• ই-পেপার

মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সম্ভাবনাকে সংযুক্ত করার এক নিরলস অভিযাত্রা

শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ

অনলাইন ডেস্ক
শিশুর বিকাশে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন : ববি হাজ্জাজ
সংগৃহীত ছবি

শিশুর প্রাথমিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পাঠ্যক্রম ও শিক্ষক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, এমপি। তিনি বলেন, ‘শিশু কিভাবে শিখবে এবং শিক্ষক কিভাবে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন, তার ভিত্তি তৈরি করে পাঠ্যক্রম। তাই প্রাথমিক শৈশব বিকাশে পাঠ্যক্রম সংস্কারকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

সোমবার (২২ জুন) ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডায়ালগ অন আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট : পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের (এসপিপিএইচ) অধীন পাবলিক হেলথ বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ায় মুখস্থনির্ভরতা ও পরীক্ষার ফলাফলের চেয়ে চিন্তাশক্তি, কৌতূহল, যোগাযোগ দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার ও শিক্ষা পদ্ধতি আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে। শিশুর প্রাথমিক বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ের অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সংলাপ আয়োজন করায় আইইউবির প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, ট্রাস্টি জাভেদ হোসেন এবং ন্যাশনাল একাডেমি ফর প্রাইমারি এডুকেশনের (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমেদ।

ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘প্রাথমিক শৈশব বিকাশ শুধু বিদ্যালয় বা সরকারের দায়িত্ব নয়; এতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। এটি শুধু শ্রেণিকক্ষ বা অবকাঠামোর বিষয় নয়, বরং শিশুদের শেখা, বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়।’

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক তামিম বলেন, ‘শিশুর প্রাথমিক বিকাশ ও উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আইইউবি অত্যন্ত আগ্রহী।’

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের (বিইএন) ভাইস চেয়ার মাহমুদা আখতার। তিনি প্রাথমিক শৈশব বিকাশের গুরুত্ব এবং প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের বিকাশে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইইউবির স্কুল অফ ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাসেত শিক্ষক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ বিষয়ে আরেকটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং পরে উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন। এতে সরকারি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন আইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পাবলিক হেলথ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার ড. তানভীর আহমেদ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. বিলকিস বানু।

বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক (বিইএন) শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম। আইইউবি এই নেটওয়ার্কের নির্বাহী সদস্য।

বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই ১.৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের মাইলফলক ব্র্যাক ব্যাংকের

অনলাইন ডেস্ক
বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই ১.৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের মাইলফলক ব্র্যাক ব্যাংকের
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এনেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ফলে, রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

এই পাঁচ মাসে প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি তাঁদের পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের ওপর আস্থা রেখেছেন। এই রেমিট্যান্সের টাকা বাংলাদেশের লাখ লাখ পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখছে।

ব্যাংকটির এমন অর্জন প্রমাণ করে যে, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিশ্বব্যাপী এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর কাছে ব্র্যাক ব্যাংকের রেমিট্যান্স সেবা কতটা নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছে। দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবিকা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের খরচ জোগানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ব্র্যাক ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

রেমিট্যান্স প্রেরক ও সুবিধাভোগীদের জন্য বিশেষায়িত সেভিংস অ্যাকাউন্ট ও প্রোডাক্ট চালুর মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক নিজেদের রেমিট্যান্স ইকোসিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করেছে। গ্রাহকরা ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল অনবোর্ডিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটে এসব অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এবং ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং অ্যাপ ‘আস্থা’-এর মাধ্যমে সহজেই পরিচালনা করতে পারেন। এই বিশেষ অ্যাকাউন্টগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— অ্যাকাউন্টে যত টাকাই থাকুক না কেন, গ্রাহকরা একটি নির্দিষ্ট হারে মুনাফা পাবেন। আর এই মুনাফা দেওয়া হবে প্রতি মাসে, যা গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করবে।

নতুন রেমিট্যান্স করিডোরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিদ্যমান পার্টনারদের সঙ্গে উদ্ভাবনী হোস্ট-টু-হোস্ট প্রযুক্তিগত সংযোগ জোরদারের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক গন্তব্যগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। দেশজুড়ে ৩১০টি শাখা ও উপশাখা এবং ১ হাজার ১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকটি প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ তাঁদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

এ অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘এই মাইলফলক ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবিচল আস্থার প্রতিফলন। অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে আস্থা, প্রযুক্তি এবং অংশীদারিত্ব একসঙ্গে কাজ করলে কী অর্জন করা সম্ভব— এই সাফল্য তারই প্রমাণ। আমরা রেমিট্যান্স সেবাকে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সহজলভ্য করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যা লাখো পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। প্রযুক্তিতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারি এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সল্যুশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাঁদের পরিবারের জন্য বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রিমার্কের ‘ডাবল লাখপতিতে’ ভাগ্য খুলল সাতক্ষীরার শ্যামলের

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রিমার্কের ‘ডাবল লাখপতিতে’ ভাগ্য খুলল সাতক্ষীরার শ্যামলের
সংগৃহীত ছবি

রিমার্ক এইচবি লিমিটেডের বিক্রেতাবান্ধব ও ব্যতিক্রমী ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনের প্রথম ‘লাখপতি বিজয়ী’ হয়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামল স্টোরের স্বত্বাধিকারী শ্যামল কুমার দাস। দেশে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের স্কিনকেয়ার, হোমকেয়ার ও কসমেটিকস পণ্য উৎপাদনকারী এ প্রতিষ্ঠানের এ ক্যাম্পেইনের আওতায় তিনি নগদ এক লাখ টাকার আকর্ষণীয় পুরস্কার অর্জন করেছেন। এ অর্জন শুধু একজন খুচরা ব্যবসায়ীর সাফল্যের গল্পই নয়, বরং দেশের রিটেইলারদের আর্থিক সমৃদ্ধি ও ব্যবসায়িক বিকাশে রিমার্কের অঙ্গীকারেরও উজ্জ্বল উদাহরণ, বলছেন কর্মকর্তারা।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর গুলশানে রিমার্কের কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে শ্যামল কুমার দাসের হাতে এক লাখ টাকার পুরস্কারের চেক তুলে দেন রিমার্কের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ডিরেক্টর কামাল হোসেন, ডেপুটি হেড অব এইচপিসি চ্যানেল মোহাম্মদ রুবেল, হেড অব সেলস অপারেশন আকিব সারওয়ার, রিজিওনাল সেলস ডিরেক্টর জিএম আবুল বাশারসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া বলেন, রিমার্কের ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন বিক্রেতা বন্ধুদের জন্য এক চমৎকার উদ্যোগ। ব্যবসায়িক অংশীদারদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। 
আমি বিশ্বাস করি, এমন স্বচ্ছ ও আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে অনুপ্রাণিত করবে। আজকের প্রথম লাখপতি বিজয়ী শ্যামল কুমার দাসকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং ভবিষ্যতে আরও অনেক বিক্রেতা এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে পুরস্কৃত হবেন বলে আশা করি।

প্রথম লাখপতি বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে শ্যামল কুমার দাস বলেন, রিমার্কের ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনের প্রথম লাখপতি হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই পুরস্কার শুধু আর্থিক প্রাপ্তিই নয়, এটি আমার ব্যবসার প্রতি নতুন উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস জোগাবে। রিমার্ক যে তাদের বিক্রেতাদের মূল্যায়ন করে, এই পুরস্কার তারই প্রমাণ। এমন উদ্যোগ দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়।

রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ডিরেক্টর কামাল হোসেন বলেন, রিমার্কের কাছে বিক্রেতারা শুধু ব্যবসায়িক অংশীদার নন, তারা আমাদের প্রবৃদ্ধির সহযাত্রী। ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা তাদের সাফল্যকে উদযাপন করতে চাই। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে যে ব্যাপক সাড়া মিলছে, তা আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমরা চাই, রিমার্কের সঙ্গে ব্যবসা করা মানেই শুধু পণ্য বিক্রি নয়, বরং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হওয়া। 

রিজিওনাল সেলস ডিরেক্টর জিএম আবুল বাশার বলেন, সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিক্রেতা অংশীদারদের মধ্যে ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। আমাদের বিক্রেতারা শুধু ব্যবসায়িক অংশীদার নন, বরং রিমার্ক পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। শ্যামল কুমার দাসের লাখপতি বিজয়ী হওয়া প্রমাণ করে যে ক্যাম্পেইনটি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্যও সমান সুযোগ নিশ্চিত করছে। 

রিমার্ক সূত্রে জানা গেছে, বিক্রেতা বন্ধুদের জন্য চালু করা ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন আপনজন-০১-এর আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তালিকাভুক্ত রিটেইলাররা ন্যূনতম দুই হাজার টাকার রিমার্ক পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কার জয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ পুরস্কারের পাশাপাশি রয়েছে তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাক, ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ কোটি কোটি টাকার বিভিন্ন উপহার।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে উপহারপ্রাপ্তদের নির্বাচন প্রক্রিয়া শতভাগ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে। রিমার্কের বিশ্বাস, এ উদ্যোগ ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং বাজারে ইতিবাচক ব্যবসায়িক গতি সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গত ৩ জুন শুরু হওয়া ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপ আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী বিক্রেতারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই মেগা ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিক্রেতাদের মধ্যে ইতিমধ্যে ক্যাম্পেইনটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ডিজিটাল ডিসকভারি ডে-২০২৬

ল্যাবরেটরি ডায়াগনস্টিকস ও ডিজিটাল হেলথকেয়ারের সর্বাধুনিক উদ্ভাবন উপস্থাপন

অনলাইন ডেস্ক
ল্যাবরেটরি ডায়াগনস্টিকস ও ডিজিটাল হেলথকেয়ারের সর্বাধুনিক উদ্ভাবন উপস্থাপন
সংগৃহীত ছবি

মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড, অ্যাবট ডায়াগনস্টিকসের সহযোগিতায় সফলভাবে ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬ আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী, ল্যাবরেটরি বিশেষজ্ঞ, হাসপাতাল প্রশাসক এবং শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার অগ্রযাত্রা’।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মি. চন্দ্রেশ মাদানি (Chaandrish Madani), ডিস্ট্রিবিউটর অপারেশন ম্যানেজার, কোর ডায়াগনস্টিকস, অ্যাবট এবং মি. শামসুদ্দিন জিয়া, চিফ অপারেটিং অফিসার, মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড। তারা আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল রূপান্তর, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মি. শামসুদ্দিন জিয়া বলেন, ‘ডিজিটাল রূপান্তর এবং ইন্টেলিজেন্ট ডায়াগনস্টিকসের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬-এর মাধ্যমে আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাই, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীরা বৈশ্বিক উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন, জ্ঞান বিনিময় করতে পারবেন এবং এমন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পারবেন যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার দক্ষতা, নির্ভুলতা এবং রোগী সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ বক্তৃতা প্রদান করেন:

• মি. সিহি পার্ক (Sehee Park), মার্কেটিং ম্যানেজার, DHS & Systems, Core Diagnostics, Abbott • মিস ক্রিস্টিন গোপালাকৃষ্ণন (Kristin Gopalakrishnan), ডিজিটাল হেলথ সল্যুশনস এক্সিকিউটিভ, Core Diagnostics, Abbott • প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. এস. এম. মাহবুবুল আলম, এমবিবিএস, এমসিপিএস (ক্লিনিক্যাল প্যাথলজি), এফসিপিএস (হিস্টোপ্যাথলজি), সিনিয়র কনসালট্যান্ট, এভারকেয়ার হাসপাতাল, ঢাকা

বক্তারা ল্যাবরেটরি অটোমেশন, ডিজিটাল হেলথ সল্যুশনস, কানেক্টেড ডায়াগনস্টিকস এবং স্বাস্থ্যসেবার কার্যকারিতা ও রোগীর সেবার মান উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারীরা ডায়াগনস্টিক প্রযুক্তি, ল্যাবরেটরি ইনফরমেটিক্স, ওয়ার্কফ্লো অপ্টিমাইজেশন এবং ডিজিটাল হেলথকেয়ার সল্যুশনসের সর্বশেষ উদ্ভাবন সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানটি স্বাস্থ্যসেবা খাতের পেশাজীবীদের জন্য জ্ঞান বিনিময়, মতবিনিময় এবং নেটওয়ার্কিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। আলোচনায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষতা বৃদ্ধি, মান নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালীকরণ এবং উন্নত ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে মি. নিজামউদ্দিন হাসান রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড, অনুষ্ঠানের সকল বক্তা, অংশগ্রহণকারী এবং সহযোগীদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সমাধান পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ইন্টেলিজেন্ট ডায়াগনস্টিকস, ডিজিটাল কানেক্টিভিটি এবং ধারাবাহিক উদ্ভাবনের ওপর। ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তির অগ্রগতিকে বাংলাদেশের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করতে চাই, যাতে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো আরও দক্ষ, নির্ভুল এবং রোগীকেন্দ্রিক সেবা প্রদান করতে পারে।’

ডিজিটাল ডিসকভারি ডে ২০২৬-এর মাধ্যমে মেডিপ্যাক টেকনোলজিস লিমিটেড এবং অ্যাবট ডায়াগনস্টিকস উদ্ভাবননির্ভর, স্মার্ট ও সংযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বিকাশে তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।