<p>নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাই ভারতীয় প্রসাধনী পণ্য ছাড়তে ঘুষের দর-কষাকষির অভিযোগে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) প্রত্যাহারের পর এবার (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেনকে বদলি করা হয়েছে।</p> <p>বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কলমাকান্দা থানা থেকে ওসি সিদ্দিক হোসেনকে কেন্দুয়ার পেমই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে।</p> <div class="d-flex justify-content-center"> <div class="col-12 col-md-10 position-relative" data-id="1681764"><strong>আরো পড়ুন</strong> <div class="card"> <div class="row"> <div class="col-4 col-md-3"><img alt="শ্রীবরদীতে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ" class="img-fluid rounded-start m-0 w-100" height="66" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/2026/05/07/1778155620-cdb923e824de0bc0f6ca9098e792a284.jpg" width="100" /></div> <div class="col-8 col-md-9"> <p class="p-1 m-0 lh-sm">শ্রীবরদীতে ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ</p> </div> </div> </div> <a class="stretched-link" href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/07/1681764" target="_blank"> </a></div> </div> <p>এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় একই ঘটনায় কলমাকান্দা থানার এসআই আবু হানিফাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। পাশাপাশি এই ঘটনার অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করেছে জেলা পুলিশ।</p> <p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পিকআপ থেকে ১৮ বস্তা ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করা হয়। এ সময় পিকআপচালক নাসিম ও তার সহকারী মনির হোসেনকে আটক করা হয়। পরে এ ঘটনায় জসিম উদ্দিনসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ। এ ঘটনার পর বুধবার বিকেল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কলমাকান্দা থানার এসআই আবু হানিফা ও কথিত চোরাকারবারি জসিম উদ্দিনের মধ্যে টাকার বিনিময়ে মালামাল ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কথোপকথন রয়েছে বলে দাবি করা হয়। অডিও প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।</p> <div class="d-flex justify-content-center"> <div class="col-12 col-md-10 position-relative" data-id="1681765"><strong>আরো পড়ুন</strong> <div class="card"> <div class="row"> <div class="col-4 col-md-3"><img alt="ধান কাটতে শ্রমিক সংকট, বিপাকে কৃষক" class="img-fluid rounded-start m-0 w-100" height="66" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/2026/05/07/1778155716-a3c3ce40afce0648add055c52511cb71.jpg" width="100" /></div> <div class="col-8 col-md-9"> <p class="p-1 m-0 lh-sm">ধান কাটতে শ্রমিক সংকট, বিপাকে কৃষক</p> </div> </div> </div> <a class="stretched-link" href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/07/1681765" target="_blank"> </a></div> </div> <p>ভাইরাল অডিওতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘স্যার, আপনাকে ৮০ হাজার টাকা দেব। আমাকে মামলায় দেবেন না, শুধু দুই বস্তা মাল আটক দেখাবেন।’ জবাবে অপর ব্যক্তি বলেন, ‘না ভাই, এর কম হবে না, তিন লাখ টাকা দেন।’ পরে দর–কষাকষির একপর্যায়ে আড়াই লাখ ও দুই লাখ টাকার কথাও শোনা যায়।</p> <p>কথোপকথনের একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি আরো বলেন, এক লাখ টাকা দিব। ওসি স্যার কিন্তু বিপক্ষে যাবে না। ওসি স্যার বলছেন, যেহেতু আমাকে জানিয়ে আপনারা করেছেন, দারোগার সঙ্গে কথা বলেন।</p> <p>তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে এসআই আবু হানিফা কথা বলতে রাজি হননি। অন্যদিকে কথোপকথনের অপর ব্যক্তি জসিম উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।</p> <p>তবে এ ব্যাপারে বদলি হওয়া ওসি মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, চোরাকারবারির সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। এসব ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই।</p> <p>এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে সত্যতা মিললে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>