। 

ড. মো. সিরাজুল ইসলামকে ৪ বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

এদিকে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীনকে। তাকে আগের কর্মস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর ৪ বছরের জন্য ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীনকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-ভিসি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। 

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে।
 

আস্থা অর্জনের ব্যর্থতা নিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন রাবির ছাত্র উপদেষ্টা

রাবি প্রতিনিধি
আস্থা অর্জনের ব্যর্থতা নিয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন রাবির ছাত্র উপদেষ্টা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর ২টায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত টাইমলাইনে রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রের ছবি প্রকাশ করে তিনি এ ঘোষণা দেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত আস্থা অর্জন করতে না পারা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যস্ততা বৃদ্ধির কারণেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে একাডেমিক ও গবেষণামূলক কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় তাঁর পক্ষে এ পদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।

পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, ‘আমরা পদত্যাগপত্র পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

তবে আকস্মিক এ পদত্যাগের পেছনের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর আকস্মিক মৃত্যু আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। আমি সবসময় শিক্ষার্থীদের মানসিক সংকট মোকাবেলায় পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় মনস্তাত্ত্বিক পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এর আগে অনেক শিক্ষার্থীকে হতাশা ও মানসিক অবসাদ থেকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। তারা এখন স্বাভাবিক জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত। এরপরও কেন শিক্ষার্থীরা আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছে, সেটি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেকোনো সংকটে শিক্ষার্থীরা অন্তত একবার ছাত্র উপদেষ্টার পরামর্শ নিতে পারত। আমার মনে হয়েছে, আমি তাদের মধ্যে সেই কাঙ্ক্ষিত আস্থা ও ভরসার জায়গা তৈরি করতে পারিনি। এই নৈতিক দায়বদ্ধতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যস্ততা বৃদ্ধির কারণেই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

উল্লেখ্য, বুধবার (১০ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আমজাদের মোড় এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ।
 

গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে ঢাবি ও এসিইউর বৈঠক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে ঢাবি ও এসিইউর বৈঠক

গবেষণা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিস (এসিইউ)-এর মধ্যে বৈঠক হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে এসিইউ মহাসচিব অধ্যাপক কলিন রিওর্ডান এবং দক্ষিণ এশিয়ায় মেম্বারশিপ এনগেজমেন্ট লিড মিস ইকিতা পোখারনা বক্তব্য দেন।

বৈঠকে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক ও অংশীদারি শক্তিশালী করা, ঢাবির তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য বৃত্তি ও ফেলোশিপ বৃদ্ধি এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি গ্রহণের সম্ভাব্যতা নিয়েও মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করা, যা শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ধারণাগুলোকে বাস্তব সমাধানে রূপান্তর করতে সক্ষম করবে।

এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং শিক্ষাদান, শিখন ও গবেষণায় উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল একীকরণের ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা আরো গভীর করতে হবে। আমাদের অবশ্যই এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার অব্যাহত রাখতে হবে, যেখানে কোনো শিক্ষার্থী পিছিয়ে থাকবে না।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসিইউ মহাসচিবের এ সফর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও ইনস্টিটিউট পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে এসিইউ মহাসচিব উপাচার্যের কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করেন।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের উদ্যোগ

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে চীনা প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে চীনা প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চীনের বেইহাং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লিন ঝাংয়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপাচার্যের কার্যালয়ে এই সাক্ষাতে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের ব্যাপারে একমত হয়েছে উভয় পক্ষ।

চীনা প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জিংনঙ ওয়েং এবং মিস জিয়ানওয়েই সান। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেইহাং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ সহযোগিতামূলক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের ব্যাপারে উভয় পক্ষ একমত হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে এবং প্রতি বছর বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য চীনে যাচ্ছেন। শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দুই দেশের এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরে চীনা প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।