• ই-পেপার

জামালপুরে বিএনপির কার্যালয়ে আগুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিকের অভাবে রাতেও ধান কাটছে হারভেষ্টার মেশিন

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিকের অভাবে রাতেও ধান কাটছে হারভেষ্টার মেশিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে রাতেও হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটছে কৃষককরা। ছবি: কালের কণ্ঠ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ইরি-বোরো ধান কাটার মৌসুমে তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, বৃষ্টি ও হারভেস্টার মেশিনের সংকট থাকায় ধান কাটতে হচ্ছে অতিরিক্ত খরচ দিয়ে। এতে ধান কাটায় খরচও বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। এসব প্রতিবন্ধকতায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। শ্রমিক ও  কম্বাইন্ড হারভেষ্টার মেশিনের অভাবে আজ (১৭ মে) রবিবার রাতেও ধান কাটতে দেখা গেছে। প্রতি কানি (৩৩ শতক) ৫ হাজার টাকায় মেশিনে কাটতে হচ্ছে। অথচ,গত বছর যার মূল্য ছিলো ২৬ শত টাকা।

উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন কৃষকরা জানিয়েছে , অসময়ে বৃষ্টি আর বাতাসের কারণে ধান পড়ে যাওয়ায় ফলন কম হয়েছে। পাশাপাশি ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। যাদের পাওয়া যাচ্ছে তাদের মজুরি বেশি। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ও জমিতে পানি থাকায় হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটাই মাড়াই করাতে দ্বিগুণ খরচ গুনতে হচ্ছে।

এছাড়া শ্রমিক দিয়ে ধান কাটলে বিঘায় একবস্তা ধান বেশি ও খড় শতভাগ পাওয়া যায়। অপরদিকে হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটার কারণে একবস্তা ধান কম পাওয়া যায় ও খড় নষ্ট হয়ে যায় বলেও জানান তারা।

উপজেলার উজানচর গ্রামের কৃষক ছালে মুছা বলেন, ‘এবার ৫ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছি। সংকটের মধ্যে খুব কষ্ট করে শ্রমিক সংগ্রহ করলেও একর প্রতি ২০ হাজার টাকায় বাধ্য হয়ে ধান কাটতে দেওয়া হয়েছে। না হলে পাকা ধান ঝরে পড়ছে। হারভেস্টারেও একই খরচ।’

হোগলাকান্দি গ্রামের কৃষক রফিকুল  ইসলাম বলেন, ‘গতবার হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধানকাটতে নিয়েছিল একর প্রতি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। এবার তা দিতে হচ্ছে ২০ হাজার টাকা। কৃষি শ্রমিক ও হারভেস্টারের চরম সংকট দেখা দিয়েছে।’

বুধাইরকান্দি গ্রামের কৃষক রহমান মিয়া বলেন, খরচ বেড়েছে। ধানও ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে এই খরচ বেড়ে যাওয়ায় জমি চুক্তি নিয়ে যারা ধান চাষ করেছেন, তারা লোকসানে পড়েছেন। প্রকৃত জমির মালিকরা লাভবান হচ্ছে।

হারভেষ্টার মেশিনের একাধিক  মালিকরা জানান, সরকারের ভর্তুকির দিয়ে হারভেস্টার মেশিন পুরাতন হয়ে যাওয়ায় প্রায় সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এর যন্ত্রাংশ পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া গেলেও দাম বেশি। তেলের দাম বেড়েছে। মেশিনর সঙ্গে থাকা শ্রমিকের দাম বেশি, আবার পানি থাকায় চালক ছাড়াও একজনের জায়গায় দুইজন শ্রমিক নিতে হচ্ছে। এমন বিভিন্ন কারণে খরচ বেড়েছে।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর কৃষি কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মুটামুটি অর্ধেক ধান কাটা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ধান কাটাই মাড়াই ব্যাহত হচ্ছে।  তিনি আরো  বলেন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মোট হারভেস্টারের সংখ্যা ৬৮ টি, এর মাঝে  ৪২ টা সচল আছে, বাকিগুলোর মাঝে কিছু অচল, কিছু সার্ভিসিং এ আছে।

সচল ৪২ টার মাঝে ২৫/৩০ টা বাঞ্ছারামপুরে ধান কর্তন করছে, বাকি গুলো পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে (বিশেষত নবীনগর, হোমনা, মুরাদনগরে) ধান কর্তনে গেছে, তাদের দ্রুত বাঞ্ছারামপুর আসার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কৃষি অফিস জানায়, এই বছর উপজেলায় বোরো আবাদ করা হয়েছে ৯ হাজার ৫শত ৫৮ হেক্টর। আমরা বাম্পার ফলনের আশা করছি।

চড়া ও বেশী মূল্যে হারভেষ্টার মেশিনে ধান কাটার অভিযোগ প্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন বলেন,‘বিষয়টি আমি কালই সরেজমিনে গিয়ে খতিয়ে দেখবো।’ 

নবগঙ্গা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে স্থানীয়দের মানববন্ধন

নড়াইল সংবাদদাতা
নবগঙ্গা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে স্থানীয়দের মানববন্ধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নবগঙ্গা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। রবিবার (১৭ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার পার-ভোমবাগ এলাকায় নদীতীরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে নদীভাঙনকবলিত দুই পাড়ের বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশ নেয়। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল নিয়মবহির্ভূতভাবে নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে। এতে নদীর দুই তীরের বসতভিটা, ফসলি জমি, মসজিদ-মন্দির ও স্থানীয় বাজার ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।

মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা ইউছুফ মোল্যা বলেন, ‘নদীর মাঝখানে ট্রেজার বসিয়ে বালু কাটা হচ্ছে। এতে করে নদীর দুই কূল ভেঙে পড়ছে। নদী পাড়ে আমাদের বসতঘর সহ ফসিল জমি ভেঙে যাচ্ছে। তাদের এখান থেকে বালু কাটতে নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা আমাদের কথা শুনছেন না। তারা রাতের অন্ধকারে বালু কাটছে দিনে ও বালু কাটছে। তারা তাদের ইজারাকৃত সীমানা অতিক্রম করে এসে বালু কাটছে। কিছু বললে রাতের অন্ধকারে এসে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমরা নিষেধ করে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাদের বাড়ি ঘর রক্ষা নদী থেকে বালু কাটা বন্ধে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করি।’

মো. আতাউর মোল্যা নামের আরেক বক্তা বলেন, ‘বালু খেকোদের একটা সিন্ডিকেট আছে। এরা কোটি কোটি টাকার মালিক। এদের বিরুদ্ধে কেউ গেলে তাদের আর রক্ষা নেই৷ নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মতো এরা বালু কাটে। নদী ভাঙনে এখান থেকে অনেক পরিবার উচ্ছেদ হয়ে চলে গেছে। সরকারি জায়গায় বসবাস করছে। অথচ তাদের পৈতৃক জমি এই বালু খেকোদের কারণে নদী গর্ভে চলে গেছে। আমরা চাই অতিদ্রুত এই বালু কাটা বন্ধ করা হক।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বালু উত্তোলন কার্যক্রমের দেখভালের দায়িত্বে থাকা শেখ তাজুল। তিনি বলেন, ‘ইজারা নেওয়া জায়গা থেকে আমরা বালু উত্তোলন করছি। কোনোকিছু ভাঙলে অভিযোগ দিলে সরকারি লোক সেখানে যাবে ব্যবস্থা নিবে। আমাদের সরকার ইজারা দিয়েছেন বলেই আমরা বালু কাটছি।’

স্থানীয়দের হুমকি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে কোনো হুমকি দেইনি। হুমকি দেওয়ার কোনো প্রয়োজন ও নাই। আমরা ব্যবসা করি, ইজারা না পেলে তো বালু কাটতে যেতাম না।’

এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, ‘ওই এলাকায় একটি বালু মহাল রয়েছে। নতুন ইজারা দেওয়া হয়েছে। আজ নতুন ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরপরই তাদের বালু উত্তোলন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে৷ পরবর্তীতে নিয়ম মেনে নির্ধারিত সীমানার মধ্য থেকে বালু উত্তোলন করতে বলা হয়েছে। নিয়ম না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রায়পুরায় গৃহবধূ মোমিনা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর গ্রেপ্তার

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি
রায়পুরায় গৃহবধূ মোমিনা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার আলমগীর হোসেন। সংগৃহীত ছবি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আলোচিত গৃহবধূ মোমিনা খাতুন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর হোসেনকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) রাতে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ (বালুরচর) এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আলমগীর ওই এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সায়দাবাদ ও বালুরচর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন হানিফ মাস্টার এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন এরশাদ মিয়া।

গত বছরের ২১ জুলাই এ বিরোধের জেরে এরশাদ মিয়ার অনুসারীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালায়। ওই সময় গুলি ও কুপিয়ে গৃহবধূ মোমিনা খাতুনকে (৪৫) হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ হত্যাকাণ্ডে আলমগীর হোসেন সরাসরি অংশ নেন।

এ ঘটনায় নিহত মোমিনার ছেলে সোহান মিয়া ৭২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আলমগীর হোসেন মোমিনার পেটে একাধিক গুলি করে গুরুতর জখম করেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন আলমগীর। পরে শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারের পর রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চার বছরেও সংস্কার হয়নি ‘ফুলেরজান সেতু’, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
চার বছরেও সংস্কার হয়নি ‘ফুলেরজান সেতু’, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
ছবি : কালের কণ্ঠ

রংপুরের পীরগঞ্জ, মিঠাপুকুর ও পীরগাছা উপজেলার হাজারো মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগসেতু ‘ফুলেরজান সেতু’ দীর্ঘ চার বছরেও সংস্কার হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে স্থানীয়রা।

রবিবার (১৭ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, নলেয়া নদীর ওপর অবস্থিত এই সেতুটি পীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে শানেরহাট হয়ে মিঠাপুকুরের বড় হযরতপুর এবং বৈরতীহাট হয়ে পীরগাছাগামী সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেতুর পাটাতন ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে ওই রুটে মাঝারি ও ভারী যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে পড়ে থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ উদ্যোগ নেয়নি। এতে বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থী, রোগী ও কৃষিপণ্য পরিবহন সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, সেতুটি ব্যবহার করতে না পারায় এখন প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে সময় ও পরিবহন খরচ দুটোই বেড়ে গেছে। কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিতে সমস্যায় পড়ছেন, পাশাপাশি গবাদিপশু ও মুরগি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে।

হযরতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা নাসিমুল ইসলাম বলেন, ‘এটিই আমাদের চলাচলের প্রধান রাস্তা। ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় আমরা খুব সমস্যায় পড়েছি। এই এলাকার কৃষকরা তাদের ফলানো ফসল বেচা-কেনার জন্য এখন প্রায় ১৫-২০ কি.মি অতিরিক্ত রাস্তা ঘুরে হাট-বাজারে নিয়ে যেতে হয়।’

মুরগী ব্যবসায়ী আঙ্গুর মিয়া বলেন, ‘ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় ব্যবসা ভাল হচ্ছে না। এখন অনেক পথ ঘুরে মুরগী কিনতে গ্রামে যেতে হয়। এতে খরচও বেড়ে যায়।’ 

শানেরহাট ইউনিয়নের ব্যবসায়ী মান্নান খান বলেন, ব্রিজটি ভালো থাকতে ওই এলাকার মানুষ শানেরহাটে আসায় হাটের দিন ব্যবসা বেশ জমত। এখন ফুলেরজান ব্রীজ দিয়ে মালামাল পরিবহন হয় না, তাই ব্যবসা কমে গেছে ‘

শানেরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেছবাহুর রহমান বলেন, ‘সেতুটি আমাদের উপজেলায় নয়, পার্শ্ববর্তী মিঠাপুকুর উপজেলায়। আামি হযরতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে অনেকবার ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছি। তিনি বলেছেন, বরাদ্দ পাওয়া গেলে সংস্কার হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী বাদশা আলমগীর সাংবাদিকদের জনান, ব্রিজটি নতুন করে নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে মাটি পরিক্ষা করা হয়েছে। আগামী শুষ্ক মওসুমে নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।