• ই-পেপার

ফুটপাতে বসতে দেব না, প্রয়োজনে আমার বাসায় ব্যবসা করুন : আশা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে কয়েদির মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে থাকা তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি মরন মিয়া (৪০) মারা গেছেন। সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

মরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমন্ডল গ্রামের বায়জিদ মিয়ার ছেলে। ইয়াবা সেবন মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তিনি কারাগারে ছিলেন।

হাসপাতাল ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে কারাগারে নাস্তা করার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মরন মিয়া। এসময় কারাগারের চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কারাগারের চিকিৎসক ডা. শাখাওয়াত হোসেন তানভীর জানান, মরন মিয়াকে কারাগাটেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোকজনিত কারণে মারা গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার জানান, ইয়াবা সেবন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ৯ মে মরন মিয়া কারাগারে আসেন। সোমবার সকালে তিনি অসুস্থবোধ করলে  হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে তার লাশ রাখা হয়েছে। 

কটিয়াদী

নিখোঁজের ৪ দিন পর ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
নিখোঁজের ৪ দিন পর ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নিখোঁজের চারদিন পর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে এক ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার পৌর এলাকার ভোগপাড়া মহল্লায় কটিয়াদী-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মো. জিল্লুর রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তির। তিনি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরগোহালবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। ঘটনার পরপরই কটিয়াদী সার্কেল এসপি মো. তোফাজ্জল হোসেনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জিল্লুর রহমানের গ্রামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চরগোহালবাড়িয়া গ্রামে হলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি পরিবার নিয়ে কটিয়াদী সদরে বসবাস করতেন। স্ত্রী ছাড়াও তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কটিয়াদী পৌর এলাকায় তার দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ‘মুন ডিজিটাল স্টুডিও অ্যান্ড কালার ল্যাব’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করছিলেন। পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে ‘অন-টাইম প্লেট অ্যান্ড গ্লাস’ তৈরির কারখানা দিয়ে ব্যবসাও শুরু করেন।

পরিবারের লোকজন জানান, শুক্রবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি তিনি। সোমবার সকালে স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে মরদেহটি মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ গিয়ে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

ওই কারখানায় কাজ করা দুই কর্মী মদিনা ও শারমিন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে আমরা সর্বশেষ কাজ করে চলে যাই। আমরা ছাড়াও আরেকজন ড্রাইভার ছিল, তবে তার নাম আমরা জানি না। তিনিও এখানে কাজ করতেন। মালামাল আসলে আমাদের ফোনে জানানো হতো। এরপর থেকে কাজের জন্য আর কোনো ফোন পাইনি।’

এদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওই ড্রাইভারের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাৎক্ষণিকভাবে কেউ তার নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি।

মৃত জিল্লুর রহমানের স্ত্রী অন্তরা বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালে নাশতা খেয়ে বাসা থেকে বের হন তিনি। এরপর দুপুরে সর্বশেষ কথা হয়। পরে ফোনে কল গেলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেখি মরদেহটি মেঝেতে পড়ে রয়েছে।’

চাচাতো ভাই আব্দুল হাশিম বলেন, ‘কিভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সঠিক তদন্ত চাই। আমার ভাই খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। আমরা তার নম্বরে অনেকবার কল দিয়েছি, কিন্তু ফোন খোলা থাকলেও রিসিভ হয়নি।’

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। নিখোঁজের বিষয়ে থানাকে আগে অবগত করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’

শেরপুরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫

শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫
সংগৃহীত ছবি

শেরপুরে শ্রীবরদী উপজেলার মাদারপুর এলাকায় জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহতের নাম আশরাফুল আলম (২৩)। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের শেরপুর জেলা হাসপাতাল ও শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা চলছে।

শ্রীবরদী থানার ওসি মোহাম্মদ নুরুল আলম মাদারপুরে জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও একজন নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠানো হয়েছে, পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

মেহেরপুরে আইফোনসহ জুয়াড়ি গ্রেপ্তার

মেহেরপুর প্রতিনিধি
মেহেরপুরে আইফোনসহ জুয়াড়ি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

মেহেরপুরে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ ই-ট্রানজেকশন চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্সসহ এক জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, আগে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত সুয়াইব আহম্মেদ সৌমিক মেহেরপুর সদরের চাঁদবিল ঈদগাহপাড়া বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ডিবির একটি দল মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল এলাকার কোলার মোড়ে অভিযান চালায়। এ সময় আসলাম অটোস নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সৌমিককে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। 

এর আগে গত শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর ও গাংনী উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বায়েজিদ ডালিমসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। ওই ঘটনায় মেহেরপুর সদর ও গাংনী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬-এ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

ডিবি পুলিশের দাবি, ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার বিকেলে চাঁদবিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সৌমিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।