সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী যশোরকে দেশের “সংস্কৃতির আতুরঘর” উল্লেখ করে জেলার পাঠাগার ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে বই ও সংস্কৃতিচর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
রবিবার (১৭ মে) সকালে যশোর শিল্পকলা একাডেমি, যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি এবং টাউনহল ক্লাব পরিদর্শন শেষে সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘যশোর শুধু একটি জেলা নয়, এটি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। আমি নিজেও যশোরের সন্তান। এই জেলার সংস্কৃতি, সাহিত্য ও ইতিহাসের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও এর আগে যশোর ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেছেন। তাঁর নির্দেশনা ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের ভাবনা বাস্তবায়নেই আমার আজকের এই সফর।’
তিনি আরো বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চা ও পাঠাভ্যাস কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। বর্তমান প্রজন্মকে আবারও পাঠাগারমুখী করতে হবে। এজন্য আমরা যশোর ইনস্টিটিউটসহ জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছি।’
মন্ত্রী জানান, পাঠাগারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নতুন বই সংগ্রহ, ডিজিটালাইজেশন, পাঠকবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং তরুণদের আকৃষ্ট করতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও লজিস্টিক সহায়তা বাড়ানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী যশোর ইনস্টিটিউটের উন্নয়নসংক্রান্ত একগুচ্ছ দাবি ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয়ের কাছ থেকে আমরা ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। আশা করছি, যশোরে একটি সুন্দর, সুস্থ ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বলয় গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’





